করোনায় দেশে ফিরেছেন ৮ লাখ প্রবাসী

মেসবাহুল হক
মেসবাহুল হক মেসবাহুল হক , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৪৮ পিএম, ২২ মে ২০২০

>> অর্থনীতির সবচেয়ে সুবিধাজনক সূচক রেমিট্যান্সও নিম্নমুখী
>> ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমবে
>> জুনে বোঝা যাবে রেমিট্যান্সের বাস্তব চিত্র

করোনাভাইরাস মহামারিতে সঙ্কটে পড়েছে গোটা বিশ্ব। তাই এর প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী দেশে ফিরে এসেছেন। এ সংখ্যাটা সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। ফলে অর্থনীতির সবচেয়ে সুবিধাজনক খাত রেমিট্যান্সের সূচকটিও নিম্নমুখী হওয়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রবৃদ্ধি কমে যাবে বলে মনে করছে সরকার।

বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, তার ওপর একটি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন তৈরি করেছে সরকার। সরকারের এ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। অর্থ, বাণিজ্য, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্মিলিতভাবে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এতে নেতৃত্ব দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর এ পর্যন্ত প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে করোনা মহামারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিদেশে ফেরত যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ফলশ্রুতিতে প্রত্যাগত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং তাদের পরিবারের উপার্জন অনেকাংশে কমে যাবে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে ব্যবসা বাণিজ্যে। চাহিদা কমে গেলে ভোগ্য পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতির মুখে পড়বে। করোনা মহামারির প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে, অর্থনীতির গতি শ্লথ হয়ে যাবে। ফলে চলতি বছরের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য পূরণ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে।

সরকার আরও মনে করছে, অর্থনীতির সবচেয়ে সুবিধাজনক খাত হলো রেমিট্যান্স। করোনা মহামারির কারণে একমাত্র ভালো সূচকটিও নিম্নমুখী হওয়ার পথে। গত জানুয়ারিতে প্রবাসী আয় ৫ কোটি ডলার কমেছে এবং ফেব্রুয়ারিতে তা ১৯ কোটি ডলার কমে গেছে। রেমিট্যান্সের নিম্নগতির প্রবণতা মে-জুন ২০২০ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে অনুমান করা যাচ্ছে। ফলে দেশের রিজার্ভ প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রতিবেদনের সুপারিশমালায় বলা হয়- ইতালি, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলোতে শ্রম বাজার রক্ষায় সর্বোচ্চ কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর পাশাপাশি নতুন শ্রম বাজার সন্ধানের কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা দুই ধরনের কাজ করছি। বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের চাকরি যাতে থাকে আমাদের দূতাবাসগুলো সে বিষয়ে কাজ করছে। আরেকটা কাজ করছি, যারা বেকার কিংবা অবৈধ তাদের বিষয়ে সেসব দেশের সরকারের সঙ্গে আলাপ করছি যে, তোমরা তাদের একটু সাহায্য দাও সহায়তা পেলে তারা অনেকে কাজ করবে। এতে করে তোমাদেরও লাভ, আমাদেরও লাভ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রবাসীদের বলছি, আপনার একটু কষ্ট হলেও সে দেশেই থাকুন। একেবারে বাধ্য না হলে আসবেন না, সুযোগ নিশ্চয় আসবে। তাছাড়া বিভিন্ন দেশে কি ধরনের শ্রমবাজার রয়েছে সেটা খুঁজে বের করতে আমরাদের দূতাবাসগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছি। কোথায় কোথায় নতুন চাকরি পাওয়া যেতে পারে, সে সন্ধানও করা হচ্ছে। তবে হংকং, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন চাকরি হচ্ছে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে আগে যে হারে লোক যেত এখন আর সে হারে সম্ভাবনা নেই। তবে সুখের বিষয় হচ্ছে, আমরা আফ্রিকার কয়েকটি দেশে মনে হয় ৪০ থেকে ৫০ লাখ লোক পাঠাতে পারব। এটা নিয়েও কাজ চলছে।’

এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি’র গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের নিজেদেরই টাকার দরকার, কারণ তাদের কাজ নেই। তারপরও কিছু টাকা পরিবারের জন্য পাঠাচ্ছে। কিন্তু রেমিট্যান্স পাঠানোর সমর্থটুকু আগামী মাসগুলোতে থাকবে না। কারণ মার্চ মাসে সবাই কাজ করেছে, এপ্রিলে সেই টাকা পাঠিয়েছে। আবার কেউ একটু দেরি করে বেতন পাওয়ায় এপ্রিলের পরেও আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে অনেকেই টাকা পাঠিয়েছে। কিন্তু এপ্রিল মে মাসে সেই অর্থে প্রবাসীদের কাজ নেই, তাই পরের মাসগুলোতে রেমিট্যান্সে আমাদের বড় ধাক্কা খেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় রিজার্ভ ধরে রাখার বিষয়টি বড় রকমের দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে। কিন্তু এখনও রিজার্ভ পরিমাণ খুব একটা কমছে না। কারণ এখন আমদানির পরিমাণ খুব কম। কিন্তু আমদানি বাড়তে থাকলে রিজার্ভের ওপর চাপ পড়তে পারে। এই মুহূর্তে অর্থনীতি একটি নিম্ন ভারসাম্য নীতিতে চলছে বলে আমরা খুব বেশি টের পাচ্ছি না। কিন্তু ভবিষ্যতে যদি রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় কমতে থাকে আর চাহিদা বাড়ার কারণে আমদানি বাড়তে থাকে, তাহলে আমদানি ব্যয় মেটানোর চাপ আসতে থাকবে।’

এ গবেষক বলেন, ‘আগামীতে আমাদের কর্মী বিদেশে পাঠানোতে যেমন সমস্যা হবে, তেমনই বর্তমানে যারা বিদেশে রয়েছেন তাদের ফেরত আসারও একটা চাপ রয়েছে। বাংলাদেশের প্রবাসীর মূলত মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক। করোনার কারণে জ্বালানি তেলের দাম অনেক কমে গেছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে কাজের পরিধি কমবে। এছাড়া প্রচুর সংখ্যক অবৈধ বাংলাদেশি বিদেশে আছেন, করোনার কারণে তাদেরকে বিভিন্ন দেশ ফেরত পাঠাতে চাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের রেমিট্যান্সে আগামীতে বহুমুখী চাপ পড়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই মনে হয়, আগামী বছরজুড়ে রেমিট্যান্স কমার এ ধাক্কাটা থাকতে পারে।’

এ বিষয়ে সমাধান জানতে চাইলে এ অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘যদি বিদেশে কাজের সুযোগ না থাকে, তাহলে প্রণোদনা দিয়ে আমরা খুব বেশি রেমিট্যান্স আনতে পারব না। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন সে দিকেই যাচ্ছে। যেখানে তাদের নিজেরই আয় নেই, তাই কাজের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে না। তাই এক্ষেত্রে বাইরের দেশগুলোতে আমাদের করণীয় খুব কম। বরং যারা ফিরে আসছে, তাদের ছোট ছোট ঋণ দিয়ে দেশের ভেতরে কাজের সুযোগ করে দেয়া যায় কি না সেটা ভাবতে হবে। একইসঙ্গে বাইরে যারা রয়েছেন তাদেরকে যেন সহসায় দেশে না আসতে হয়, সে জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কাজ করতে হবে। অন্তত ন্যূনতম আয় দিয়ে হলেও সেখানে রেখে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।’

