সর্বোচ্চ তাপমাত্রা মোংলায় ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস
বাগেরহাটের মোংলায় কয়েকদিন ধরে চলছে তাপপ্রবাহ। সূর্যের প্রখর রোদে হাঁসফাঁস করছে উপজেলাবাসী। একদিকে গরম অন্যদিকে লোডশেডিংয়ে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। এর মধ্যে শনিবার (৩০ জুলাই) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মোংলায়, ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঢাকা অফিসের আবহাওয়াবিদ ড. মো. আবুল কালাম মল্লিক জাগো নিউজকে বলেন, শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে মোংলায়। এর আগে শুক্রবার দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল মোংলাতে ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি আরও বলেন, এ তাপপ্রবাহ অবশ্য দুই-একদিনের মধ্যে কমে যাবে।

এদিকে, প্রখর রোদে হাঁপিয়ে উঠেছে মোংলার জনজীবন। পৌর শহরের কবরস্থান রোড এলাকার বাসিন্দা মো. আক্কাস আলী বলেন, এখন শ্রাবণ মাস চলছে, বৃষ্টি তো হচ্ছেই না উল্টো প্রচণ্ড গরম। গরমে বাড়িতে থাকা যাচ্ছে না। তাই নাতিদের নিয়ে পুকুরের পানিতে নেমে বসে আছি। পুকুরের পানিও গরম।

দিগন্ত কলোনীর বাসিন্দা কাঞ্চন মাঝি বলেন, রোদের যন্ত্রণায় টিকতে পারছি না। পুকুরের ঘাটে পানিতে নেমে বসে আছি। পুকুরের পানিও গরম।

পৌর শহরের ভ্যানচালক মো. মহিদুল ইসলাম বলেন, গরমে ভ্যান চালাতে কষ্ট হয়। একবার যাত্রী টেনে ১০ মিনিট বিশ্রাম নিতে হচ্ছে। গরমে পানির পিপাসাও লাগছে। পিপাসা মেটানোর মতো খাবার পানি এখানে নেই। খাওয়ার যে পানি সরবরাহ করা হয় তাও পরিমাণে খুব কম। তাতে আমাদের পরিপূর্ণ তৃষ্ণাও মেটাতে পারছি না।
পৌরসভার শিকারির মোড়ের বাসিন্দা মো. কবির বলেন, গরমে প্রচণ্ড শরীর ঘামছে, পানিশূন্যতা দেখা দিয়েছে। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ছে। আর পানি তো লবণ তা খেয়েও পিপাসা মিটছে না।
এমআরআর/জেআইএম