ছবি তুলতে গিয়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ, ৩ দিন পর মিললো মরদেহ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নরসিংদী
প্রকাশিত: ০৭:২৫ পিএম, ২৬ অক্টোবর ২০২১

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে ট্রেনের ধাক্কায় শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে নিখোঁজ যুবক অলি মিয়ার (১৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার তিনদিন পর মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের ফুলেশ্বরী এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর মাঝখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত অলি মিয়া নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বড়পাড়া গ্রামের মো. বজলুর রহমানের ছেলে। তিনি তার চাচার বাড়ি নরসিংদীর মাধবদীতে থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালাতেন।

নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্র জানায়, শনিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাধবদী থেকে ঘোড়াশাল রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় ঘুরতে আসেন শাহজাহান ও অলি মিয়া নামের দুই যুবক। পরে ঘোড়াশাল নতুন রেলসেতুতে ছবি তুলতে গেলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় অলি মিয়া শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে তাকে উদ্ধারে শনিবার ও রোববার ঘটনাস্থল ও তার আশপাশের স্থানে অভিযান চালায় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ। তবে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার সকালে ডাংগা ইউনিয়নের ফুলেশ্বরী এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর মাঝখান থেকে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা যুবকের স্বজনদের খবর দেন। ১০টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত অলির চাচা ফজলুর রহমান বলেন, অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পাওয়ায় ঘটনাস্থলের আশপাশের লোকজনকে আমার মোবাইল নম্বর দিয়ে রেখেছিলাম। আজ নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে তারা আমাকে খবর দেন। পরে আমরা এসে মরদেহ শনাক্ত করি।

ঘোড়াশাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক জহিরুল আলম বলেন, খবর পেয়ে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যদের কোনো অভিযোগ না থাকায় মামলা করা হচ্ছে না। তাদের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

সঞ্জিত সাহা/এসআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]