রং, সুতা ও বৈচিত্র্যময় নকশায় প্রস্তুত দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড

এমদাদুল হক তুহিন
এমদাদুল হক তুহিন এমদাদুল হক তুহিন , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:০০ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দোকান ঘুরে ঘুরে ঈদের পোশাক কেনা শুরু করেছেন ক্রেতারা, ছবি: জাগো নিউজ
  • শীতের বিদায় ও গরমের শুরুকে মাথায় রেখে রং নির্বাচন
  • পাঞ্জাবিতে হালকা এমব্রয়ডারির সাধারণ নকশায় প্রাধান্য
  • গরমকে সামনে রেখে কটন কাপড়ে জোর
  • ফরমাল শার্টে চেক কাপড়কে প্রাধান্য
  • আরামদায়ক পোশাকই সব ব্র্যান্ডের অগ্রাধিকার
  • ফারসি টাইপ ড্রেসে নারীদের আগ্রহ বেশি
  • টু-পিস, সারারা-গারারা ও রেডি শাড়িতেও নারীদের আগ্রহ

শীতের বিদায় ও গরমের শুরু নিয়ে আসছে খুশি ও মহা উৎসবের ঈদ। এমন পরিবেশকে মাথায় রেখে কাপড় ও নিত্যনতুন ডিজাইনকে প্রাধান্য দিয়ে পোশাকের পসরা নিয়ে প্রস্তুত দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো। গরমকে মাথায় রেখে এবার কটন সুতা ও কাপড়ের রঙে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। জোর দেওয়া হয়েছে আরামকে।

পাঞ্জাবিতে হালকা এমব্রয়ডারির সাধারণ নকশা ও ফরমাল শার্টে চেক কাপড় প্রাধান্য পেয়েছে। নারীদের কাপড়েও জোর পেয়েছে কটন সুতা। একইসঙ্গে ভিসকোস, মসলিন, সিল্ক-ভিসকোস, জর্জেট, জুম, ক্রেপ, ডবি, জ্যাকার্ড, ব্লেন্ডেড ফেব্রিকের মতো ব্রিদেবল ও আরামদায়ক কাপড়ের পসরাও দেখা যাবে ব্র্যান্ডগুলোতে।

এবার ফারসি টাইপ ড্রেসে নারীদের আগ্রহ বেশি। একইসঙ্গে টু পিস, সারারা-গারারা ও রেডি শাড়িতে নারীদের অন্য রকম চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কয়েকটি বিপণীবিতান ও দেশীয় একাধিক ফ্যাশন ব্র্যান্ডের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

নতুন সরকারের আমলে এবার প্রথম ঈদ। বাজারে তার প্রভাবও দেখা যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এরইমধ্যে ফ্যাশন ব্র্যান্ড ও ফ্যাশন হাউজগুলো তাদের সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে। রোজার শুরু থেকে কেনাকাটাও শুরু হয়েছে কিছুটা। আগামীকাল শুক্রবার থেকে ঈদের মূল কেনাকাটা শুরু হতে পারে বলে মনে করছেন বিক্রেতারা। বিপণীবিতান ও শো-রুমগুলো নতুন পোশাকে ভরে উঠেছে। আলোয় ঝলমল করছে ফ্যাশন হাউজগুলো। ক্রেতাও আসতে শুরু করেছেন।

রং, সুতা ও বৈচিত্র্যময় ডিজাইনে প্রস্তুত দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড

জানতে চাইলে ফ্যাশন ব্র্যান্ড লা রিভ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মন্নুজান নার্গিস জাগো নিউজকে বলেন, ‘ক্রেতারা লা রিভের নতুন ঈদ কালেকশন খুবই পছন্দ করেছেন। আমরা ডিজাইনে সব ধরনের কাপড় রেখেছি, তবে বসন্তের মৌসুম চলছে বলে ফেব্রিক বাছাইয়ে কমফোর্ট বা আরামকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। এই কারণে কটন বা সুতি, ভিসকোস, মসলিন, সিল্ক-ভিসকোস, জর্জেট, জুম, ক্রেপ, ডবি, জ্যাকার্ড, ব্লেন্ডেড ফেব্রিকের মতো ব্রিদেবল ও আরামদায়ক কাপড়ই বেশি ব্যবহার করা হয়েছে।’

