৪০ মণের ‘রাজা বাবু’র দাম ১৫ লাখ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি জামালপুর
প্রকাশিত: ০৬:০৪ এএম, ০৪ জুলাই ২০২২

চেহারায় রাজকীয় ভাব। সারাদিন খায় আর ঘুমায়, তাই আদর করে নাম রাখা হয়েছে রাজা বাবু। আসন্ন কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে ১৬০০ কেজি (৪০ মণ) ওজনের রাজা বাবুর দাম হাঁকানো হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা। ধারণা করা হচ্ছে এটিই ওই এলাকার সবচেয়ে বড় কোরবানির পশু।

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারি ইউনিয়নের টাবুরচর গ্রামের লাল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে রাজা বাবুকে লালন পালন করছেন। ফ্রিজিয়ান জাতের চার বছর বয়সী এ ষাঁড়টি উচ্চতায় ৬ ফুট এবং লম্বায় ৯ ফুট। শান্ত স্বভাবের রাজা বাবুর খাদ্য তালিকায় রয়েছে শুকনো খড়, ফল, গম, ভুসি, কাঁচা ছোলা, কাঁচা বাদাম ও দানাদার খাবার।

লাল মিয়া জানান, রাজা বাবুর স্বভাব একদম রাজার মতো। সারাদিন খায় আর ঘুমায়। তাই নাম রাখছি রাজা বাবু। রাজা বাবুর দাম চাচ্ছি ১৫ লাখ টাকা। একে কিনতে কয়েকজন ফোন করেছেন। এখন পর্যন্ত ১২ লাখ টাকা দাম উঠছে।

তিনি বলেন, রাজা বাবু আমার সন্তানের মতো। সবসময় ভালো খাবার খাওয়ানো হয়েছে। শখ করেই পশুটিকে বড় করেছি।

স্থানীয় করিম, আব্দুর রহমান, ইদ্দিস আলীসহ আরও অনেকে বলেন, তাদের দেখা জামালপুরে এটিই সবচেয়ে বড় কোরবানির পশু। তাই ষাঁড়টিকে দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছে উৎসুক জনতা। এছাড়াও ব্যবসায়ীরা দরদাম করছেন ষাঁড়টি কিনতে।

টাবুরচর গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার বলেন, লাল মিয়া খুবই যত্ন করে ষাঁড়টিকে লালন পালন করেছেন। এতো বড় ষাঁড় তাদের উপজেলাতে আর একটিও নাই। প্রতিদিন অনেক লোকজন রাজা বাবুরে দেখতে আসে। তাদেরও ভালো লাগে এমন গরু দেখতে।

চরপুটিমারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামছুজ্জামান (সুরুজ মাস্টার) জাগো নিউজকে বলেন, ষাঁড়টি দেখতে বেশ সুন্দর। আশেপাশের এলাকার লোকজন প্রতিদিন দেখতে আসছে।

উপজেলা উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) মো. রবিউল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ষাঁড়টি আমি দেখেছি। শখ করেই ষাঁড়ের মালিক তাকে লালন পালন করেছেন। আশা করছি কোরবানি ঈদে ষাঁড়টির ভালো দাম পাবেন লাল মিয়া।

মো. নাসিম উদ্দিন/কেএসআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]