আমদানি কমায় বেড়েছে ভারতীয় রসুনের দাম
ঝাল থাকুক বা নাই থাকুক কেজিতে ১৫ টাকা কমেছে মরিচের দাম। কিন্তু দামে ঝাঁঝ বেশি রসুনে। আমদানি কমে যাওয়ায় ভারতীয় রসুনের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ২০০ টাকা দাঁড়িয়েছে। তবে কমা ও বাড়ার মধ্যেই রয়েছে সবজির দাম। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুর পাইকপাড়াস্থ নতুন বাজার সরেজমিনে ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।
বাজারের সবজি বিক্রেতা ও মুদি দোকানিরা জানান, দেশীয় রসুন সাইজে ছোট, খোসা ছাড়াতে গৃহিনীদের কষ্ট হয়। কিন্তু ভারতীয় রসুন সাইজে বড়। আবার চাহিদাও বেশি। কিন্তু হঠাৎ বাজারে ভারতীয় রসুনের আমদানি কমে গেছে। তাই দামটা বেশি উঠে গেছে।
তাজুল নামে এক দোকানি জানান, পাইকারি দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় রসুন বিক্রি করতে হচ্ছে।
শেফা আক্তার নামে এক ক্রেতা জানান, রান্নায় রসুন একটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। কিন্তু যেভাবে দাম বাড়ছে তাতে তো রান্না বুঝি ছেড়ে দিতে হয়।
বাজার ঘুরে জানা গেছে, চিচিঙ্গার দাম কেজি ২৫ টাকা। ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা, ও ঢেড়সের দাম অপরিবর্তনীয়, কেজি ৪০ টাকা।
দাম কমেছে শশার। প্রতিকেজি শশা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা দামে, কমেছে লেবুর দামও। হালি প্রতি (ছোট) লেবু ১৫ টাকা। বড় সাইজের লেবুর দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা, পটল ২৫ টাকা, দাম বেড়েছে বেগুনের। পাওয়া যাচ্ছে কেজি প্রতি ৪০ টাকা দরে।
দেশি লাল আলু ২৪ টাকা, লাল আলু ১৮ টাকা। মিস্টি আলুর দামও একই। পেঁপের দাম ৩০ টাকা কেজি। কচুর লতি ৪০ টাকা, কচু সবজি ৫০ টাকা। কমেছে টমেটোর দাম। কেজি এখন ২০ থেকে ৩০ টাকা, কাঁচাকলা হালি ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
পিস প্রতি জালি কুমড়া দাম ২০/৩০ টাকা। তবে মিষ্টি কুমড়ার দাম আগের মতোই কেজি প্রতি ২৫-৩০ টাকা। লাউ ৩০ থেকে ৪০ টাকা, সবুজ শাক আটি ১০ টাকা। লাল শাক আটি ১০ টাকা। পুঁই শাক ১৫ টাকা।
ব্রয়লার মুরগির ডিম প্রতি হালি ৩২ থেকে ৩৩ টাকা। দেশি মুরগির ডিম ৪২ টাকা ও হাঁসের ডিমের হালি ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
গরু মাংস ৪২০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, দেশি মুরগি ৪০০ টাকা কেজি, আর পাকিস্তানি মুরগি ৩৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
জেইউ/এসকেডি/এমএস