সুন্দরবনের কাছে গণক্ষমা প্রার্থনা

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক মোংলা (বাগেরহাট)
প্রকাশিত: ০৪:২৭ পিএম, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
সুন্দরবনের কাছে ক্ষমা চাইছেন বনজীবী ও পরিবেশকর্মীরা

সুন্দরবনের ওপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন বনজীবীরা।

সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের ঢাংমারিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় বনজীবীদের হাতে ‘জীবাশ্ম জ্বালানি বন্ধ কর, সুন্দরবনের বাঘ-হরিণ হত্যা বন্ধ কর’, ‘পরিকল্পিত অগ্নিকাণ্ড বন্ধ কর, বিষ দিয়ে মৎস্য নিধন বন্ধ কর’ সংবলিত বিভিন্ন ফেস্টুন ও প্ল্যা-কার্ড দেখা যায়।

জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার, জলবায়ু সংকট সৃষ্টি, অপরিকল্পিত শিল্পায়ন, পশুর নদীতে কয়লা-তেল ভর্তি জাহাজডুবি, জাহাজি বর্জ্য-শিল্প ও প্লাস্টিক দূষণ, বাঘ-হরিণ-পাখিসহ বন্যপ্রাণী হত্যা, বিষ দিয়ে মাছ নিধন, ডলফিন হত্যা, বৃক্ষ নিধনসহ মানুষ সৃষ্ট বন-বিনাশী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার, বাদাবন সংঘ এবং ঢাংমারি ডলফিন সংরক্ষণ দল গণক্ষমা প্রার্থনার আয়োজন করে।

mongla1

বাপার বাগেরহাট জেলার আহ্বায়ক পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন- বাদাবন সংঘের মোংলা এরিয়া ম্যানেজার অজিফা বেগম, বাপা নেতা পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ভলান্টিয়ার ইস্রাফিল বয়াতি, বাপা নেতা নদীকর্মী হাসিব সরদার, ডলফিন সংরক্ষণ দলের ষ্টিফেন হালদার, শেখর রায়, বাপা নেত্রী মীরা বিশ্বাস, তরুণ মন্ডল প্রমুখ।

গণক্ষমা প্রার্থনায় বাপা নেতা মো. নূর আলম শেখ বলেন, মানুষের বন-বিনাশী কর্মকাণ্ডের ফলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র হুমকিতে পড়েছে। মহাপ্রাণ সুন্দরবনকে বাঁচাতে এবং টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে বন-বিনাশী কর্মকাণ্ড থেকে মানুষ ও সরকারকে সরে আসতে হবে। সুন্দরবন বিনাশী সব প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ করে সরকারকে পরিবেশ ও জনবান্ধব টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

মো. এরশাদ হোসেন রনি/এসজে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।