অ্যাক্রেডিটেশন সনদ পাচ্ছে ১৫ দেশীয় ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:০২ পিএম, ৩০ জানুয়ারি ২০১৯

দেশীয় ও বহুজাতিক ১৫টি টেস্টিং ল্যাবরেটরি ও ইন্সপেকশন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের (বিএবি) সনদ পেতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) শিল্প মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এ সনদ দেবেন।

ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার উপস্থিত থাকবেন। বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড এ অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।

সনদের জন্য নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি ক্যাটাগরিতে ইউনাইটেড হসপিটাল এবং ল্যাবএইড হসপিটাল। সরকারি ল্যাবরেটরি ক্যাটাগরিতে- বিএসটিআই’র ন্যাশনাল মেট্রোলজি ল্যাবরেটরি, আণবিক শক্তি কমিশন ল্যাবরেটরি, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ল্যাবরেটরি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ল্যাবরেটরি (পদ্মা সেতুর মান নিয়ন্ত্রণকারী ল্যাব)।

বহুজাতিক ল্যাবরেটরির ক্যাটাগরিতে- এসজিএস বাংলাদেশ লিমিটেড এবং তুরস্ক ভিত্তিক টেমাকোস ফ্যাশন ওয়্যার ল্যাবরেটরি। বেসরকারি শিল্পল্যাব ক্যাটাগরির ওয়ালটন বিডি লিমিটেড এবং প্রাণ গ্রুপ ল্যাবরেটরি।

এছাড়া দেশীয় আরও কয়েকটি ল্যাবরেটরি ও ইন্সপেকশন প্রতিষ্ঠান অ্যাক্রেডিটেশন সনদ পাচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাজারে পণ্য ও সেবা আমদানি কিংবা রফতানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের কারিগরি ও অশুল্ক প্রতিবন্ধকতা আরোপ করা হয়ে থাকে। এসব প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে বিশ্বব্যাপী একটি স্বীকৃত ও গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা হলো অ্যাক্রেডিটেশন। কোনো পণ্য অ্যাক্রেডিটেড ল্যাবরেটরির সনদপ্রাপ্ত হলে তা বিশ্বব্যাপী অনায়াসে গ্রহণযোগ্য হয়। যে কোনো দেশে বিনা বাধায় সে পণ্য বাজারজাত করা সম্ভব হয়।

এ বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দেশে মানসম্পন্ন পণ্য ও সেবা উৎপাদনের লক্ষ্যে অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম জোরদারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় মান অবকাঠামোর আধুনিকায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

নতুন এসব ল্যাবরেটরি ও ইন্সপেকশন প্রতিষ্ঠান অ্যাক্রেডিটেশন সনদের মানে উন্নীত হওয়ায় দেশে গুণগত শিল্পায়নের ধারা বেগবান হবে। এর মাধ্যমে সরকারের ইশতেহারে ঘোষিত রফতানি পণ্য বহুমুখীকরণ, শ্রমঘন এসএমই খাতের বিকাশ, ভারী ও মৌলিক শিল্পকেন্দ্রিক বহুমাত্রিক সংযোজন শিল্প স্থাপন, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের প্রসার, স্থানীয় কাঁচামাল নির্ভর ক্লাস্টার ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের মত লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এসআই/আরএস/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :