ব্যবসাবান্ধব বাজেট প্রণয়নে সরকার আন্তরিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৪১ পিএম, ২৭ জুন ২০১৯

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘দেশে ব্যবসাবান্ধব বাজেট প্রণয়নে সরকার আন্তরিক। জাতীয় সংসদে আসন্ন ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের উপস্থাপিত বাজেটকে ব্যবসায়ী সমাজ স্বাগত জানিয়েছেন। সরকার উদার নীতি গ্রহণ করে এ বাজেট প্রণয়ন করেছে। বাজেটে দেশের বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করা হয়েছে।’

রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) এফবিসিসিআই আয়োজিত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তুলছেন। এসব জোনে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। দেশি বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে সরকার বিশেষ সুবিধা প্রদানের নীতি গ্রহণ করেছে। ব্যবসা পরিচালনা করতে পণ্যের ওপর শুল্ক ও ভ্যাট সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে চেষ্টা করছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি মানেই দেশের উন্নতি।’

টিপু মুনশি বলেন, ‘দেশ উন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এ উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা প্রয়োজন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারকে বলা হয় ব্যবসাবান্ধব সরকার। বাজেটে দেশের ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। আজ দেশের যে উন্নতি সে জন্য ব্যবসায়ীদের অবদান অনেক। দেশে ব্যবসার প্রসার না ঘটলে উন্নতি হয় না, কর্মসংস্থান হয় না।’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশে ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক। প্রস্তাবিত বাজেটে যদি কোথাও কোনো অসামঞ্জস্য থেকে থাকে, সরকার আলাপ আলোচনা করে তা সমন্বয়ের চেষ্টা করবে। এফবিসিসিআই ব্যবসায়ীদের বড় সংগঠন। এর নেতৃবৃন্দ এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।’

তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের আন্তরিকতা ও দক্ষতার কারণে বিশ্ব বাণিজ্যে আজ বাংলাদেশ সুনাম অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে বেড়িয়ে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছে। দেশ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সততা ও দক্ষতার সঙ্গ কাজ করে মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে। পণ্যের উৎপাদন খরচ কমিয়ে উন্নত মান নিশ্চিত করতে হবে। সরকার এ জন্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।’

এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, এফবিসিসিআইর সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইর সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. সিদ্দিকুর রহমান, বিজিএমইর প্রেসিডেন্ট লুবানা হক, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল আলম চৌধুরী (পারভেজ) প্রমুখ।

এমইউএইচ/এনডিএস/এমকেএইচ