সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করলেন শাবনূর-পূর্ণিমা

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৪৪ পিএম, ০৩ মার্চ ২০২৩

 

ঢাকাই সিনেমার দুই প্রিয়মুখ শাবনূর-পূর্ণিমা। এ দুজনকে নিয়ে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক গল্প হাওয়ায় ভাসতো। এখনও ভাসে। এসব গল্পে মধ্যে রয়েছে-এ দুই নায়িকার মধ্যে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক নেই। দুজন-দুজনকে সহ্য করতে পারেন না। এক কথায় বলা চলে তাদের মধ্যে বৈরী সম্পর্ক-এমনটাই অনেকে জানতো।

কিন্তু আজ (৩ মার্চ) শাবনূর-পূর্ণিমা ভক্তদের জন্য তাদের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে দিলেন। অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণে গেছেন পূর্ণিমা। শাবনূর আগে থেকেই সেখানে বসবাস করছেন। আর সেখানে শাবনূরের বাসায় বেড়াতে গেছেন পূর্ণিমা। এ সময়ে হঠাৎ করে ফেসবুক লাইভে চলে আসেন পূর্ণিমা। সঙ্গে ছিলেন শাবনূর।

লাইভে এসে দুজনে একে-অন্যের প্রশংসায় মেতে ওঠেন। তাদের সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন মুখরোচক গল্প কিংবা গুঞ্জন নিয়েও কথা বলেন তারা।

এ সময়ে পূর্ণিমাকে শাবনূর বলেন, ‘আমাদের সম্পর্কে মানুষের মধ্যে বাজে ধারণা আছে। সবাই মনে করে আমাদের মধ্যে দা-কুমড়া সম্পর্ক। এটা একটু পরিষ্কার করে দাও তো।’

শাবনূরের এ কথার প্রসঙ্গ টেনে পূর্ণিমা বলেন, ‘আসলে আমাদের মধ্যে ফুলে-ফুলে সম্পর্ক। তিনি (শাবনূর) আমার খুব পছন্দের অভিনেত্রী। আমরা তাকে দেখেই ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছি। তিনি আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা, তিনি আমাদের অভিনয়ের ইনস্টিটিউট। আমরা এখনও অভিনয় করতে গেলে সবার আগে শাবনূর আপুর কথা মনে আসে। তিনি কীভাবে, কোন এক্সপ্রেশন দিতেন, সেটা মনে করে কাজ করি। যদিও আমরা বা আমি তার ধারে-কাছে যেতে পারিনি। তিনি আসলেই অসাধারণ একজন মানুষ।’

এমন কথা শুনে শাবনূরও নেমে পড়েন পূর্ণিমার প্রশংসায়। হেসে হেসে শাবনূর বলেন, , ‘পূর্ণিমার এত গুণ! আমার মনে হয় আমি ওর মতো পারবো না। এত সুন্দর করে কীভাবে কথা বলে, স্টেজে পারফরম্যান্স করে। ওর আসলে গুণের শেষ নেই। দেখতেও সুন্দর। ওর তুলনা ও নিজেই। আমি অনেক খুশি হয়েছি, ওর অস্ট্রেলিয়া আসার খবর শুনে। এরপর আমি ওকে হারিকেন জ্বালিয়ে খুঁজেছি।’

শাবনূর-পূর্ণিমা তাদের লাইভের শেষে প্রিয় ভক্তদের জন্য ধন্যবাদ এবং ভালোবাসা জানাতে ভুল করেননি।

এমএমএফ/এমআইএইচএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।