এদিকে ঈদের আগে প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে (রেমিট্যান্স) স্বস্তি এসেছে। গত বছর ঈদে প্রবাসীরা যে পরিমাণ আয় পাঠিয়েছিলেন, চলতি বছরে সঙ্কটের মধ্যেও তা খুব বেশি কমেনি। অথচ করোনাভাইরাসের কারণে প্রবাসে থাকা বেশিরভাগ দেশেই লকডাউন অবস্থা চলছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা সঙ্কট চললেও ঈদের কারণে অনেকেই টাকা পাঠাচ্ছেন। অনেক সাহায্যও আসছে। আবার যারা দেশে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন, তারাও টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন। কারণ বহন করে বেশি টাকা আনা যায় না। এ জন্য আয় বেড়েছে। সামনের দিনে প্রবাসী আয় পরিস্থিতি খুব খারাপ হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত ১ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত প্রবাসী আয় এসেছে ১০৯ কোটি ১০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ৯ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা। গত বছর একই সময় এসেছিল ১০৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার, বাংলাদেশি টাকায় যা ৯ হাজার ২৯৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৮০ শতাংশ। প্রবাসী আয়ের এই ধারা এখন পর্যন্ত ভালো।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের আগে ধার করে হলেও প্রবাসীরা টাকা পাঠিয়ে থাকেন। আবার যারা চলে আসবেন, তারা সঞ্চয় ভেঙে ফেলছেন। এসব টাকাই দেশে আসছে। জুন মাসে গিয়ে প্রকৃত চিত্র বোঝা যাবে। প্রবাসী আয় অনেক কমে যাবে।

জানা গেছে, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক কোটি ২৫ লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছেন। যেসব দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আসে, সেসব দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রেমিট্যান্স হাউজ ও ব্যাংকগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে বাংলাদেশি শ্রমিকেরাও পড়েছেন বিপদের মুখে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের থাকা শ্রমিকেরা। দেশের প্রবাসী আয় আহরণের শীর্ষ ১৫টি উৎস দেশ হলো- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, ইতালি, বাহরাইন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া ও জর্ডান। যদিও সম্প্রতি কিছু দেশে কড়াকড়ি শিথিল করা হয়েছে।

বৈধ পথে প্রবাসী আয় বাড়াতে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা ঘোষণা করে সরকার। সে অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে প্রবাসীরা প্রতি ১০০ টাকার বিপরীতে ২ টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন। বাজেটে এ জন্য ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। এতে প্রবাসী আয় আসা বেড়েছিল।

গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৯ মে সময়ে এক হাজার ৪৩৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের ১৯ মে পর্যন্ত এসেছে ১ হাজার ৫৯৫ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) বাজেট সহায়তা হিসেবে ২৫ কোটি ডলার বাংলাদেশকে দিয়েছে। প্রবাসী আয় ও বাজেট সহায়তার টাকা আসায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৩১৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আমদানি দায় শোধ করতে অনেক ব্যাংকে এখনও ডলারের সংকট রয়েছে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বিক্রি করেছে। এতে চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক ৮২ কোটি ডলার বিক্রি করেছে।

এমইউএইচ/এফআর/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১১,৩৮,২৪,৬১৭
আক্রান্ত

