করোনায় দেশে ফিরেছেন ৮ লাখ প্রবাসী

মেসবাহুল হক
মেসবাহুল হক মেসবাহুল হক , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৪৮ পিএম, ২২ মে ২০২০

>> অর্থনীতির সবচেয়ে সুবিধাজনক সূচক রেমিট্যান্সও নিম্নমুখী
>> ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমবে
>> জুনে বোঝা যাবে রেমিট্যান্সের বাস্তব চিত্র

করোনাভাইরাস মহামারিতে সঙ্কটে পড়েছে গোটা বিশ্ব। তাই এর প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী দেশে ফিরে এসেছেন। এ সংখ্যাটা সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। ফলে অর্থনীতির সবচেয়ে সুবিধাজনক খাত রেমিট্যান্সের সূচকটিও নিম্নমুখী হওয়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রবৃদ্ধি কমে যাবে বলে মনে করছে সরকার।

বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, তার ওপর একটি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন তৈরি করেছে সরকার। সরকারের এ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। অর্থ, বাণিজ্য, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্মিলিতভাবে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এতে নেতৃত্ব দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর এ পর্যন্ত প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে করোনা মহামারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিপুল পরিমাণ প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিদেশে ফেরত যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ফলশ্রুতিতে প্রত্যাগত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং তাদের পরিবারের উপার্জন অনেকাংশে কমে যাবে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে ব্যবসা বাণিজ্যে। চাহিদা কমে গেলে ভোগ্য পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতির মুখে পড়বে। করোনা মহামারির প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে, অর্থনীতির গতি শ্লথ হয়ে যাবে। ফলে চলতি বছরের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য পূরণ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে।

সরকার আরও মনে করছে, অর্থনীতির সবচেয়ে সুবিধাজনক খাত হলো রেমিট্যান্স। করোনা মহামারির কারণে একমাত্র ভালো সূচকটিও নিম্নমুখী হওয়ার পথে। গত জানুয়ারিতে প্রবাসী আয় ৫ কোটি ডলার কমেছে এবং ফেব্রুয়ারিতে তা ১৯ কোটি ডলার কমে গেছে। রেমিট্যান্সের নিম্নগতির প্রবণতা মে-জুন ২০২০ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে অনুমান করা যাচ্ছে। ফলে দেশের রিজার্ভ প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রতিবেদনের সুপারিশমালায় বলা হয়- ইতালি, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলোতে শ্রম বাজার রক্ষায় সর্বোচ্চ কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর পাশাপাশি নতুন শ্রম বাজার সন্ধানের কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা দুই ধরনের কাজ করছি। বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের চাকরি যাতে থাকে আমাদের দূতাবাসগুলো সে বিষয়ে কাজ করছে। আরেকটা কাজ করছি, যারা বেকার কিংবা অবৈধ তাদের বিষয়ে সেসব দেশের সরকারের সঙ্গে আলাপ করছি যে, তোমরা তাদের একটু সাহায্য দাও সহায়তা পেলে তারা অনেকে কাজ করবে। এতে করে তোমাদেরও লাভ, আমাদেরও লাভ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রবাসীদের বলছি, আপনার একটু কষ্ট হলেও সে দেশেই থাকুন। একেবারে বাধ্য না হলে আসবেন না, সুযোগ নিশ্চয় আসবে। তাছাড়া বিভিন্ন দেশে কি ধরনের শ্রমবাজার রয়েছে সেটা খুঁজে বের করতে আমরাদের দূতাবাসগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছি। কোথায় কোথায় নতুন চাকরি পাওয়া যেতে পারে, সে সন্ধানও করা হচ্ছে। তবে হংকং, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন চাকরি হচ্ছে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে আগে যে হারে লোক যেত এখন আর সে হারে সম্ভাবনা নেই। তবে সুখের বিষয় হচ্ছে, আমরা আফ্রিকার কয়েকটি দেশে মনে হয় ৪০ থেকে ৫০ লাখ লোক পাঠাতে পারব। এটা নিয়েও কাজ চলছে।’

এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি’র গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের নিজেদেরই টাকার দরকার, কারণ তাদের কাজ নেই। তারপরও কিছু টাকা পরিবারের জন্য পাঠাচ্ছে। কিন্তু রেমিট্যান্স পাঠানোর সমর্থটুকু আগামী মাসগুলোতে থাকবে না। কারণ মার্চ মাসে সবাই কাজ করেছে, এপ্রিলে সেই টাকা পাঠিয়েছে। আবার কেউ একটু দেরি করে বেতন পাওয়ায় এপ্রিলের পরেও আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে অনেকেই টাকা পাঠিয়েছে। কিন্তু এপ্রিল মে মাসে সেই অর্থে প্রবাসীদের কাজ নেই, তাই পরের মাসগুলোতে রেমিট্যান্সে আমাদের বড় ধাক্কা খেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় রিজার্ভ ধরে রাখার বিষয়টি বড় রকমের দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে। কিন্তু এখনও রিজার্ভ পরিমাণ খুব একটা কমছে না। কারণ এখন আমদানির পরিমাণ খুব কম। কিন্তু আমদানি বাড়তে থাকলে রিজার্ভের ওপর চাপ পড়তে পারে। এই মুহূর্তে অর্থনীতি একটি নিম্ন ভারসাম্য নীতিতে চলছে বলে আমরা খুব বেশি টের পাচ্ছি না। কিন্তু ভবিষ্যতে যদি রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় কমতে থাকে আর চাহিদা বাড়ার কারণে আমদানি বাড়তে থাকে, তাহলে আমদানি ব্যয় মেটানোর চাপ আসতে থাকবে।’

এ গবেষক বলেন, ‘আগামীতে আমাদের কর্মী বিদেশে পাঠানোতে যেমন সমস্যা হবে, তেমনই বর্তমানে যারা বিদেশে রয়েছেন তাদের ফেরত আসারও একটা চাপ রয়েছে। বাংলাদেশের প্রবাসীর মূলত মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক। করোনার কারণে জ্বালানি তেলের দাম অনেক কমে গেছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে কাজের পরিধি কমবে। এছাড়া প্রচুর সংখ্যক অবৈধ বাংলাদেশি বিদেশে আছেন, করোনার কারণে তাদেরকে বিভিন্ন দেশ ফেরত পাঠাতে চাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের রেমিট্যান্সে আগামীতে বহুমুখী চাপ পড়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই মনে হয়, আগামী বছরজুড়ে রেমিট্যান্স কমার এ ধাক্কাটা থাকতে পারে।’

এ বিষয়ে সমাধান জানতে চাইলে এ অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘যদি বিদেশে কাজের সুযোগ না থাকে, তাহলে প্রণোদনা দিয়ে আমরা খুব বেশি রেমিট্যান্স আনতে পারব না। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন সে দিকেই যাচ্ছে। যেখানে তাদের নিজেরই আয় নেই, তাই কাজের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে না। তাই এক্ষেত্রে বাইরের দেশগুলোতে আমাদের করণীয় খুব কম। বরং যারা ফিরে আসছে, তাদের ছোট ছোট ঋণ দিয়ে দেশের ভেতরে কাজের সুযোগ করে দেয়া যায় কি না সেটা ভাবতে হবে। একইসঙ্গে বাইরে যারা রয়েছেন তাদেরকে যেন সহসায় দেশে না আসতে হয়, সে জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কাজ করতে হবে। অন্তত ন্যূনতম আয় দিয়ে হলেও সেখানে রেখে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।’

এদিকে ঈদের আগে প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে (রেমিট্যান্স) স্বস্তি এসেছে। গত বছর ঈদে প্রবাসীরা যে পরিমাণ আয় পাঠিয়েছিলেন, চলতি বছরে সঙ্কটের মধ্যেও তা খুব বেশি কমেনি। অথচ করোনাভাইরাসের কারণে প্রবাসে থাকা বেশিরভাগ দেশেই লকডাউন অবস্থা চলছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা সঙ্কট চললেও ঈদের কারণে অনেকেই টাকা পাঠাচ্ছেন। অনেক সাহায্যও আসছে। আবার যারা দেশে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন, তারাও টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন। কারণ বহন করে বেশি টাকা আনা যায় না। এ জন্য আয় বেড়েছে। সামনের দিনে প্রবাসী আয় পরিস্থিতি খুব খারাপ হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত ১ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত প্রবাসী আয় এসেছে ১০৯ কোটি ১০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ৯ হাজার ২৭৩ কোটি টাকা। গত বছর একই সময় এসেছিল ১০৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার, বাংলাদেশি টাকায় যা ৯ হাজার ২৯৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৮০ শতাংশ। প্রবাসী আয়ের এই ধারা এখন পর্যন্ত ভালো।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের আগে ধার করে হলেও প্রবাসীরা টাকা পাঠিয়ে থাকেন। আবার যারা চলে আসবেন, তারা সঞ্চয় ভেঙে ফেলছেন। এসব টাকাই দেশে আসছে। জুন মাসে গিয়ে প্রকৃত চিত্র বোঝা যাবে। প্রবাসী আয় অনেক কমে যাবে।

