যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতা হত্যা: আরও ২ আসামি গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি লক্ষ্মীপুর
প্রকাশিত: ০১:৪৮ এএম, ১০ মে ২০২৩

লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান ও ছাত্রলীগ নেতা রাকিব ইমাম হত্যা মামলায় আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছেন মামলার ১৬ নম্বর আসামি শহিদ উল্যাহ। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে আলাউদ্দিন আলোকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার শহিদ মামলার প্রধান আসামি আবুল কাশেম জিহাদীর ব্যক্তিগত সহকারী বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার (৯ মে) রাত ১১টার দিকে র‌্যাব-১১ এর কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে শহিদ ও আলাউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার শহিদ সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের নন্দীগ্রামের গোলাম রাব্বানির ছেলে। গ্রেফতার আলাউদ্দিন একই গ্রামের আবু সাঈদের ছেলে।

র‌্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রধান আসামি কাশেম জিহাদীর ব্যক্তিগত সহকারী শহিদসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হবে। তাদের কাছ থেকে ঘটনা সংক্রান্ত কিছু তথ্য পেয়েছি। তদন্তের স্বার্থে তা বলা যাচ্ছে না। মামলার প্রধান আসামি কাশেম জিহাদীসহ অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

পুলিশ ও র‌্যাব সূত্র জানায়, শহিদ ও আলাউদ্দিন ছাড়াও এর আগে মামলার ১২ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছেন- বশিকপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মশিউর রহমান নিশান, রামগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক দেওয়ান ফয়সাল, আওয়ামী লীগ কর্মী রুবেল দেওয়ান, আজিজুল ইসলাম বাবলু, কদু আলমগীর, তারেক আজিজ, মো. সবুজ, মনির হোসেন রুবেল, ইসমাইল হোসেন পাটওয়ারী, নাজমুল হোসেন নাজিম, আরমান হোসেন ও ফারুক হোসেন। গ্রেপ্তার দেওয়ান ফয়সাল ও কদু আলমগীর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গত ২৫ এপ্রিল রাতে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের পোদ্দারবাজার এলাকায় জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নোমান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এসময় সন্ত্রাসীরা তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও মোবাইলফোন নিয়ে যান। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন রাতে নিহত নোমানের বড়ভাই ও বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে ৩৩ জনের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল কাশেম জিহাদীকে প্রধান করে ১৮ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় ১৫ জনকে আসামি করা হয়।

কাজল কায়েস/কেএসআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।