২৫,২৪,৮৬৭
মৃত

৮,৯৪,৩০,৯১৩
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৫,৪৫,৪২৪ ৮,৩৯৫ ৪,৯৫,৪৯৮
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৯১,০৫,১৪৪ ৫,২২,১০৫ ১,৯৪,৯৪,৮৬৩
ভারত ১,১০,৭৯,০৯৪ ১,৫৬,৯৭০ ১,০৭,৬১,১৩৯
ব্রাজিল ১,০৩,৯৩,৮৮৬ ২,৫১,৬৬১ ৯৩,২৩,৬৯৬
রাশিয়া ৪২,২৩,১৮৬ ৮৫,৩০৪ ৩৭,৮৩,৩৮৬
যুক্তরাজ্য ৪১,৬৩,০৮৫ ১,২২,৪১৫ ২৭,৭৯,১৬৯
ফ্রান্স ৩৬,৮৬,৮১৩ ৮৫,৫৮২ ২,৫৪,৮৬৮
স্পেন ৩১,৮৮,৫৫৩ ৬৯,১৪২ ২৬,৪৭,৪৪৬
ইতালি ২৮,৮৮,৯২৩ ৯৭,২২৭ ২৩,৮৭,০৩২
১০ তুরস্ক ২৬,৮৩,৯৭১ ২৮,৪৩২ ২৫,৫৬,৭৮৫
১১ জার্মানি ২৪,৩৫,৮৩৬ ৭০,৩৯৭ ২২,৩৫,৭০০
১২ কলম্বিয়া ২২,৪১,২২৫ ৫৯,৩৯৬ ২১,৩৮,১৯৩
১৩ আর্জেন্টিনা ২০,৯৩,৬৪৫ ৫১,৭৯৫ ১৮,৮৬,৭৩২
১৪ মেক্সিকো ২০,৬৯,৩৭০ ১,৮৩,৬৯২ ১৬,২০,০০৮
১৫ পোল্যান্ড ১৬,৮৪,৭৮৮ ৪৩,৩৫৩ ১৪,০৫,৫৫২
১৬ ইরান ১৬,১৫,১৮৪ ৫৯,৮৯৯ ১৩,৭৯,৯২২
১৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ১৫,০৯,১২৪ ৪৯,৬৬৭ ১৪,২৪,৪০১
১৮ ইউক্রেন ১৩,৩৩,৮৪৪ ২৫,৭৪২ ১১,৬৩,৫৫৫
১৯ ইন্দোনেশিয়া ১৩,২২,৮৬৬ ৩৫,৭৮৬ ১১,২৮,৬৭২
২০ পেরু ১৩,০৮,৭২২ ৪৫,৯০৩ ১২,১০,৭৪৯
২১ চেক প্রজাতন্ত্র ১২,১২,৭৮০ ১৯,৯৯৯ ১০,৫৫,০৮৩
২২ নেদারল্যান্ডস ১০,৭৯,০৮৪ ১৫,৫০৩ ২৫০
২৩ কানাডা ৮,৬০,৩০৭ ২১,৯০৪ ৮,০৮,০৮২
২৪ চিলি ৮,১৬,৯২৯ ২০,৪০০ ৭,৭২,৯৫১
২৫ পর্তুগাল ৮,০২,৭৭৩ ১৬,২৪৩ ৭,১৪,৪৯৩
২৬ রোমানিয়া ৭,৯৫,৭৩২ ২০,২৩৩ ৭,৩৬,০২০
২৭ ইসরায়েল ৭,৭০,৭৮০ ৫,৬৯৭ ৭,২৫,৯৫৩
২৮ বেলজিয়াম ৭,৬৩,৮৮৫ ২২,০০৬ ৫২,০৯১
২৯ ইরাক ৬,৮৮,৬৯৮ ১৩,৩৬৫ ৬,৩০,১৭৮
৩০ সুইডেন ৬,৫৭,৩০৯ ১২,৮২৬ ৪,৯৭১
৩১ পাকিস্তান ৫,৭৭,৪৮২ ১২,৮০৪ ৫,৪২,৩৯৩
৩২ ফিলিপাইন ৫,৭১,৩২৭ ১২,২৪৭ ৫,২৪,৫৮২
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৫,৫৪,৯৩২ ৯,৯৬১ ৫,০৭,৮৫৬
৩৪ মরক্কো ৪,৮২,৯৯৪ ৮,৬০৮ ৪,৬৮,৩৮৭
৩৫ অস্ট্রিয়া ৪,৫৪,৮৬০ ৮,৫১৫ ৪,২৭,২৫৭
৩৬ সার্বিয়া ৪,৫৩,২৪০ ৪,৪১৪ ৪,০০,৩৪৭
৩৭ জাপান ৪,২৯,৪৭২ ৭,৭২২ ৪,০৬,৫৮৪
৩৮ হাঙ্গেরি ৪,১৯,১৮২ ১৪,৭৯৫ ৩,১৭,৮৯৯