জানা গেছে, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক কোটি ২৫ লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছেন। যেসব দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আসে, সেসব দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রেমিট্যান্স হাউজ ও ব্যাংকগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে বাংলাদেশি শ্রমিকেরাও পড়েছেন বিপদের মুখে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের থাকা শ্রমিকেরা। দেশের প্রবাসী আয় আহরণের শীর্ষ ১৫টি উৎস দেশ হলো- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, ইতালি, বাহরাইন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া ও জর্ডান। যদিও সম্প্রতি কিছু দেশে কড়াকড়ি শিথিল করা হয়েছে।

বৈধ পথে প্রবাসী আয় বাড়াতে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা ঘোষণা করে সরকার। সে অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে প্রবাসীরা প্রতি ১০০ টাকার বিপরীতে ২ টাকা প্রণোদনা পাচ্ছেন। বাজেটে এ জন্য ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। এতে প্রবাসী আয় আসা বেড়েছিল।

গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৯ মে সময়ে এক হাজার ৪৩৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের ১৯ মে পর্যন্ত এসেছে ১ হাজার ৫৯৫ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) বাজেট সহায়তা হিসেবে ২৫ কোটি ডলার বাংলাদেশকে দিয়েছে। প্রবাসী আয় ও বাজেট সহায়তার টাকা আসায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৩১৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আমদানি দায় শোধ করতে অনেক ব্যাংকে এখনও ডলারের সংকট রয়েছে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বিক্রি করেছে। এতে চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক ৮২ কোটি ডলার বিক্রি করেছে।

এমইউএইচ/এফআর/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬৯,২১,৫৩৫
আক্রান্ত

