এবার কুয়াকাটা সৈকতে দেখা মিললো মৃত মুন জেলিফিশের

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক পটুয়াখালী
প্রকাশিত: ১১:৪৪ পিএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২
কুয়াকাটা সংলগ্ন চর বিজয়সহ বিভিন্ন পয়েন্টে ভেসে আসছে শত শত আওরেলিয়া আওরেটা প্রজাতির মৃত জেলিফিশ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন চর বিজয়সহ বিভিন্ন পয়েন্টে ভেসে আসছে শত শত আওরেলিয়া আওরেটা প্রজাতির মৃত জেলিফিশ।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের দিকে এসব জেলিফিশ ভেসে আসতে দেখে স্থানীয়রা। তবে ঠিক কি কারণে সেগুলোর মৃত্যু হচ্ছে তার সঠিক কারণ জানা নেই তাদের।

জেলেরা জানান, বছরের কিছু কিছু সময় জোয়ারে শত শত জেলিফিশ বঙ্গোপসাগরে জেগে ওঠা চর বিজয়সহ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের ঝাউবাগান ও লেম্বুর চরে কিছু জেলিফিশ দেখতে পাওয়া যায়।

তাদের দাবি, মূলত এসব জেলিফিশ জোয়ারের সময় জীবিত অবস্থায় ভেসে আসে। পরে সৈকতের বালিয়াড়িতে আটকে এ প্রাণির মৃত্যু। অনেক সময় মৃত এ জেলিফিশ সৈকতে পঁচে দুর্গন্ধ ছড়ায়।

জেলে রাব্বি মাঝি জানান, আগে সাগরে প্রচুর পরিমাণে জেলিফিশ দেখা যেত। এখনও দেখা যাচ্ছে, কিন্তু পরিমাণে কম।

jagonews24

গঙ্গামতির জেলে জাফর মাঝি জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে ঝাঁকে ঝাঁকে এসব প্রাণি সাগরে ভাসতে দেখা যাচ্ছে। অনেক সময় জালেও আটকে যায়। তবে জালে আটকা পড়লে আমরা ছাড়িয়ে দেই।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, সমুদ্রে জেলিফিশগুলো মূলত আওরেলিয়া আওরেটা প্রজাতির জেলিফিশ। তবে চাঁদের মতো দেখতে বলে এদের মুন জেলিফিশও বলা হয়। এগুলা মূলত সাঁতারে তেমন পারদর্শী নয়।

তিনি জানান, অনেক সময় জেলিফিশ খাদ্য অন্বেষণে উপরের দিকে চলে আসে তবে একেবারে উপরে নয়। হয়ত খাদ্য অন্বেষণে এসে এ প্রাণি বাতাসের চাপে সৈকত এলাকায় চলে এসেছে। পরে বালুতে আটকা পড়ে মারা গেছে। এরা সমুদ্রে বাতাসের গতি কিংবা ঢেউয়ের বিপরীতে চলতে পারে না।

জেলিফিশ এক ধরনের মেরুদন্ডহীন প্রাণি। যাদের সবসময় মহাসাগরে দেখতে পাওয়া যায়। নামে ‘ফিশ’ হলেও এটি মাছ নয়। ঘণ্টাকৃতি জেলীসদৃশ প্রাণিটি প্রাণিজগতের নিডারিয়া পর্বের সিফোজোয়া শ্রেণির অন্তর্গত। জেলিটিন সমৃদ্ধ ছাতার অংশ এবং ঝুলে পড়া কর্ষিকা এদুই অংশে প্রাণিটির দেহ গঠিত।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এমআরএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।