মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

‘প্রত্যেক বীর মুক্তিযোদ্ধার বক্তব্য আর্কাইভে সংরক্ষণ করা হবে’

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি জামালপুর
প্রকাশিত: ০৮:১৪ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২

প্রত্যেক বীর মুক্তিযোদ্ধার বক্তব্য রেকর্ড করে আর্কাইভের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, এজন্য ‘বীরের কণ্ঠে বীরগাঁথা’ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।

রোববার (৪ নভেম্বর) বিকেলে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক রণাঙ্গন ধানুয়া কামালপুর মুক্ত দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী পরাজিত হয়ে হাঁটু গেড়ে মাথা নত করে চলে গেছে। কিন্তু তাদের প্রেতাত্মারা এখনো দেশবিরোধী নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তাই রাজনৈতিকভাবে পাকিস্তানি প্রেতাত্মাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সারাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে কাজ করছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সব শহীদ ও মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য একই ডিজাইনের কবর নির্মাণ করা হচ্ছে। যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কবর দেখেই চিনতে পারে এটা বীর মুক্তিযোদ্ধার কবর। সেইসঙ্গে সারাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো সংরক্ষণ করা হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক শ্রাবন্তী রায়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক দুলাল, বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমন্বয় পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট বাকী বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক বিজন কুমার চন্দ, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সুজাত আলী ফকীর প্রমুখ।

 

নাসিম উদ্দিন/এসআর/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।