৪,০০,২০৬
মৃত

৩৩,৮৮,৫৯৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৬৩,০২৬ ৮৪৬ ১৩,৩২৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯,৭৭,৪৯৪ ১,১১,৭৭০ ৭,৩৯,৭২৪
ব্রাজিল ৬,৫১,৯৮০ ৩৫,২১১ ৩,০২,০৮৪
রাশিয়া ৪,৫৮,৬৮৯ ৫,৭২৫ ২,২১,৩৮৮
স্পেন ২,৮৮,৩৯০ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৮৪,৮৬৮ ৪০,৪৬৫ ৩৪৪
ভারত ২,৪৬,৫৩০ ৬,৯৪৬ ১,১৮,৫৯২
ইতালি ২,৩৪,৮০১ ৩৩,৮৪৬ ১,৬৫,০৭৮
ফ্রান্স ১,৮৯,২২০ ২৯,১৪২ ৭০,৮০৬
১০ পেরু ১,৮৭,৪০০ ৫,১৬২ ৭৯,২১৪
১১ জার্মানি ১,৮৫,৫৯৮ ৮,৭৬৯ ১,৬৮,৯০০
১২ ইরান ১,৬৯,৪২৫ ৮,২০৯ ১,৩২,০৩৮
১৩ তুরস্ক ১,৬৯,২১৮ ৪,৬৬৯ ১,৩৫,৩২২
১৪ চিলি ১,২৭,৭৪৫ ১,৫৪১ ৯৫,৬৩১
১৫ মেক্সিকো ১,১০,০২৬ ১৩,১৭০ ৭৮,৫৯০
১৬ সৌদি আরব ৯৮,৮৬৯ ৬৭৬ ৭১,৭৯১
১৭ কানাডা ৯৫,০১৬ ৭,৭৭৩ ৫৩,৫৮২
১৮ পাকিস্তান ৯৩,৯৮৩ ১,৯৩৫ ৩২,৫৮১
১৯ চীন ৮৩,০৩০ ৪,৬৩৪ ৭৮,৩২৯
২০ কাতার ৬৭,১৯৫ ৫১ ৪২,৫২৭
২১ বেলজিয়াম ৫৯,০৭২ ৯,৫৮০ ১৬,১৯০
২২ বেলারুশ ৪৭,৭৫১ ২৬৩ ২৩,০১৫
২৩ নেদারল্যান্ডস ৪৭,৩৩৫ ৬,০১১ ২৫০
২৪ সুইডেন ৪৩,৮৮৭ ৪,৬৫৬ ৪,৯৭১
২৫ দক্ষিণ আফ্রিকা ৪৩,৪৩৪ ৯০৮ ২৩,০৮৮
২৬ ইকুয়েডর ৪১,৫৭৫ ৩,৫৩৪ ২০,৫৬৮
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩৮,২৬৮ ২৭৫ ২১,০৬১
২৮ সিঙ্গাপুর ৩৭,৫২৭ ২৫ ২৪,৫৫৯
২৯ কলম্বিয়া ৩৬,৬৩৫ ১,১৪৫ ১৩,৬৩৮
৩০ পর্তুগাল ৩৪,৩৫১ ১,৪৭৪ ২০,৮০৭
৩১ কুয়েত ৩১,১৩১ ২৫৪ ১৯,২৮২
৩২ মিসর ৩১,১১৫ ১,১৬৬ ৮,১৫৮
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৩০,৯৫৬ ১,৯২১ ২৮,৬০০
৩৪ ইন্দোনেশিয়া ৩০,৫১৪ ১,৮০১ ৯,৯০৭
৩৫ ইউক্রেন ২৬,৫১৪ ৭৭৭ ১১,৮১২
৩৬ পোল্যান্ড ২৫,৯৮৬ ১,১৫৩ ১২,৬৪১
৩৭ আয়ারল্যান্ড ২৫,১৮৩ ১,৬৭৮ ২২,৬৯৮
৩৮ ফিলিপাইন ২১,৩৪০ ৯৯৪ ৪,৪৪১
৩৯ আর্জেন্টিনা ২১,০৩৭ ৬৪২ ৬,১৮০
৪০ রোমানিয়া ২০,২৯০ ১,৩১৮ ১৪,৪১৯
৪১ আফগানিস্তান ১৯,৫৫১ ৩২০ ১,৮২০
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৯,১৯৫ ৫৩৬ ১১,৯১৯
৪৩ ইসরায়েল ১৭,৭৫২ ২৯৫ ১৫,০৪২
৪৪ জাপান ১৭,০৬৪ ৯০৭ ১৪,৯৭২
৪৫ অস্ট্রিয়া ১৬,৮৯৮ ৬৭২ ১৫,৭৮৯
৪৬ ওমান ১৬,০১৬ ৭২ ৩,৪৫১
৪৭ পানামা ১৫,৪৬৩ ৩৭০ ৯,৭১৯
৪৮ বাহরাইন ১৪,৩৮৩ ২৩ ৯,০৫৬
৪৯ বলিভিয়া ১২,৭২৮ ৪২৭ ১,৭৩৯
৫০ কাজাখস্তান ১২,৫১১ ৪৮৯ ৭,১৩৫
৫১ আর্মেনিয়া ১২,৩৬৪ ১৯০ ৩,৭২০
৫২ ডেনমার্ক ১১,৯২৪ ৫৮৭ ১০,৭২১
৫৩ নাইজেরিয়া ১১,৮৪৪ ৩৩৩ ৩,৬৯৬
৫৪ সার্বিয়া ১১,৭৪১ ২৪৮ ১১,০৫৬
৫৫ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৭১৯ ২৭৩ ১০,৫৩১
৫৬ ইরাক ১১,০৯৮ ৩১৮ ৪,৯০৪
৫৭ আলজেরিয়া ১০,০৫০ ৬৯৮ ৬,৬৩১
৫৮ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,৫৪৬ ৩২৭ ৬,৮৮৪
৫৯ মলদোভা ৯,৫১১ ৩৩১ ৫,৪৫০
৬০ ঘানা ৯,৪৬২ ৪৪ ৩,৫৪৭
৬১ নরওয়ে ৮,৫৩১ ২৩৮ ৮,১৩৮
৬২ মালয়েশিয়া ৮,৩০৩ ১১৭ ৬,৬৩৫
৬৩ মরক্কো ৮,১৫১ ২০৮ ৭,৩১৫
৬৪ ক্যামেরুন ৭,৫৯৯ ২১২ ৪,৫৮৭
৬৫ অস্ট্রেলিয়া ৭,২৫৫ ১০৩ ৬,৬৯০
