আহমদ নাবীল শরফুদ্দীনের ‘আব্বাকে মনে পড়ে’
বিজ্ঞান-লেখক হিসেবে আবদুলাহ আল-মুতীর কোনো তুলনা ছিল না। বিজ্ঞান বিষয়ে তিনি লিখেছেন বিস্তর, এবং এইসব রচনার বড় অংশ জুড়ে ছিল ছোটদের জন্য লেখা। ছোটদের জন্য বিজ্ঞান নিয়ে এতো বই আর কেউ লেখেননি, ছোটদের কথা সবসময়ে ছিল তাঁর ভাবনায়।
সুফিয়া কামাল এবং দাদাভাই রোকনুজ্জামান খানের সঙ্গে মিলে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কচি-কাঁচার মেলা, শিশু-কিশোর মানস বিকাশে দেশজুড়ে করেছিলেন কাজ। অন্যদিকে সরকারের উচ্চপদে আসীন ছিলেন তিনি, শিক্ষা নিয়েই ছিল তার যাবতীয় কর্মকাণ্ড। বিজ্ঞান-শিক্ষার প্রসার কীভাবে করা যেতে পারে, নবীন পাঠকদের কীভাবে উৎসাহিত করা যায় বিজ্ঞানের বই পড়তে, এমনি ভাবনা থেকে যুক্ত ছিলেন নানা কাজে। তার লেখা বই আজও পুরনো হয়ে যায়নি, ফলে তার নাম অনেকের কাছেই পরিচিত, কিন্তু তার জীবনকথা বিশেষ কেউ জানে না।
আবদুলাহ আল-মুতীর কিশোর-পুত্র আহমদ নাবীল শরফুদ্দীন এখন পরিণত বয়সে বাবার স্মৃতি মেলে ধরেছেন নবীন পাঠকদের জন্য। এখানে পিতাপুত্র সম্পর্কের এমন এক আন্তরিক ছবি ফুটে ওঠে যা হৃদয় ছুঁয়ে যায়। সেইসাথে মেলে মানুষ আবদুলাহ আল-মুতীর পরিচয়, যা অনুপ্রাণিত করবে সবাইকে। বইটি প্রকাশ করেছে সাহিত্য প্রকাশ। মূল্য ২০০ টাকা। প্রচ্ছদ এঁকেছেন অশোক কর্মকার। পাওয়া যাচ্ছে একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশনা সংস্থাটির ১১ নম্বর প্যাভেলিয়নে।
এমএএস/আরআই