ভারি বর্ষণে কালিয়াকৈরে জলমগ্ন তিন সহস্রাধিক ঘরবাড়ি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গাজীপুর
প্রকাশিত: ০৪:৪৯ পিএম, ১৮ জুন ২০২২

প্রবল বর্ষণে গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার ৫, ৭ ও ৮নং ওয়ার্ডের তিন সহস্রাধিক ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ওইসব ওয়ার্ডের অধিকাংশ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

কালিয়াকৈর পৌরসভার হরিণহাটি, বিশ্বাসপাড়া, তিন নম্বর গেট, দিঘিরপাড়, ডাইনকিনি ও হরতকিতলা এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় এলাকাবাসী চরম বিপাকে পড়েছেন। তবে এই জলাবদ্ধতার জন্য অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ড্রেনের ওপর বহুতল ভবন নির্মাণ, নদী-খাল দখল ও প্রশাসনের উদাসীনতাকে দায়ী করেছেন স্থানীয়রা।

সামান্য বৃষ্টি হলেই চরম দুর্ভোগে পড়েন কালিয়াকৈর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের জনসাধারণ। অপরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে এই অচলাবস্থা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. খাত্তাব মোল্লা বলেন, আনসার একাডেমির উত্তর পাশে পৌরসভার ড্রেনের ওপর একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করায় ভবনের নিচে ময়লা-আবর্জনা আটকে গিয়ে সহস্রাধিক ঘরবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ফলে ওই ভবনের নিচে পরিষ্কার করতে না পারায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ওয়ালটন কারখানা কর্তৃপক্ষ পৌরসভার পানি নিষ্কাশনের ড্রেনের ওপর মাটি ভরাট করে বাউন্ডারি নির্মাণ করায় দুই সহস্রাধিক ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সড়ক জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এলাকার লোকজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। আমরা এলাকার লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে ড্রেন পরিষ্কারের চেষ্টা চালাচ্ছি।

কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র মো. মজিবুর রহমান বলেন, সারাদেশেই এই সমস্যা চলছে। আমাদের পানি যেদিক দিয়ে বের হয় সেদিক দিয়ে বেরও হচ্ছে কোনো বাঁধা নেই। তবে এত বেশি বৃষ্টি হয়েছে, আবার এদিকে নদীর পানিও বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলে সহজে পানি বের হয়ে যেতে পারছে না।

তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি। আমাদের লোকজন সেখানে পানি নিষ্কাশনের জন্য কাজ করছেন। আশা করছি, অতি দ্রুত পানি চলে যাবে।

মো. আমিনুল ইসলাম/এমআরআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।