পাঞ্জাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পাঞ্জাবির ক্ষেত্রে হাই-এন্ড বা বিশেষায়িত কাপড়ের ব্যবহার বেশি দেখা যাবে। এবার বাঁশ ও সরনার তন্তু মিশ্রিত ফেব্রিকের পাঞ্জাবি ডিজাইন করা হয়েছে। বলে নেওয়া ভালো, কচুরিপানার ফাইবারকে সরনা বলা হয়। পাশাপাশি টেনসেল ও লায়োসেল ফাইবার-ব্লেন্ডেড কাপড়ও আনা হয়েছে। এই কাপড়গুলো খুবই আরামদায়ক কিন্তু দেখতে লাক্সারিয়াস ফিল দেয়। কিছু রিংকেল-ফ্রি কাপড়ের ডিজাইনও দেখা যাবে। কলার ও প্ল্যাকেটে রুচিশীল কারচুপি, এমব্রয়ডারির পাশাপাশি সূক্ষ্ম হাতের কাজ করা হয়েছে।’

নারীদের পোশাকের বিষয়ে মন্নুজান নার্গিস বলেন, ‘আমরা প্রতিটি নতুন কালেকশনে থিম বেজড কাজ করি। এই ঈদের কালেকশনের নাম মোজাইক, যার মাঝে দশটি প্রিন্ট স্টোরি আছে। সিলুয়েটে ভ্যারিয়েশন রাখা হয়েছে, শর্ট, মিডিয়াম ও লং লেন্থ। শর্ট লেন্থের কামিজ ও টিউনিকের সঙ্গে ফার্সি সালওয়ার, ওয়াইড লেগ বটমস, মিডিয়াম লেন্থের পোশাকের সঙ্গে সারারা, পালাজ্জো এবং লং লেন্থের টিউনিক, আবায়া, গাউনের সঙ্গে প্যান্ট-পায়জামা ও লেগিংস পেয়ার করা হয়েছে। নেকলাইন ও স্লিভেও বৈচিত্র্য আছে। স্লিভের মধ্যে ফুল ও থ্রি-কোয়ার্টার বেল স্লিভ, কিমোনো স্লিভ, বেলুন পাফের পাশাপাশি কাফড্ স্লিভস্ ডিজাইন করা হয়েছে। নেকলাইনে হাই-নেক, স্ট্যান্ড কলার, ল্যাপেল কলার, ব্যান্ড কলার, ভি-নেক ও শার্ট কলার দেখা যাবে।’

রং, সুতা ও বৈচিত্র্যময় ডিজাইনে প্রস্তুত দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড

দেশীয় পোশাক ব্র্যান্ড উইনার-এর ব্র্যান্ড ম্যানেজার রাজু আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘এবারের ঈদটি এসেছে গরমের শুরু ও শীতের শেষ সময়ে। পোশাক নির্বাচনে আরাম ও আবহাওয়ার উপযোগিতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। উইনার স্টাইলের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে এবার ঈদ কালেকশন নিয়ে এসেছে। উইনার ছেলেদের পাঞ্জাবিকে এবার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। থাকছে বিভিন্ন রং-কাট ও এমব্রয়ডারি ডিজাইনের পাঞ্জাবি, যা নামাজ দাওয়াত কিংবা সারাদিনের ঈদ আড্ডার জন্য উপযোগী।’

উইনারের এই ব্র্যান্ড ম্যানেজার বলেন, ‘ফ্যাব্রিক হিসেবে এবার ব্যবহার করা হয়েছে আরামদায়ক কটন উপাদান, যাতে গরমে স্বস্তি বজায় থাকে আবার হালকা আবহাওয়াতেও মানানসই হয়। পাশাপাশি সলিড প্রিন্টেড টি-শার্ট, পোলো শার্ট, ডেনিম প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন প্যান্ট, ফর্মাল আউটফিট এবং ক্যাজুয়াল আউটফিটও থাকছে। এছাড়াও আমাদের প্রধান প্রোডাক্ট ইনারওয়ার বক্সার, ভেস্টেও থাকছে নতুনত্ব, যা তরুণদের জন্য স্মার্ট ও কমফোর্টেবল অপশন তৈরি করেছে।’

মেয়েদের পোশাকের বিষয়ে রাজু আহমেদ বলেন, ‘মেয়েদের ক্ষেত্রে হালকা শ্বাস-প্রশ্বাসযোগ্য ও আরামদায়ক ফেব্রিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ট্রেন্ডি ডিজাইনের ওয়ান পিস, কর্ড সেট, থ্রি পিস সেট, ফ্যাশন টপস রয়েছে। এছাড়া, গরমের কথা মাথায় রেখে কটন ও নিট ফেব্রিক ব্যবহার করা হয়েছে, যা দীর্ঘ সময় পরিধানে স্বস্তি দেবে। স্লিভ ডিজাইনেও রাখা হয়েছে বৈচিত্র্য— কোয়ার্টার ও ফুল স্লিভ অপশন যাতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায়।’

