পর্যটকদের নিরাপত্তায় কুয়াকাটায় থাকবে উদ্ধারকর্মী টিম

উপজেলা প্রতিনিধি
উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি কলাপাড়া (পটুয়াখালী)
প্রকাশিত: ০৫:৪৮ পিএম, ২৬ জুন ২০২৩

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে দুর্ঘটনায় শিকার পর্যটকদের উদ্ধারে দল তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ১২ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে এ টিম তৈরি করে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

সোমবার (১৬ জুন) বিকেলে উদ্ধারকর্মী এ টিমের লিডার মো. লিটন খানের হাতে টিশার্ট তুলে দিয়ে তাদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কুয়াকাটা সৈকতে বেড়াতে এসে সাঁতার না জানায় বিগত দিনে অনেক পর্যটক দুর্ঘটনার স্বীকার হয়েছেন। এমনকি মৃত্যুও হয়েছে অনেকের। তাই সৈকতে স্পিডবোট এবং স্কেটি চালকদের মধ্যে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এবং দীর্ঘদিন স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছে এমন ১২ জনকে নিয়ে প্রাথমিকভাবে উদ্ধারকর্মী বাহিনী গঠন করে পুলিশ। এদের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ করবে টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন।

সোহেল নামের এক উদ্ধারকর্মী বলেন, কুয়াকাটা সৈকতে স্পিডবোট চালাই এবং আমরা সৈকতে অনেক দুর্ঘটনার শিকার পর্যটকদের উদ্ধার করেছি। এখন আমাদের ১২ জনকে উদ্ধারকর্মী হিসেবে বেছে নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

উদ্ধারকর্মী টিমের লিডার লিটন খান জাগো নিউজকে বলেন, কুয়াকাটা সৈকতে উদ্ধারকর্মী হিসেবে সরকারি কোন টিম বা কোনো তদারকিও নেই। কিন্তু আমরা দীর্ঘদিন ধরে উদ্ধারকর্মী হিসেবে কাজ করে আসছি স্বেচ্ছায়। আজ ট্যুরিস্ট পুলিশের মাধ্যমে আমরা উদ্ধারকর্মী হিসেবে স্বীকৃতি পেলাম। সরকার যদি আমাদের এ উদ্ধার কার্যক্রমে সহযোগিতা করে তাহলে পর্যটকদের পুরোপুরি নিরাপত্তা দিতে পারবো।

টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ জাগো নিউজকে বলেন, কুয়াকাটা সৈকতের পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে আমরা সার্বক্ষণিক কাজ করছি। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দুর্ঘটনার স্বীকার এবং সাঁতার না জানা পর্যটকরা বিভিন্ন সময় গভীর সমুদ্র চলে যায়। এগুলো আমাদের পক্ষে সব সময় সম্ভব না হওয়ায় প্রশিক্ষিত ১২ জন উদ্ধারকর্মী স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করেছি। তারা এ সৈকতে উদ্ধার কাজে অনেকটা ভূমিকা রাখছে। আমরা চেষ্টা করবো তাদের আরও সহযোগিতা করতে, যাতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এসজে/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।