ফিলিস্তিনের জন্য প্রতিবাদের সময় হাসছিলেন প্রিয়াঙ্কা, বিতর্কের ঝড়

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৫২ পিএম, ১৮ মার্চ ২০২৬
ফিলিস্তিনের জন্য প্রতিবাদের সময় হাসছিলেন প্রিয়াঙ্কা

এবারের একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত হয়ে উঠেছে সেরা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণার সময়ের একটি ঘটনা। স্প্যানিশ অভিনেতা হাভিয়ের বারদেম মঞ্চে উঠে যুদ্ধবিরোধী ও ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান জানালে, তার পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা ভারতীয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার প্রতিক্রিয়া ঘিরে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।

পুরস্কার ঘোষণা করতে এসে হাভিয়ের বারদেম বুকের ওপর ফিলিস্তিন সমর্থনের প্রতীক এবং যুদ্ধবিরোধী বার্তা সম্বলিত ব্যাজ পরেছিলেন। মঞ্চে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘যুদ্ধ না, এবং ফিলিস্তিন মুক্ত হোক।’

তার এই বক্তব্যে উপস্থিত দর্শকদের একটি বড় অংশ হাততালি দিয়ে সমর্থন জানালেও প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে কিছুটা অপ্রস্তুত ও নিরুত্তাপ দেখায়। তিনি পাশে দাঁড়িয়ে শুধু হালকা হাসি দেন, যা অনেকের নজরে পড়ে।

এই প্রতিক্রিয়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই মনে করেন, বারদেমের বক্তব্যের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা একমত নন কিংবা তিনি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য ও সমালোচনা দেখা যায়।

এছাড়া ভারতের ক্ষমতাসীন দল ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি প্রিয়াঙ্কার সমর্থনের প্রসঙ্গও টেনে আনেন অনেকে। একইসঙ্গে জাতিসংঘ শিশু তহবিলের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে তার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। এর আগেও যুদ্ধ ও সংঘাতের বিষয়ে তার অবস্থান নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন অনেক ব্যবহারকারী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ প্রিয়াঙ্কার তুলনা করেন ইসরায়েলি অভিনেত্রী গ্যাল গ্যাডটের সঙ্গে। তিনি নিজ দেশের সামরিক বাহিনীর প্রতি সমর্থন জানানোর জন্য পরিচিত। এই প্রেক্ষাপটে অনেক ব্যবহারকারী মজার ছলে প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে ‘ডাল গ্যাডট’ নামে সম্বোধন করতে শুরু করেন। সেই নাম দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

বিশ্লেষকদের মতে, হাভিয়ের বারদেমের মতো একজন স্পষ্টভাষী যুদ্ধবিরোধী শিল্পীর পাশে দাঁড়িয়ে এমন পরিস্থিতির জন্য প্রিয়াঙ্কার প্রস্তুত থাকা উচিত ছিল। অন্তত মুখভঙ্গিতে আরও সংযত থাকা গেলে সমালোচনা কিছুটা কম হতে পারত বলেও মনে করছেন অনেকে।

 

এলআইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।