বইমেলার শেষদিনে জমজমাট শিশুপ্রহর

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:৩৯ পিএম, ১৭ মার্চ ২০২২

করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর নির্ধারিত সময়ের দুই সপ্তাহ দেরিতে শুরু হলেও মাসব্যাপী চলে অমর একুশে বইমেলা। বাংলা একাডেমির ঘোষণা অনুযায়ী সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার রাখা হয় ‘শিশু প্রহর’। কিন্তু মেলার শেষদিন ১৭ মার্চ ছিল জাতীয় শিশু দিবস। ছুটির দিন হওয়ায় এ দিনটিতেও রাখা হয় শিশুপ্রহর। তাই এদিন শিশুপ্রহরে সিসিমপুর দেখাতে একুশে বইমেলার উন্মুক্ত মঞ্চের চারপাশে ছিল শিশুসহ অভিভাবকদের উপচেপড়া ভিড়।

বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) মেলাজুড়ে সকাল সাড়ে ১১টায়, বিকেল সাড়ে ৩টায় ও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এ চিত্র দেখা গেছে। বইমেলার শেষদিনে শিশুপ্রহর ছিল জমজমাট।

আজ অমর একুশে গ্রন্থমেলার সমাপনী দিন। শেষ দিনে এবছরের মতো মেলার শিশু চত্বরে আনন্দে মেতে ওঠে শিশুরা। আনন্দের ছলে শেখার জন্য টুকটুকি, হালুম, ইকরির আর শিকুদের সঙ্গে দর্শক হয়ে যায় মেলায় আগত শিশুরা। পাশে দাঁড়িয়ে সেই আনন্দ উপভোগ করেছেন অভিভাবকরাও। ছন্দে-সুরে ছড়া গানে সিসিমপুরের এসব চরিত্রগুলোর পরিবেশনায় তুলে ধরা হয় বাচ্চাদের জন্য নানা বুনিয়াদি শিক্ষণীয় বিষয়।

ভাতিজা-ভাতিজিকে সিসিমপুরের পরিবেশনা দেখাতে নিয়ে এসেছিলেন সিটি কলেজের শিক্ষার্থী সারা মেহজাবিন। জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমি নিজেও এসব দেখে বড় হয়েছি। মজা করতে করতে কখন জানি অনেক কিছু শিখে ফেলেছি বুঝতেই পারিনি। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মও তাই শিখবে। আর টেলিভিশনে দেখা চরিত্রগুলো সামনাসামনি দেখার অনুভূতিই আলাদা।

বইমেলার শেষদিনে জমজমাট শিশুপ্রহর

রাজধানীর বনশ্রী থেকে মেয়েকে নিয়ে আসা নয়ন আজাদ বলেন, জাতীয় শিশু দিবসে মেলায় শিশুদের জন্য শিশুপ্রহর ও সিসিমপুর রাখার সিদ্ধান্ত বেশ ভালো ছিল। কারণ এক বছর পর আবার শিশুরা শিশুপ্রহর দেখতে পাবে। আজ বাচ্চারা সিসিমপুর দেখে অনেক খুশি হয়েছে।

সিসিমপুরের সমন্বয়ক সাব্বির আহমেদ বলেন, প্রতি শিশুপ্রহরে তিনটি করে প্রোগ্রাম করেছি আমরা। মেলার শেষদিন বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস হওয়ায় শিশুদের জন্য এ আয়োজনটি রাখেছি। অনেক শিশু এবার শেষদিনে সিসিমপুরের পরিবেশনা দেখতে পেলো।

প্রতি বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন একুশে বইমেলা শুরু হলেও মহামারির কারণে গত বছর দেড় মাস পিছিয়ে ১৮ মার্চ শুরু হয়েছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারি মেলা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়।

আরএসএম/এমএএইচ/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]