চেয়ারম্যান ভাগনেকে তুলে নিয়ে পিষে মারার হুমকি কাদের মির্জার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী
প্রকাশিত: ০৮:৩৮ এএম, ১৯ এপ্রিল ২০২২

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের ৬নং রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজিস সালেকিন রিমনকে তুলে নিয়ে পিষে মারার হুমকি দিয়েছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

সালেকিন রিমন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং মেয়র আবদুল কাদের মির্জার আপন ভাগনে।

সোমবার (১৮ এপ্রিল) কাদের মির্জার ওই হুমকির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার (১৭ এপ্রিল) রামপুরের বামনী বাজারে নিজের অনুসারীদের সামনে এমন বক্তব্য দেন কাদের মির্জা

ভিডিওতে দেখা যায়, ভাগনে ইউপি চেয়ারম্যান সালেকিন রিমনকে একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চরিত্রহীন আখ্যায়িত করে কাদের মির্জা বলেন, জনগণ তাকে ভোট দেয়নি। প্রশাসন সহযোগিতা করে তাকে চেয়ারম্যান বানিয়েছে। তাকে সাবধান করে দিচ্ছি, বহু ক্ষমতাধর চেয়ারম্যান সারি (বিলীন হয়ে) গেছে। বাড়াবাড়ি করলে রামপুর থেকে তুলে নিয়ে বাপের (বাবার) নাম ভুলিয়ে দেবো। এ সময় ভাগনেকে তুলে নিয়ে পিষে মারার হুমকিও দেন তিনি।

কাদের মির্জা আরও বলেন, এই ছেলে (চেয়ারম্যান সালেকিন রিমন) উপবাস ছিল, খেতে পেতো না। তাকে টোল প্লাজায় চাকরি দিয়েছি। বাড়িতে থাকার ঘর ছিল না, ঘর তৈরি করে দিয়েছি। এখন সে কালো চশমা লাগিয়ে গডফাদার সাজে।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সিঙ্গাপুর সফর শেষে ঈদুল ফিতরের পর সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নিজ নির্বাচনী এলাকায় আসবেন। তিনি বসুরহাটে নির্মিত দলীয় নিজস্ব কার্যালয় উদ্বোধন এবং আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের অচল অবস্থার অবসান করবেন। এ কর্মসূচি নস্যাৎ করার জন্যই রামপুরের চেয়ারম্যান সালেকিন রিমন (ওবায়দুল কাদের ও কাদের মির্জার ভাগনে) ও তার লোকজন ষড়যন্ত্র করছে।

রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজিস সালেকিন রিমন জানান, আমাকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন কাদের মির্জা। বিষয়টি আমি নোয়াখালী জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে ভিডিওসহ অবহিত করেছি। আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

ইকবাল হোসেন মজনু/এফএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।