৬৬ আজারবাইজান ৭,২৩৯ ৮৪ ৪,০২৪
৬৭ ফিনল্যাণ্ড ৬,৯৬৪ ৩২২ ৫,৮০০
৬৮ গুয়াতেমালা ৬,৪৮৫ ২১৬ ১,০৫৩
৬৯ হন্ডুরাস ৫,৯৭১ ২৪৮ ৬৭৭
৭০ সুদান ৫,৮৬৫ ৩৪৭ ১,৯২৪
৭১ তাজিকিস্তান ৪,৪৫৩ ৪৮ ২,৫৮৩
৭২ সেনেগাল ৪,২৪৯ ৪৭ ২,৫১২
৭৩ জিবুতি ৪,১৬৯ ২৬ ১,৮১৫
৭৪ উজবেকিস্তান ৪,০৬৪ ১৭ ৩,২৬৮
৭৫ গিনি ৪,০৬০ ২৩ ২,৬৬৭
৭৬ লুক্সেমবার্গ ৪,০৩৫ ১১০ ৩,৮৮৮
৭৭ হাঙ্গেরি ৩,৯৯০ ৫৪৫ ২,২৭৯
৭৮ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩,৮৭৮ ৮২ ৫৩৭
৭৯ আইভরি কোস্ট ৩,৪৩১ ৩৬ ১,৬০৪
৮০ নেপাল ৩,২৩৫ ১৩ ৩৬৫
৮১ থাইল্যান্ড ৩,১০৪ ৫৮ ২,৯৭১
৮২ গ্যাবন ৩,১০১ ২১ ৮৩৩
৮৩ গ্রীস ২,৯৮০ ১৮০ ১,৩৭৪
৮৪ এল সালভাদর ২,৯৩৪ ৫৩ ১,২৮১
৮৫ হাইতি ২,৯২৪ ৫০ ২৯
৮৬ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,৯১৫ ১৫১ ১,৬৪০
৮৭ বুলগেরিয়া ২,৬৬৮ ১৬০ ১,৫২৮
৮৮ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৬০৬ ১৫৯ ১,৯৬৮
৮৯ কেনিয়া ২,৬০০ ৮৩ ৭০৬
৯০ সোমালিয়া ২,২৮৯ ৮২ ৪৩১
৯১ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৭ ১০৪ ২,১২১
৯২ কিউবা ২,১৭৩ ৮৩ ১,৮৫৫
৯৩ ভেনেজুয়েলা ২,১৪৫ ২০ ৩৩৪
৯৪ মায়োত্তে ২,০৭৯ ২৫ ১,৫২৩
৯৫ কিরগিজস্তান ১,৯৭৪ ২২ ১,৩৬০
৯৬ ইথিওপিয়া ১,৯৩৪ ২০ ২৮১
৯৭ এস্তোনিয়া ১,৯৩১ ৬৯ ১,৬৭৫
৯৮ মালদ্বীপ ১,৯০১ ৭৬৩
৯৯ শ্রীলংকা ১,৮১৪ ১১ ৮৯১
১০০ আইসল্যান্ড ১,৮০৬ ১০ ১,৭৯৪
১০১ লিথুনিয়া ১,৭০৫ ৭১ ১,৩২১
১০২ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১,৫৭০ ৩৭
১০৩ স্লোভাকিয়া ১,৫২৮ ২৮ ১,৩৭৯
১০৪ মালি ১,৫২৩ ৯০ ৮৪৫
১০৫ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৮১
১০৬ স্লোভেনিয়া ১,৪৮৪ ১০৯ ১,৩৫৯
১০৭ গিনি বিসাউ ১,৩৬৮ ১২ ১৫৩
১০৮ লেবানন ১,৩২০ ২৯ ৭৬৮
১০৯ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,৩০৬ ১২ ২০০
১১০ কোস্টারিকা ১,২৬৩ ১০ ৭০১
১১১ আলবেনিয়া ১,২৩২ ৩৪ ৯২৫
১১২ নিকারাগুয়া ১,১১৮ ৪৬ ৩৭০
১১৩ হংকং ১,১০৬ ১,০৪৮
১১৪ প্যারাগুয়ে ১,০৯০ ১১ ৫৩২
১১৫ জাম্বিয়া ১,০৮৯ ৯১২
১১৬ তিউনিশিয়া ১,০৮৭ ৪৯ ৯৭৭
১১৭ লাটভিয়া ১,০৮৬ ২৫ ৭৮১
১১৮ মাদাগাস্কার ১,০২৬ ২১২
১১৯ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১২০ নাইজার ৯৬৬ ৬৫ ৮৬৩
১২১ সাইপ্রাস ৯৬০ ১৮ ৮০৭
১২২ সিয়েরা লিওন ৯৪৬ ৪৮ ৬০০
১২৩ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৮৮ ৫৩ ৭৬০
১২৪ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২৩ ৭২১
১২৫ মৌরিতানিয়া ৮৮৩ ৪৩ ৬৯
১২৬ এনডোরা ৮৫২ ৫১ ৭৪১
১২৭ চাদ ৮৩৬ ৬৯ ৬৭২
১২৮ জর্জিয়া ৮০৮ ১৩ ৬৬৩
১২৯ জর্ডান ৭৯৫ ৫৮৬
১৩০ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৩১ সান ম্যারিনো ৬৮০ ৪২ ৪২৮
১৩২ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৬৩৯ ৩৪৮
১৩৩ কঙ্গো ৬৩৫ ২০ ১৮২
১৩৪ মালটা ৬২৭ ৫৯৬
১৩৫ জ্যামাইকা ৫৯৫ ১০ ৩৮৫