৩৯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩,৮৫,১৬০ ১,১৯৮ ৩,৭৭,৫৩৭
৪০ জর্ডান ৩,৮৩,৯১২ ৪,৬৫০ ৩,৪৩,৮৪০
৪১ সৌদি আরব ৩,৭৬,৭২৩ ৬,৪৮৩ ৩,৬৭,৬৯১
৪২ লেবানন ৩,৬৯,৬৯২ ৪,৬১০ ২,৮৫,০৫০
৪৩ পানামা ৩,৩৯,৩৮৩ ৫,৮১০ ৩,২৪,১৫৬
৪৪ স্লোভাকিয়া ৩,০৩,৪২০ ৬,৯৬৬ ২,৫৫,৩০০
৪৫ মালয়েশিয়া ২,৯৫,৯৫১ ১,১১১ ২,৬৬,৮৪৬
৪৬ বেলারুশ ২,৮৪,৫০০ ১,৯৫৭ ২,৭৪,৭৪৩
৪৭ ইকুয়েডর ২,৮১,১৬৯ ১৫,৬৬৯ ২,৩৮,৮১৭
৪৮ নেপাল ২,৭৩,৮৭২ ২,৭৬৭ ২,৭০,২২৩
৪৯ জর্জিয়া ২,৭০,১৩৭ ৩,৪৮৫ ২,৬৪,০৪৭
৫০ বলিভিয়া ২,৪৬,৮২২ ১১,৫৭৭ ১,৯১,০৮১
৫১ বুলগেরিয়া ২,৪৩,৯৪৬ ১০,০৭৯ ২,০২,৬৯৪
৫২ ক্রোয়েশিয়া ২,৪২,০৯৭ ৫,৫০৩ ২,৩৩,৫৪৮
৫৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,৩৮,২০৫ ৩,০৮২ ১,৮৯,১৬৩
৫৪ আজারবাইজান ২,৩৩,৯৮৯ ৩,২১৩ ২,২৮,৪৭৯
৫৫ তিউনিশিয়া ২,৩১,৯৬৪ ৭,৯৪২ ১,৯৬,৯৪৫
৫৬ আয়ারল্যান্ড ২,১৮,২৫১ ৪,৩০০ ২৩,৩৬৪
৫৭ কাজাখস্তান ২,১১,২১২ ২,৫৪০ ১,৯৫,১২১
৫৮ ডেনমার্ক ২,১০,২১২ ২,৩৫৩ ২,০১,৫৩১
৫৯ কোস্টারিকা ২,০৩,৯১৪ ২,৭৯৬ ১,৭৫,৮৮৩
৬০ লিথুনিয়া ১,৯৬,৬৯০ ৩,২২৫ ১,৮২,২৬৩
৬১ কুয়েত ১,৮৯,০৪৬ ১,০৭২ ১,৭৭,১৩৩
৬২ স্লোভেনিয়া ১,৮৮,৬৭৬ ৩,৮২৩ ১,৭১,৯০৫
৬৩ গ্রীস ১,৮৮,২০১ ৬,৪৩৯ ১,৬৫,০৯৫
৬৪ মলদোভা ১,৮৩,৩৩৮ ৩,৮৯৯ ১,৬৪,৮৮৮
৬৫ ফিলিস্তিন ১,৮০,৮৪৮ ২,০১৯ ১,৬৫,২০৫
৬৬ মিসর ১,৮০,৬৪০ ১০,৫৪১ ১,৩৯,৪৯৪
৬৭ গুয়াতেমালা ১,৭৩,৮১৪ ৬,৩৪৮ ১,৬০,৫৭৬
৬৮ আর্মেনিয়া ১,৭১,৫১০ ৩,১৮৩ ১,৬৩,১৬৫
৬৯ হন্ডুরাস ১,৬৮,২৪৩ ৪,০৯৯ ৬৫,৪২৫
৭০ কাতার ১,৬২,৭৩৭ ২৫৭ ১,৫২,৮০৭
৭১ ইথিওপিয়া ১,৫৭,০৪৭ ২,৩৪০ ১,৩৪,৫৬১
৭২ প্যারাগুয়ে ১,৫৬,১৮৯ ৩,১৩৫ ১,৩০,৫৩১
৭৩ নাইজেরিয়া ১,৫৪,৪৭৬ ১,৮৯১ ১,৩১,৬৯৯
৭৪ মায়ানমার ১,৪১,৮৭৫ ৩,১৯৮ ১,৩১,৪৩৫
৭৫ ওমান ১,৪০,৫৮৮ ১,৫৬২ ১,৩১,৬৮৪
৭৬ ভেনেজুয়েলা ১,৩৭,৮৭১ ১,৩৩৪ ১,২৯,৯২৭
৭৭ লিবিয়া ১,৩২,৪৫৮ ২,১৭৪ ১,১৯,৪৯২
৭৮ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ১,৩০,৯৭৯ ৫,০৭১ ১,১৫,৮৪৭