রং, সুতা ও বৈচিত্র্যময় ডিজাইনে প্রস্তুত দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড

লা রিভ ও উইনারের মতো প্রায় একই তথ্য জানান দর্জিবাড়ির এরিয়া ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম। জাগো নিউজকে রাশেদুল বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি ভালো। পাঞ্জাবির ডিজাইন ও ফ্যাব্রিকের মধ্যে এবার নতুনত্ব এসেছে। গরমের বিষয়টা মাথায় রেখেই কালার সিলেক্ট করা হয়েছে। তবে ক্রেতাদের পছন্দ অনুযায়ী সব ধরনের কালারের কালেকশনও রয়েছে। প্রতিবছরই ডিজাইনের ক্ষেত্রে নতুনত্ব থাকে। হালকা এমব্রয়ডারির মধ্যে সিম্পল ডিজাইনকে এবার প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। গরমের বিষয়টা মাথায় রেখে কটন ফেব্রিকের কালেকশন বেশি রাখা হয়েছে। ঈদের আগে প্রতিদিনই আমাদের নতুন নতুন ডিজাইনের কাপড় আসবে। এখন পর্যন্ত ৪০-এর বেশি ডিজাইনের পাঞ্জাবি এসেছে।’

পোশাক ব্র্যান্ড বিশ্বরঙ-এর স্বত্বাধিকারী বিপ্লব সাহা জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের পোশাকের প্যাটার্নে এবার ভিন্নতা এসেছে। প্রতিটি ডিজাইনে থাকছে প্রশান্তির ছোঁয়া। রঙের ব্যবহারে অফহোয়াইট, সাদা, লাল, মেরুন, গোল্ডেনসহ মাটির রং, পাতার সবুজ, আকাশের নীল রঙের পরিমিতবোধ লক্ষ্য করা যাবে। পোশাকগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে ধুপিয়ান সিল্ক, জয় সিল্ক, তসর সিল্ক, সফট সিল্ক, কাতান, বেলবেট ছাড়াও বিভিন্ন রকম অর্নামেন্টেড কাপড়। কাজের মাধ্যম হিসেবে এসেছে এমব্রয়ডারি, জারদৌসী, কারচুপি, কাটওয়ার্ক, স্ক্রিন প্রিন্টসহ মিশ্র মাধ্যমের নিজস্ব বিভিন্ন কৌশল।’

রং, সুতা ও বৈচিত্র্যময় ডিজাইনে প্রস্তুত দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড

ঈদকে সামনে রেখে নতুন ডিজাইন ও কালেকশন এনেছে পোশাক ব্র্যান্ড রিচম্যানও। ফরমাল শার্ট বিশেষ করে চেক ডিজাইনের স্লিম ফিট শার্টে জোর দিচ্ছে ব্র্যান্ডটি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বসুন্ধরা শাখার একজন ম্যানেজার জাগো নিউজকে বলেন, ‘এবারের ঈদটি এসেছে না সামার না উইন্টার এরকম একটি পরিবেশে। সেক্ষেত্রে সামারের চিন্তা করে কটন কাপড়ে আমরা জোর দিয়েছি। আর ফরমাল শার্টে আমরা চেক কাপড়কে প্রাধান্য দিচ্ছি।’

কাপড়ের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এবারের কাপড় খুব বেশি পাতলা না। মানে শার্ট যেগুলো হচ্ছে আমাদের সুতির ওপরে, কটনের ওপরে। ফরমাল শার্ট যেগুলো বা চেকের শার্টগুলো কটনের।’

রং, সুতা ও বৈচিত্র্যময় ডিজাইনে প্রস্তুত দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড

একই অবস্থা টুয়েলভ ও জেন্টল পার্কেরও। বসুন্ধরা সিটির টুয়েলভ ক্লথিং-এর নিচতলার আউটলেট ইনচার্জ ইমরান হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে পাঞ্জাবি ও থ্রিপিসের নতুন কালেকশন এসেছে। শোরুমে এখন যেসব কাপড় এসেছে তার সবই নতুন। মেয়েদের কাপড়ের মধ্যে টুপিস ও কোর্টসের চাহিদা বেশি। প্রিমিয়াম পাঞ্জাবি ও গাউনের চাহিদাও ভালো।’