১৩৬ উগান্ডা ৫৯৩ ৮২
১৩৭ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৪০০
১৩৮ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬৩ ৪৬ ৫২৮
১৩৯ কেপ ভার্দে ৫৪২ ২৪০
১৪০ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৪১ টোগো ৪৮৫ ১৩ ২৪০
১৪২ রিইউনিয়ন ৪৮০ ৪১১
১৪৩ ইয়েমেন ৪৬৯ ১১১ ২৩
১৪৪ তাইওয়ান ৪৪৩ ৪২৯
১৪৫ রুয়ান্ডা ৪২০ ২৮২
১৪৬ মোজাম্বিক ৪০৯ ১২৬
১৪৭ মালাউই ৪০৯ ৫৫
১৪৮ লাইবেরিয়া ৩৪৫ ৩০ ১৮৫
১৪৯ বেনিন ৩৩৯ ১৫১
১৫০ মরিশাস ৩৩৭ ১০ ৩২৪
১৫১ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩১২
১৫২ ভিয়েতনাম ৩২৯ ৩০৭
১৫৩ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৫৪ ইসওয়াতিনি ৩০৫ ২২১
১৫৫ জিম্বাবুয়ে ২৬৫ ৩৩
১৫৬ মায়ানমার ২৪০ ১৫৬
১৫৭ লিবিয়া ২৩৯ ৫২
১৫৮ মার্টিনিক ২০২ ১৪ ৯৮
১৫৯ মঙ্গোলিয়া ১৯৩ ৭১
১৬০ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৬১ জিব্রাল্টার ১৭৫ ১৫৫
১৬২ গুয়াদেলৌপ ১৬৪ ১৪ ১৪৪
১৬৩ কেম্যান আইল্যান্ড ১৬৪ ৯৩
১৬৪ গায়ানা ১৫৩ ১২ ৭৭
১৬৫ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬৬ বারমুডা ১৪১ ১১৪
১৬৭ কমোরস ১৪১ ৬৭
১৬৮ কম্বোডিয়া ১২৫ ১২৩
১৬৯ সিরিয়া ১২৫ ৫৮
১৭০ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৭ ১০৮
১৭১ বাহামা ১০২ ১১ ৫৫
১৭২ আরুবা ১০১ ৯৮
১৭৩ মোনাকো ৯৯ ৯৩
১৭৪ বার্বাডোস ৯২ ৮১
১৭৫ সুরিনাম ৯১
১৭৬ অ্যাঙ্গোলা ৮৬ ২১
১৭৭ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৮ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬১
১৭৯ বুরুন্ডি ৬৩ ৩৩
১৮০ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৮১ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮২ ভুটান ৪৮ ১১
১৮৩ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮৪ সেন্ট মার্টিন ৪১ ৩৩
১৮৫ বতসোয়ানা ৪০ ২৩
১৮৬ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৭ নামিবিয়া ২৯ ১৬
১৮৮ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৬ ২০
১৮৯ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৬ ১৫
১৯০ গাম্বিয়া ২৬ ২১
১৯১ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯২ গ্রেনাডা ২৩ ২২
১৯৩ কিউরাসাও ২১ ১৫
১৯৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ২০ ১৮
১৯৫ সেন্ট লুসিয়া ১৯ ১৮
১৯৬ লাওস ১৯ ১৮
১৯৭ বেলিজ ১৯ ১৬
১৯৮ ডোমিনিকা ১৮ ১৬
১৯৯ ফিজি ১৮ ১৮
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০১ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১৩
২০২ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১১
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১১ সেন্ট বারথেলিমি
২১২ লেসোথো
২১৩ এ্যাঙ্গুইলা
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।