বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি তলানিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:৫৫ এএম, ০৮ এপ্রিল ২০১৯

সিঙ্গেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণে অনেক ব্যাংকের অনীহা এবং তারল্য-সঙ্কটের কারণে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি আরও কমেছে। কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকা প্রবৃদ্ধি ফেব্রুয়ারিতে নেমে দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৭ সালের মাঝামাঝিতে বেসরকারি খাতের ঋণ হু হু করে বাড়ছিল। ফলে ঋণ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে গত বছরের শুরুতেই ঋণ-আমানত অনুপাত (এডিআর) কিছুটা কমিয়ে আনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপর থেকে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমতে থাকে। পরে কয়েক দফা এডিআর সমন্বয়ের সীমা বাড়ানো হলেও নানা কারণে ঋণ প্রবৃদ্ধি বাড়ছে না। নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত আছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারির তুলনায় চলতি ফেব্রুয়ারিতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ। জানুয়ারিতে যা ছিল ১৩ দশমিক ২০ শতাংশ।

গত ফেব্রুয়ারির শেষে বেসরকারি খাতে বিতরণ করা ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৭০ হাজার ৩৪৯ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময় শেষে ঋণ ছিল ৮ লাখ ৬২ হাজার ২২৫ কোটি টাকা। এ হিসাবে এক বছরে ঋণ বেড়েছে এক লাখ ৮ হাজার ১২৪ কোটি টাকা।

এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতিতে আগামী জুন নাগাদ বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৫০ শতাংশ। এর আগে প্রথমার্ধে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৮০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরা হলেও অর্জিত হয় মাত্র ১৩ দশমিক ৩০ শতাংশ।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, বেসরকারি খাতের ওপর ভর করেই দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হচ্ছে। এমন সময়ে বেসরকারি খাতে ঋণ কমাটা অর্থনীতির জন্য খুব নেতিবাচক। কেননা এ রকম প্রবণতা থাকলে কর্মসংস্থান কমে যাবে। অর্থনীতির অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হবে।

এসআই/এমবিআর/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]