আর জেন্টেল পার্কের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার সাজেদুল হক নাঈম জাগো নিউজকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নতুন যেসব কাপড় এসেছে তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি পাঞ্জাবি। এবার টু-পিসের মধ্যে ভেরিয়েশন অনেক বেশি। আমাদের আউটলেটে ৩০-এর বেশি ডিজাইনের নতুন টু-পিস, ৫০-এর বেশি ডিজাইনের নতুন পাঞ্জাবি ও কাবলির ডিজাইন এসেছে ১০-এর বেশি। এছাড়া থ্রি-পিসের নতুন কালেকশনও রয়েছে।’

নারীদের পোশাকে বৈচিত্র্য

ঈদ সামনে রেখে নারীদের পোশাকে নানা বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। নারীর চাহিদা ও চয়েজ প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হওয়ার বিষয়টিকে বিক্রেতারা অগ্রাধিকার দিয়ে তাদের পসরা সাজিয়েছেন।

রং, সুতা ও বৈচিত্র্যময় ডিজাইনে প্রস্তুত দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড

বিক্রেতারা বলছেন, নারীদের সব সময় থ্রি-পিসে বেশি ঝোঁক থাকে। ঈদকে সামনে রেখে নারীদের পোশাকে এবার নতুন ট্রেন্ড হিসেবে উঠে এসেছে ‘ফার্সি টাইপ’ ড্রেস। রোজার আগ থেকেই এ ধরনের পোশাকের চাহিদা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। এছাড়া সারারা-গারারা ড্রেসের চাহিদাও এবার বেশি।

বসুন্ধরা সিটিতে মেয়েদের পোশাকের দোকান টিনিস ফ্যাশনের বিক্রয়কর্মী এলি জাগো নিউজকে বলেন, ‘নারীরা এবার ফার্সি সালোয়ার বেশি চাচ্ছেন। রোজার আগে থেকে এই ড্রেসের প্রতি নারীদের বাড়তি আকর্ষণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এছাড়া নারীদের পছন্দ গর্জিয়াস অরগাঞ্জা ও জর্জেট। বাংলাদেশি বুটিক্সের ডিজাইনে তৈরি পোশাকেও ঝোঁক রয়েছে।’

সোলমেট নামক মেয়েদের পোশাকের দোকানের ম্যানেজার ফারুক উজ্জামান কুনাল জাগো নিউজকে বলেন, ‘মেয়েদের পছন্দ একেক সময় একেক রকম। কখনও পাকিস্তানি গাউন চায়, কম কাজের মধ্যে থ্রিপিস চায়, সারারা গারারা চায়, লেহেঙ্গা চায়—একেক সময় একেকটা। এখন সেন্টারকাট বা ফ্রন্টকাট বেশি চলছে। আবার লং কটির চাহিদাও রয়েছে। কেউ কেউ রেডি শাড়িও কিনছেন।’

রং, সুতা ও বৈচিত্র্যময় ডিজাইনে প্রস্তুত দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড

ফারুক উজ্জামান জানান, এবারের ঈদে কম কাজের থ্রি-পিস, সেন্টারকাট ও ফ্রন্টকাট ডিজাইন, স্কার্ট স্টাইল, লং কটি এবং রেডি শাড়ি বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। পাশাপাশি সারারা-গারারা ও লেহেঙ্গার চাহিদাও রয়েছে। তবে আরামদায়ক ও ব্যবহারযোগ্য ডিজাইনের থ্রি-পিসই বিক্রিতে এগিয়ে আছে।

ফ্যাশন লেডি নামের নারীদের পোশাকের দোকানের মালিক মো. মনির জাগো নিউজকে বলেন, এবার ফারসি টাইপের সারারা-গারারা বেশি চলছে। বিশেষ করে নারীদের পোশাকে ফার্সি ডিজাইনের ড্রেস, ফ্রক কাট গাউন সারারা-গারারার চাহিদা বেশি।

গতবারের তুলনায় বিক্রি বাড়বে কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটা আসলে বলা যায় না। তবে দেশের প্রেক্ষাপটটা ভালো বর্তমানে। ইলেকশন হয়ে গেছে। এখন মানুষের মধ্যে সেই বিভ্রান্তিটা নেই যে ইলেকশন হবে কি হবে না। এখন ইলেকশন হয়ে গেছে, একটা দল ক্ষমতায় আছে। আশা করছি, এবার বেচাকেনা ভালো হবে।’

ইএইচটি/এমএমএআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।