বন্যার পানিতে নিমজ্জিত ১৮৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাঠদান নিয়ে শঙ্কা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি জামালপুর
প্রকাশিত: ০৬:০৮ পিএম, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খেলার ঘোষণায় স্বস্তি ফিরেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে। চলছে শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ। কিন্তু বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ১২ সেপ্টেম্বর থেকে পাঠদানে ফিরতে পারছে না জামালপুরে ১৮৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, খোলার উপযোগী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা বেঞ্চসহ আসবাবপত্র এবং বিদ্যালয়ের আশপাশ ও মাঠে জমে থাকা আগাছাও পরিষ্কার করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বন্যার পানি বাড়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলো পানিতে ভাসছে। এতে বন্যা কবলিত এলাকার স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

jagonews24

জেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, জেলায় এক হাজার ১৬১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক, কারিগরি ও মাদরাসা মিলিয়ে আরও ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। বন্যার পানি না নামায় জেলার ১৮৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এছাড়া শুধুমাত্র দেওয়ানগঞ্জ বাংলাদেশ রেলওয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্যা দুর্গতরা আশ্রয় নেয়ায় এটি ছাড়া বাকি বিদ্যালয়গুলো খোলার প্রস্তুতি চলছে।

jagonews24

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মনিরা মুস্তারি ইভা বলেন, ১২ তারিখ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান শুরুর জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সঠিক সময়ে পাঠদান শুরু করা যাবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাক জাগো নিউজকে জানান, শতভাগ বিদ্যালয় খুলে দেয়ার প্রস্তুতি ছিলো। কিন্তু ১৮৭ টি বিদ্যালয় বন্যার পানিতে নিমজ্জিত থাকায় সেগুলো খোলা যাচ্ছে না।

আরএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।