ঈদকে ঘিরে মধ্যরাতেও জমজমাট নিউমার্কেটের কেনাকাটা

মো. নাহিদ হাসান
মো. নাহিদ হাসান মো. নাহিদ হাসান , নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩:২৫ এএম, ১৩ মার্চ ২০২৬
মধ্যরাতেও জমজমাট নিউমার্কেটের কেনাকাটা

আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় জমে উঠেছে কেনাকাটা। দিন গড়িয়ে রাত হলেও কমছে না ক্রেতাদের ভিড়। বিভিন্ন বয়সী মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ভিড় করছেন দোকানপাটে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দিনগত রাত ২টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দিনের ব্যস্ততা এড়িয়ে অনেকেই রাতের দিকে কেনাকাটা করতে নিউমার্কেটে আসছেন। এতে সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পুরো এলাকায় ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে। বিশেষ করে পোশাকের দোকানগুলোতে নারী, পুরুষ ও শিশুদের ঈদের পোশাক কিনতে উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়।

ক্রেতারা বলছেন, দিনের বেলায় প্রচণ্ড ভিড় ও যানজটের কারণে অনেক সময় স্বস্তিতে কেনাকাটা করা যায় না। তাই তুলনামূলক স্বস্তির আশায় রাতের দিকে বাজারে আসছেন তারা।

দোকানিরাও বলছেন, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই ক্রেতার সংখ্যা বাড়ছে। দিনে যেমন ভিড় থাকে, তেমনি রাতেও ক্রেতাদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য।

কেনাকাটা করতে আসা রাফিকুল আলম বলেন, দিনের বেলায় অনেক ভিড় থাকে, এতে কেনাকাটা করতে ঝামেলা পোহাতে হয়। রাতে রিল্যাক্সে কেনাকাটা করা যায়। এজন্য রাতে আসলাম।

আরেক ক্রেতা রুপা আক্তার বলেন, পরিবার নিয়ে ঈদের শপিং করতে এসেছি। রাতে কেনাকাটা শেষ করে আজ বাইরে সেহরি করবো। রাতে গরম নেই বললেই চলে, জ্যামও নেই। তাছাড়া রোজা রেখে দিনে কেনাকাটা করা কিছুটা কষ্টকর।

নিউমার্কেটের চন্দ্রিমা সুপারমার্কেটের বিক্রেতা আনিসুর বলেন, এবার ঈদে বিক্রি বেশ ভালো হচ্ছে। সামনে তো আরও সময় আছে। সারাদিন রাত ক্রেতা সমাগম হচ্ছে। এবার বাজার ভালো।

ব্যবসায়ীদের আশা, ঈদের আগের কয়েক দিন বিক্রি আরও বাড়বে।

এদিকে ক্রেতাদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহলও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া গাউছিয়া মার্কেটের সামনে পুলিশের অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক ডিউটি পালন করছেন।

এনএস/কেএএ/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।