সিরাজগঞ্জে ৩ লাখ ৯১ হাজার কোরবানির পশু প্রস্তুত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৯:৪০ পিএম, ২৮ জুন ২০২২

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। বাড়তি লাভের আশায় কেউ কেউ কোরবানির চার-ছয় মাস আবার অনেকে এক বছর আগে থেকে গবাদিপশু পালন শুরু করেন। এরইমধ্যে জেলায় ৩ লাখ ৯১ হাজার গবাদিপশু কোরবানির ঈদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলায় স্থায়ীভাবে ৪১টি ও অস্থায়ীভাবে ১৫টি হাট বসবে। এরই মধ্যে গবাদিপশু বিক্রি শুরু হয়ে গেছে।

jagonews24

এদিকে গো-খাদ্যের মূল্য অস্বাভাবিক বাড়ায় এমনিতেই খামারিরা হিমশিম খাচ্ছেন। এরওপর গো-চারণ ভূমি বন্যাকবলিত হওয়ায় তাদের বিপদ আরও বেড়েছে।

শাহজাদপুর উপজেলার উল্টাডাব গ্রামের খামারি শাহাবুদ্দীন জানান, বন্যার পানিতে গো-চারণ ভূমি প্লাবিত হয়েছে। ঘাসের জমি ডুবে যাওয়ায় গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে।

jagonews24

পোতাজিয়া গ্রামের খামারি ফরমান জানান, প্রায় এক বছর ধরে কোরবানি উপলক্ষে ১০টি গরু পালন করেছি। বন্যায় মাঠে থাকা নেপিয়ার ঘাসের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গ্রামের কাঁচা রাস্তা বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ বেড়েছে। বর্তমানে গরুকে আমরা কেনা খাবার খাওয়াচ্ছি। এতে গরুর পেছনে ব্যয় বেড়ে গেছে। গরু বিক্রি করে খরচ উঠবে কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

জেলা প্রণিসম্পদ কর্মকর্তা গৌরাঙ্গ কুমার তালুকদার জাগো নিউজকে বলেন, এ জেলায় ১৫ হাজার খামারে কোরবানির জন্য ৩ লাখ ৯১ গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। মোটাতাজাকরণে খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে কেউ যেন ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার না করেন এজন্য প্রচারণা চালানো হয়েছে। পুরোদমে হাট শুরু হলে সেসব স্থানে মেডিক্যাল টিম বসানো হবে। জেলা কার্যালয়ের পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ে স্ব স্ব প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা এ কাজের দেখভাল করবেন।

এসজে/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]