দুর্নীতির অভিযোগ, কক্সবাজারের ৯ সার্ভেয়ারকে বদলি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০৭:৪৫ পিএম, ১৯ জুলাই ২০২২

২৩ লাখ ৬৩ হাজার টাকাসহ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে ঢাকায় আটক হন কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার সার্ভেয়ার আতিকুর রহমান। এ ঘটনার পর আলোচনায় আসে এলএ শাখার দুর্নীতির বিষয়টি।

প্রশাসনের সুনাম ধরে রাখতে এবার একযোগে ৯ সার্ভেয়ারকে বদলি করা হয়েছে। আগামী ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় ২৫ জুলাই তাদের স্ট্যান্ড রিলিজ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী সই করা এক স্মারকে এতথ্য নিশ্চিত করা হয়।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ ৯ সার্ভেয়ারকে বদলির বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

জেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্র জানায়, সার্ভেয়ার মো. সাইফুল ইসলামকে ফেনীর পরশুরাম উপজেলা ভূমি অফিস, দুলাল খানকে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই, মো. ইব্রাহিম ফয়সালকে বান্দরবান সদর ভূমি অফিস, মীর্জা মোহাম্মদ নুরে আলমকে ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, হযরত আলীকে নোয়াখালীর হাতিয়া, মো. আব্দুল কাইয়ুমকে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন কার্যালয়, মো. শরিফুল ইসলামকে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন কার্যালয়, জিয়াউর রহমানকে বান্দবানের আলীকদম এবং মো. নুর উদ্দিন আলমকে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা ভূমি অফিসে পদায়ন করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় বিভিন্ন সময় অভিযোগ ছিল। আতিকুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার আগেও অনেক সার্ভেয়ার গ্রেফতার হয়েছিলেন। সবকিছু মিলে জেলা প্রশাসনের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই সুনাম ধরে রাখতে জেলা প্রশাসক নিজেই তাদের বদলি চেয়েছেন।

জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘এলএ শাখার সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় তাদের বদলি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সবসময় সরকারের হয়ে জনকল্যানে কাজ করছে। কিছু অসাধু কর্মকর্তার কারণে প্রশাসনের সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারে না।’

সায়ীদ আলমগীর/এসআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।