৭৯ বাহরাইন ১,২০,৪৯৫ ৪৩৯ ১,১৩,১৩২
৮০ আলজেরিয়া ১,১২,৬২২ ২,৯৭৩ ৭৭,৬৮৩
৮১ কেনিয়া ১,০৫,৪৬৭ ১,৮৫৩ ৮৬,৫২১
৮২ আলবেনিয়া ১,০৫,২২৯ ১,৭৫৬ ৬৮,০০৭
৮৩ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,০১,৭৬২ ৩,১১৯ ৯০,৮৯৫
৮৪ চীন ৮৯,৮৭৭ ৪,৬৩৬ ৮৪,৯৯৭
৮৫ দক্ষিণ কোরিয়া ৮৮,৯২২ ১,৫৮৫ ৭৯,৮৮০
৮৬ কিরগিজস্তান ৮৬,১৪২ ১,৪৯৮ ৮৩,০৬১
৮৭ লাটভিয়া ৮৪,৯৮৩ ১,৬০১ ৭৪,০৭৮
৮৮ শ্রীলংকা ৮২,৪৩০ ৪৫৯ ৭৭,৬২৫
৮৯ ঘানা ৮২,১৩১ ৫৯৪ ৭৫,৬০৪
৯০ উজবেকিস্তান ৭৯,৮০৪ ৬২২ ৭৮,৩৩৩
৯১ জাম্বিয়া ৭৭,৬৩৯ ১,০৬৬ ৭২,৬৩৫
৯২ মন্টিনিগ্রো ৭৪,৭৮৯ ৯৯৪ ৬৫,২৫১
৯৩ নরওয়ে ৭০,৩৪৫ ৬২২ ৬৩,৭৮৩
৯৪ এস্তোনিয়া ৬২,৮৩০ ৫৭৫ ৪৮,৪৯১
৯৫ সিঙ্গাপুর ৫৯,৯১৩ ২৯ ৫৯,৮০৩
৯৬ এল সালভাদর ৫৯,৮৬৬ ১,৮৪১ ৫৫,৩১২
৯৭ মোজাম্বিক ৫৮,২১৮ ৬১৩ ৩৯,৮০৬
৯৮ ফিনল্যাণ্ড ৫৬,৪০৭ ৭৪২ ৪০,০০০
৯৯ আফগানিস্তান ৫৫,৭০৭ ২,৪৪৩ ৪৯,২৮৫
১০০ উরুগুয়ে ৫৫,৬৯৫ ৫৯৫ ৪৮,৪৯৬
১০১ লুক্সেমবার্গ ৫৫,১১০ ৬৩৭ ৫১,৪৮৭
১০২ কিউবা ৪৮,৪৪১ ৩১৪ ৪৩,৭৩৫
১০৩ উগান্ডা ৪০,৩২২ ৩৩৪ ১৪,৬১৬
১০৪ নামিবিয়া ৩৮,৪২৪ ৪১৮ ৩৫,৯৯৪
১০৫ জিম্বাবুয়ে ৩৬,০৪৪ ১,৪৬৩ ৩২,৫৩৯
১০৬ ক্যামেরুন ৩৫,৭১৪ ৫৫১ ৩২,৫৯৪
১০৭ সেনেগাল ৩৪,০৩১ ৮৫৭ ২৮,৩৭৭
১০৮ সাইপ্রাস ৩৩,৯০৯ ২৩১ ২,০৫৭
১০৯ আইভরি কোস্ট ৩২,৪৭৮ ১৯০ ৩১,৪৩১
১১০ মালাউই ৩১,৬৭৫ ১,০৩৭ ১৮,১৮৩
১১১ অস্ট্রেলিয়া ২৮,৯৫৮ ৯০৯ ২৬,১৬৪
১১২ বতসোয়ানা ২৮,৩৭১ ৩১০ ২৩,২৪৪
১১৩ সুদান ২৮,২৭০ ১,৮৭৮ ২২,৮৪৪
১১৪ থাইল্যান্ড ২৫,৮০৯ ৮৩ ২৪,৯৫২
১১৫ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২৫,৬৯১ ৭০৭ ১৮,২৮৬
১১৬ জ্যামাইকা ২২,৪৭১ ৪১৩ ১৩,২৩১
১১৭ মালটা ২১,৯৮২ ৩১৩ ১৯,০৮৭
১১৮ অ্যাঙ্গোলা ২০,৬৯৫ ৫০২ ১৯,২৩৮
১১৯ মাদাগাস্কার ১৯,৮৩১ ২৯৭ ১৯,২৯৬
১২০ মালদ্বীপ ১৯,৩৪৬ ৬০ ১৬,৮৩৮
১২১ রুয়ান্ডা ১৮,৬৮৯ ২৫৮ ১৭,৩০২
১২২ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৮,৩৭৯ ১৩৯ ৪,৮৪২
১২৩ মৌরিতানিয়া ১৭,১৭৯ ৪৩৯ ১৬,৫২৪
১২৪ ইসওয়াতিনি ১৬,৯৪৬ ৬৫০ ১৪,০৩১
