যশোর শিক্ষা বোর্ডে পুনঃনিরীক্ষণে ৯৩ জনের ফলাফল পরিবর্তন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি যশোর
প্রকাশিত: ১০:০৩ পিএম, ১০ মার্চ ২০২৩
ফাইল ছবি

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসির ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণে ৯৩ জনের ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। ফেল থেকে বিভিন্ন গ্রেডে পাশ করেছেন ২৭ পরীক্ষার্থী। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৯ জন।

শুক্রবার (১০ মার্চ) দুপুরে এইচএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. বিশ্বাস শাহিন আহম্মদ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, করোনার কারণে ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালের নভেম্বরে। আইসিটি ব্যতীত অন্য সব বিষয়ে অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয় চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি। প্রকাশিত সেই ফলাফলে আপত্তি ও প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় ২৮ হাজার ৪০৪ জন শিক্ষার্থী উত্তরপত্র নতুন করে মূল্যায়নের জন্য আবেদন করেন। এতে ৯৩ জনের ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে।

এরমধ্যে ফেল থেকে পাস করেছেন ২৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৯ জন। ‘এ’ গ্রেড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৫ জন। এ মাইনাস থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে চারজন। ‘বি’ গ্রেড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১০ জন। বাকিদের পরিবর্তন হয়েছে বিভিন্ন গ্রেড।

এদিকে পাবলিক পরীক্ষার মধ্যে এবারই বেশি প্রকাশিত ফলাফলের ওপর আপত্তি জানিয়ে পুনঃনিরীক্ষণে আবেদন হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. বিশ্বাস শাহিন আহম্মদ বলেন, উত্তরপত্রে নম্বর যোগফল গণনার কারণে পুনঃনিরীক্ষার রেজাল্টে পরিবর্তন আসে। ২৮ হাজার ৪০৪ জন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র নতুন করে পরীক্ষক নির্ধারণ করে মূল্যায়ন করা হয়। এতে ৯৩ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। অভিজ্ঞ পরীক্ষক দিয়ে খাতা পুনঃনিরীক্ষা করা হয়েছে। যার মধ্যে কিছু খাতায় অনিচ্ছাকৃত বা গণনার কারণে ভুল হয়। নিয়ম অনুযায়ী যে প্রাপ্য ফলাফল সেটাই দেওয়া হয়েছে।

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় যশোর বোর্ড থেকে ৯৮ হাজার ২৬৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৮২ হাজার ৫০১ জন। পাসের হার ৮৩ দশমিক ৯৫। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭০৩ জন।

মিলন রহমান/আরএইচ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।