কুড়িগ্রামে সৈয়দ শামছুল হকের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত


প্রকাশিত: ০৬:৪৭ পিএম, ০১ এপ্রিল ২০১৬

‘সব্যসাচি হয়ে তুমি রেখেছো যে অবদান! গর্বিত আমরা, তুমি যে আমাদের কুড়িগ্রামের সোনার সন্তান’ স্লোগানকে সামনে রেখে সব্যসাচি লেখক কবি সৈয়দ শামছুল হকের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রেল ও নৌ যোগাযোগ এবং পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির উদ্যোগে শুক্রবার সন্ধ্যায় পৌরমিলনায়তনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের সভাপতি তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সব্যসাচি লেখক কবি সৈয়দ শামছুল হক, সাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দা হক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম মঞ্জু মন্ডল, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি পিপি অ্যাড.এসএম আব্রাহাম লিংকন, কলামিস্ট ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ, অধ্যক্ষ হারুন-অর-রশীদ মিলন, মেয়র আব্দুল জলিল, কুড়িগ্রাম সমিতি ঢাকা মহাসচিব সাইদুল আবেদীন ডলার, সাহিত্যিক ও  রেল-নৌ যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির প্রধান সম্বনয়কারী সাহিদ হাসান নলেজ প্রমুখ।

গণসংবর্ধনায় বক্তারা সব্যসাচি লেখক কবি সৈয়দ শামছুল হকের জীবনী ও তার গুণকীর্তন আলোচনা করেন। এছাড়াও কুড়িগ্রাম জেলার উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে বাংলাদেশ সরকারের কাছে ঢাকা-কুড়িগ্রাম-চিলমারী রুটে ভাওয়াইয়া এক্সপ্রেস নামে আন্তঃনগর ট্রেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল দ্রুত বাস্তবায়ন, পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা, চিলমারী থেকে বাহাদুরাবাদ ঘাট ও রৌমারী-রাজিবপুর উপজেলার সঙ্গে ফেরী সাভির্স চালু করা, সোনাহাট স্থলবন্দর সচল করার স্বার্থে নদ ড্রেজিং করা, চিলমারী-সুন্দরগঞ্জ তিস্তা সেতুর নকশায় রেলপথ যুক্ত করা, ব্রহ্মপুত্র চরে প্রাপ্ত খনিজ সম্পদ কাজে লাগিয়ে শিল্প স্থাপন, নদ-নদীর মোহনায় পর্যটন এলাকা গড়ে তোলা, জেলার চরাঞ্চলের বালু ভিত্তিক কাঁচ শিল্প ও ব্রহ্মপুত্র নদের বিরল প্রজাতির বাঘাড় মাছ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া, শিল্পয়ানের স্বার্থে কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপন এবং জেলা সদরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘর ও প্রতিটি উপজেলায় সরকারি পাঠাগার স্থাপন করার দাবি জানা হয়।

একে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।