জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সেবায় শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নুর নবী
“সবার জন্য প্রয়োজন, জন্ম ও মৃত্যু পরপরই নিবন্ধন”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে বুধবার সারাদেশে পালিত হয়েছে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’। গত ৯ আগস্ট মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস’ ঘোষণা করে সরকার।
এসডিজির লক্ষ্যমাত্রায় রয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে আমাদের ৮০ শতাংশ জন্ম এবং মৃত্যু নিবন্ধন সম্পূর্ণ করতে হবে।
জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ এর ৮ ধারা অনুযায়ী শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন, কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে মৃত্যু নিবন্ধন করতে হবে। এটাকে আরও কার্যকরী করার জন্য দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। যাতে সাধারণ মানুষ আরও উদ্বুদ্ধ হয়।
সারাদেশের অন্যান্য জেলা ও উপজেলার সাথে ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া উপজেলায়ও পালিত হয় জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস। এ উপলক্ষে দাগনভূঁইয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা আক্তার তানিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান শাহীন মুন্সি প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সেবায় উপজেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে পুরস্কৃত করা হয়। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সেবায় দাগনভূঁইয়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ১ নং সিন্দুরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর নবী। তার হাতে পুরস্কারের ক্রেস্ট তুলে দেন উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন।
আইএইচএস/এএসএম