কমে এসেছে বাণিজ্য ঘাটতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৫২ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০

গত অর্থবছরে প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলারের (৫৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার) বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে অর্থবছর শেষ করেছিল দেশ। চলতি অর্থবছরের (২০২০-২১) জুলাই-অক্টোবর সময়ে তা কমে ৩২৩ কোটি ৬০ লাখ ডলারে নেমে এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ২৭ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা। হিসাব করে দেখা গেছে, এই বাণিজ্য ঘাটতি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার কম। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ এক হাজার ২৫৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার আয় করেছে। অন্যদিকে একই সময়ে আমদানিতে ব্যয় হয়েছে এক হাজার ৫৭৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে গত চার (জুলাই-অক্টোবর) মাসে পণ্য বাণিজ্যে সামগ্রিক ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

এই চার মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১ দশমিক ১০ শতাংশ, একই সময়ে আমদানি ব্যয় কমেছে প্রায় ১৩ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে দেশের রপ্তানি ব্যয় ছিলো এক হাজার ২৫৪ কোটি ডলার। অপরদিকে আমদানি ব্যয় ১২ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমে এক হাজার ৫৭৮ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

আলোচ্য সময়ে সেবা খাতের বাণিজ্য ঘাটতিও কমে এসেছে অর্ধেকে। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে সেবা খাতে ঘাটতি ছিল ১১১ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অন্যদিকে চলতি বছরের একই সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলারে।

একই সময়ে বেড়েছে রেমিটেন্স প্রবাহ। চলতি অর্থবছরের চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) ৮৯৬ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৬৩০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪২দশমিক ১৬ শতাংশ। সদ্য বিদায়ী নভেম্বরে মাসে প্রবাসীরা দেশে ২০৮ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি।

ইএআার/ইএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]