অর্থ উপদেষ্টা

পাসপোর্ট জমা দিয়েছি, আমার ভিসা নিয়ে কোনোদিন সমস্যা হয়নি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৩৫ পিএম, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ

আপাতত কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা নেই উল্লেখ করে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, তিনি তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। উপদেষ্টাদেরও অনেকেই জমা দিয়েছেন এবং এখন তাদের নতুন করে অর্ডিনারি পাসপোর্ট করতে হবে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমি পাসপোর্ট দিয়ে দিয়েছি, আমি আর কোথাও যাবো না। খুব জরুরি কিছু নাই। আমি সাধারণত জরুরি মিটিং ছাড়া কোনো মিটিংয়ে যাই না। শুধু আমি না, অনেকে দিয়েছে। আমাদের তো দিতে হবে, সারেন্ডার করতে হবে।

পরিবারের সদস্যরাও পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আরে আমার ওয়াইফ, আমি কি একা একা কাজ করি? ও তো কমই ট্রাভেল করে, ওটাও জমা দিয়ে দিছে। এখন আমাদের নতুন করে পাসপোর্ট করতে হবে। আপনাদের মতো অর্ডিনারি পাসপোর্ট নিয়ে এখন আমার ঘোরাঘুরি করতে হবে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন- অর্ডিনারি পাসপোর্টে ভিসা নেওয়ার সুবিধার্থে আপনারা এগুলা জমা দিয়েছেন। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন কথা বলা হলে সালেহউদ্দিন বলেন, আমার ভিসা নিয়ে কোনোদিন প্রবলেম হয় না। আমি তো সবুজ পাসপোর্ট...।

নির্বাচনের তিনদিন আগে একটা টিম যাচ্ছে ওয়াশিংটন ডিসিতে। আপনাদের মেয়াদ শেষের শেষ মুহূর্তে এসে কেন এমন চুক্তি করছেন? এমন প্রশ্ন করা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এই প্রশ্নের উত্তর দেবো না।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে চুক্তিটা হচ্ছে, তা আগামী নির্বাচিত সরকারের জন্য কোনো চাপ সৃষ্টি করবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের যে চুক্তিটা হচ্ছে সেটার ব্যাপারে আমি জানি না। আমেরিকার সঙ্গে ওই ব্যাপারে তো আমি ইনভলভ না আমাকে জিজ্ঞেস করে লাভ কী?

রাজস্বনীতি এবং ব্যবস্থাপনা ভাগ নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সমস্ত প্রসিডিউর হয়ে গেছে। কিন্তু রুলস অব বিজনেস, ম্যানপাওয়ার প্ল্যানিং- এগুলো একটু বাকি আছে। সেটা হয়তো কয়েকদিনের মধ্যে আমরা করে ফেলতে পারবো। কিন্তু আইনের কোনো কিছু বাকি নেই।

এ সরকারই তা করে যেতে পারবে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদ্দিন বলেন, এই সরকারের মধ্যেই হবে। আমার তো এখন খালি অর্গানোগ্রাম, সেটাতো আর চিফ অ্যাডভাইজারের কাছে যেতে হবে না। মোপা (জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়) আর ফাইন্যান্স মিনিস্ট্রি বসে ঠিক করবে।

সচিবদের সংগঠন থেকে এটাতে বাধা দেওয়া হচ্ছে কি না- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সে ব্যাপারে আমি কিছু বলবো না। বাধা দিলে তো এই বাধা আমরা থামাবো। আমরা মনে করি এটা খুব র‌্যাশনাল জিনিস। সবাই বোঝে এটা ভালো জিনিস। এটা না করলে বাংলাদেশের রাজস্ব সেক্টরে কালেকশন আর পলিসিতে কোনো উন্নতি হবে না।

এমএএস/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।