কোরবানির হাট কাঁপাবে কুষ্টিয়ার ‘শেরখান’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুষ্টিয়া
প্রকাশিত: ০৫:৫৬ পিএম, ২৩ জুন ২০২২

‘শেরখান’ নাম শুনলেই মনে হবে এলাকার প্রভাবশালী কোনো ব্যক্তির নাম। কিন্তু এটি আসলে কোনো মানুষের নাম নয়। এটি হাতির মতো বিশালদেহী কুষ্টিয়ার একটি ষাঁড়ের নাম। এবারের কুষ্টিয়ার কোবরানির হাট কাঁপাবে এই শেরখান। যার ওজন প্রায় এক হাজার ৬০০ কেজি বা ৪০ মণ। মালিক এর দাম হাঁকছেন ১৫ লাখ।

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ধুবইল ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামের খামারি আকমাল ইসলাম চারবছর ধরে ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি লালনপালন করছেন। আদর করে নাম দিয়েছেন শেরখান। সুঠাম দেহের অধিকারী সুউচ্চ এই গরুটিকে আসন্ন কোরবানির জন্য হাটে তুলেছেন তিনি।

jagonews24

এদিকে, প্রতিদিনই এলাকার উৎসুক লোকজন শেরখানকে দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন আকমালের বাড়িতে। বিশালদেহী গরুটি লালনপালন করায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকেও মিলেছে পুরস্কার।

আকমাল ইসলাম বলেন, চারবছর ধরে ঘাস, খইল, ভুসি, কলা, মাল্টাসহ বিভিন্ন ফল-ফলাদি খাইয়ে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে গরুটিকে লালনপালন করেছি। আদরের শেরখানকে লালনপালন করতে অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে। শেরখানকে বড় করতে অনেক টাকার ঋণ হয়েছে। ঋণের টাকা পরিশোধ করতেই এবারের কোরবানির হাটে বিক্রি করতে হচ্ছে।

jagonews24

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত কুষ্টিয়ার কোরবানির হাটে যেসব গরু উঠছে তার মধ্যে শেরখান সবচেয়ে বড় পশু।

মিরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সোহাগ রানা বলেন, এ উপজেলায় স্বাস্থ্যসম্মতভাবে কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত করেছেন কৃষকরা। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস তাদের নানাভাবে পরামর্শ দিয়েছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ উপজেলার ধুবইল ইউনিয়নের হাজীপাড়া এলাকায় কৃষক আকমালের বাড়িতে গরুটিকে দেখতে ভিড় করছেন। গরুটি দেখতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে আমরাও গিয়েছিলাম। মালিক স্বাস্থ্যসম্মতভাবে লালনপালন করে গরুটিকে বড় করে তুলেছেন।

আল-মামুন সাগর/এমআরআর/এএইচ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]