১২৫ মায়োত্তে ১৬,৮৬১ ১০৭ ২,৯৬৪
১২৬ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১৬,৫২৯ ৮৩ ৯,৯৯৫
১২৭ গিনি ১৫,৭৮৯ ৮৮ ১৪,৮২১
১২৮ সিরিয়া ১৫,৪০৫ ১,০১৪ ৯,৫৫৩
১২৯ কেপ ভার্দে ১৫,২৫৩ ১৪৬ ১৪,৭৫৪
১৩০ গ্যাবন ১৪,৫৬৪ ৮৩ ১৩,১৪৩
১৩১ তাজিকিস্তান ১৩,৩০৮ ৯০ ১৩,২১৮
১৩২ রিইউনিয়ন ১২,৪১৬ ৫২ ১১,২৭০
১৩৩ হাইতি ১২,৩৯০ ২৪৮ ৯,৬১১
১৩৪ বেলিজ ১২,২৮০ ৩১৫ ১১,৮২৪
১৩৫ বুর্কিনা ফাঁসো ১১,৯১৪ ১৪২ ১১,৩৪০
১৩৬ হংকং ১০,৯৫১ ১৯৮ ১০,৪৯৩
১৩৭ এনডোরা ১০,৮২২ ১১০ ১০,৩৯৪
১৩৮ লেসোথো ১০,৪৬৮ ২৯২ ৩,৫৭৭
১৩৯ গুয়াদেলৌপ ৯,৭৪৬ ১৫৯ ২,২৪২
১৪০ সুরিনাম ৮,৯০১ ১৭০ ৮,৩৮৫
১৪১ কঙ্গো ৮,৮২০ ১২৮ ৭,০১৯
১৪২ গায়ানা ৮,৫১৩ ১৯৫ ৭,৯৪৫
১৪৩ বাহামা ৮,৪৯৬ ১৭৯ ৭,২৭৪
১৪৪ মালি ৮,৩৫৮ ৩৫০ ৬,৩৫৫
১৪৫ আরুবা ৭,৮৪৯ ৭১ ৭,৫২৬
১৪৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৭,৭০৪ ১৩৯ ৭,৪৪৫
১৪৭ দক্ষিণ সুদান ৭,৫৯৭ ৯০ ৪,১০৭
১৪৮ মার্টিনিক ৬,৬৮৭ ৪৫ ৯৮
১৪৯ সোমালিয়া ৬,৬৮৭ ২২৩ ৩,৭৮৪
১৫০ টোগো ৬,৬৩৭ ৮২ ৫,৪৮৯
১৫১ নিকারাগুয়া ৬,৪৪৫ ১৭৩ ৪,২২৫
১৫২ জিবুতি ৬,০৬২ ৬৩ ৫,৮৯৪
১৫৩ আইসল্যান্ড ৬,০৪৯ ২৯ ৬,০০৬
১৫৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,৯৫৭ ৯১ ৫,৬০৫
১৫৫ বেনিন ৫,৪৩৪ ৭০ ৪,২৪৮
১৫৬ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৫,০০৪ ৬৩ ৪,৯২০
১৫৭ নাইজার ৪,৭৪০ ১৭২ ৪,২৫০
১৫৮ কিউরাসাও ৪,৭০৮ ২২ ৪,৬২৪
১৫৯ গাম্বিয়া ৪,৬৭১ ১৪৭ ৪,০৮৯
১৬০ জিব্রাল্টার ৪,২৩৬ ৯২ ৪,১২২
১৬১ চ্যানেল আইল্যান্ড ৪,০৩৩ ৮৬ ৩,৮৯৩
১৬২ চাদ ৩,৯৫৭ ১৩৮ ৩,৪৫০
১৬৩ সিয়েরা লিওন ৩,৮৮৪ ৭৯ ২,৬১২
১৬৪ সান ম্যারিনো ৩,৬৭১ ৭৩ ৩,২২৪
১৬৫ কমোরস ৩,৫৫২ ১৪৪ ৩,২০৩
১৬৬ গিনি বিসাউ ৩,২১৫ ৪৮ ২,৫৮৭
১৬৭ সেন্ট লুসিয়া ৩,১৪৯ ৩৪ ২,৮৭৯
১৬৮ বার্বাডোস ২,৯৪৯ ৩২ ২,১৭১
১৬৯ ইরিত্রিয়া ২,৮৪৭ ২,২৫৩
১৭০ মঙ্গোলিয়া ২,৮৩১ ২,১৫০
১৭১ সিসিলি ২,৫৯২ ১১ ২,২৬৩
১৭২ লিচেনস্টেইন ২,৫৬৪ ৫৪ ২,৪৮৪
১৭৩ ইয়েমেন ২,৪৩৬ ৬৬০ ১,৫৮০
১৭৪ ভিয়েতনাম ২,৪২৬ ৩৫ ১,৮৩৯
