বিদেশি বিনিয়োগের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিচ্ছে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৪৪ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোৎকৃষ্ট স্থান। এদেশে বিদেশি বিনিয়োগের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

রোববার শিল্পমন্ত্রী ভারতের আসামে ‘এডভানটেজ আসাম’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক অধিবেশনে সভাপতিত্বকালে এ কথা বলেন।

গৌহাটির সুরুষাই স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। বাংলাদেশ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তা প্রতিনিধিদলের সদস্যরা এ সময় আলোচনায় অংশ নেন। পরে মন্ত্রী ‘ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে আশিয়ান ও বিবিএন এর অর্থনৈতিক সম্পর্ক’ শীর্ষক প্লেনারি অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন।

সরকার অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্ক নির্মাতাদের জন্য ১২ বছর এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগকারীদের ১০ বছর পর্যন্ত কর অবকাশ সুবিধা দিচ্ছে। এছাড়া, অভ্যন্তরীণ বিশাল বাজার, সুবিধাজনক ভৌগোলিক অবস্থান, কম খরচে দক্ষ শ্রমিক, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ এবং সুষম অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন শিল্পমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অধিকাংশ স্থল সীমানা থাকায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যসহ ভারত এবং আসিয়ান অঞ্চলে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ, ভুটান, নেপাল ও ভারতের মধ্যে মোটরযান চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে দেশগুলোর মধ্যে ট্রানজিট এবং যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের নিরবচ্ছিন্ন সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ উদ্যোগ আগামী দিনে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক একীভূতকরণে গেইম চেঞ্জার হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আমু বলেন, আশিয়ান জোটভুক্ত অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃবাণিজ্যের পরিমাণ শতকরা ২৫ ভাগ হলেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। এ অঞ্চলের দেশগুলোতে আন্তঃবাণিজ্যের পরিমাণ মাত্র শতকরা ৫ ভাগ। বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপাল (বিবিএন) এর মধ্যে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বাণিজ্য প্রসারের সুযোগ রয়েছে। আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের অমিত সম্ভাবনা কাজে লাগাতে নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

এসআই/জেএইচ/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :