কক্সবাজারে হোটেল কক্ষে মিললো তরুণীর মরদেহ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০১:১৩ পিএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
ফাইল ছবি

কক্সবাজারের কলাতলীর ‘সী গাজীপুর’ নামের আবাসিক হোটেল থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে কলাতলীর ডলফিন মোড় সংলগ্ন হোটেল ‘সী গাজীপুর’র ২০২ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

হোটেলের নিবন্ধন খাতায় দেওয়া তথ্য মতে, ওই তরুণীর নাম জেসমিন আক্তার (২৫)। তিনি রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা এলাকার বাসিন্দা। কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

হোটেল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ওসি বলেন, রাতে কলাতলীর আবাসিক হোটেল সী গাজীপুরের কক্ষে এক তরুণীর মরদেহ দেখতে পাওয়ার খবরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পরে হোটেলটির ২০২ নম্বর কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। তারপরও এটি হত্যাকাণ্ড কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ওসি আরও বলেন, বুধবার সকাল থেকে নিবন্ধন খাতার নাম ও তরুণী ছবি নিয়ে রামুর জোয়ারিয়ানালায় খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। ইউনিয়নের পূর্ব মুরাপাড়ায় এ নামের এক মেয়ের সন্ধান মিলেছে। এখনো পুলিশ দল ঘটনাস্থলে রয়েছে। বিস্তারিত পাওয়া গেলে জানানো হবে।

আরও পড়ুন: পথেই ট্রাকের ধাক্কা, মাদরাসায় যাওয়া হলো না মনিরের

‘সী গাজীপুর’ হোটেলের মালিক আব্দুল জব্বার বলেন, সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী ফোরকান আহমদের সঙ্গে জেসমিন আক্তার নামে মেয়েটি হোটেলে আসেন। পরে হোটেলটির ২০২ নম্বর কক্ষে ওই তরুণী একা উঠেন।

তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিরাপত্তাকর্মী ফোরকান আহমদ মোবাইল ফোনে আমাকে জানায় অসুস্থ বোধ করায় তিনি রাতে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। এর কিছুক্ষণ পর নিরাপত্তাকর্মী আবারও কল করে জানায়, হোটেল কক্ষে অবস্থান করা তরুণী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পরে বিষয়টি আমি পুলিশ ও হোটেল মালিক নেতাদের জানাই।

ঘটনাস্থলে পুলিশ আসার আগেই হোটেল ম্যানেজার আজিজুর রহমান এবং নিরাপত্তাকর্মী ফোরকান আহমদ পালিয়ে যান।

হোটেলের নিবন্ধন খাতায় মৃত তরুণীর নাম ও ঠিকানা উল্লেখ থাকলেও স্বাক্ষর নেই। তাই নাম ও ঠিকানা সঠিক কিনা তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। মরদেহটি কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। পরিচয় শনাক্তের পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

সায়ীদ আলমগীর/জেএস/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।