১৭৫ নিউজিল্যান্ড ২,৩৭১ ২৬ ২,২৭৮
১৭৬ বুরুন্ডি ২,১৪৩ ৭৭৩
১৭৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,০৮৮ ১৪ ১,৮৪৭
১৭৮ সিন্ট মার্টেন ২,০৫১ ২৭ ১,৯৮৮
১৭৯ লাইবেরিয়া ২,০১০ ৮৫ ১,৮৮৪
১৮০ মোনাকো ১,৯৪২ ২৩ ১,৬৯২
১৮১ সেন্ট মার্টিন ১,৫৪৪ ১২ ১,৩৯৯
১৮২ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১,৫৩০ ৯১৩
১৮৩ পাপুয়া নিউ গিনি ১,২২৮ ১২ ৮৪৬
১৮৪ তাইওয়ান ৯৫১ ৯০৬
১৮৫ ভুটান ৮৬৭ ৮৬২
১৮৬ কম্বোডিয়া ৭৪১ ৪৭৭
১৮৭ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৮৮ বারমুডা ৭০৫ ১২ ৬৮২
১৮৯ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৭০১ ১৪ ২৭১
১৯০ ফারে আইল্যান্ড ৬৫৮ ৬৫৭
১৯১ মরিশাস ৬১০ ১০ ৫৭১
১৯২ সেন্ট বারথেলিমি ৫৭৩ ৪৬২
১৯৩ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৯৪ আইল অফ ম্যান ৪৭৫ ২৫ ৪৫১
১৯৫ কেম্যান আইল্যান্ড ৪৩৮ ৪০৫
১৯৬ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ৪২৯ ৪০২
১৯৭ ব্রুনাই ১৮৫ ১৭৮
১৯৮ গ্রেনাডা ১৪৮ ১৪৭
১৯৯ ডোমিনিকা ১৪২ ১২৭
২০০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ১১৪ ৯৫
২০১ পূর্ব তিমুর ১১০ ৮৯
২০২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৫৮ ৫৫
২০৩ ফিজি ৫৭ ৫৪
২০৪ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৫৪ ৪৬
২০৫ ম্যাকাও ৪৮ ৪৭
২০৬ লাওস ৪৫ ৪২
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৪১ ৪০
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৩০ ৩০
২০৯ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২১০ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৪ ১৬
২১১ মন্টসেরাট ২০ ১৩
২১২ এ্যাঙ্গুইলা ১৮ ১৮
২১৩ সলোমান আইল্যান্ড ১৮ ১৪
২১৪ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৫ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৬ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]