করোনা নিয়ে গবেষণা করতে চান ড. সমীর সাহা

রিফাত কান্তি সেন
রিফাত কান্তি সেন রিফাত কান্তি সেন , লেখক
প্রকাশিত: ০২:০০ পিএম, ২৩ মার্চ ২০২০

অণুজীববিজ্ঞানী ড. সমীর সাহা। ইউনেস্কোর ‘কার্লোজ জে ফিনলে পুরস্কার’ পেয়েছেন তিনি। তিনিই প্রথম কোনো বিজ্ঞানী; যিনি কি-না আমেরিকা বা কানাডার নাগরিক না হয়েও আমেরিকান সোস্যাইটি অব মাইক্রোবায়োলজির হয়ে পুরস্কৃত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি (অণুজীববিজ্ঞান) বিভাগের অধ্যাপক। তিনিই প্রথম চিকুনগুনিয়ার কারণে মেনিনজাইটিসের মতো জটিল রোগ হয়, ঢাকার শিশু হাসপাতালের চাইল্ড হেলথ রিচার্স ফাউন্ডেশনের ল্যাবে এমন গবেষণা করেছিলেন। বর্তমানে বিল গেটস ফাউন্ডেশন ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার সাথে যৌথ গবেষণায় যুক্ত তার এ প্রতিষ্ঠান।

সম্প্রতি বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব চলছে। বর্তমানে গুণী এ বিজ্ঞানী করোনা পরিস্থিতিতে কী ভাবছেন? সে বিষয়ে কথা বলেছেন জাগো নিউজের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রিফাত কান্তি সেন

samir-in-(1)

করোনা নিয়ে কোনো গবেষণা করছেন কী?
ড. সমীর সাহা: না, করোনা নিয়ে গবেষণা আসলে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত সরকারের মধ্যে। সুতরাং সরকার যাদের নির্বাচিত করবে; তারাই গবেষণা করবে। তবে ডেফেনেটলি আমাদেরও গবেষণা করার মতো কেপাসিটি আছে। যদি কখনো সরকার মনে করে আমাদের প্রয়োজন, ডেফেনেটলি আমরা গবেষণা করবো।

সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা আসেনি আপনাদের কাছে?
ড. সমীর সাহা: মানে এখনো তো কারো কাছেই এমন কিছু যায়নি। সরকারের যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে, যেমন আইইডিসিআর খুব ভালো কাজ করছে। এ দফতর থেকে খুব ভালো কাজ করা হচ্ছে বলে আমি মনে করি। কিন্তু যদি আরও বেশি প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন হয়; তখন আমাদের ডাকলে অবশ্যই কাজ করবো।

samir-in-(1)

করোনা নিয়ে আপনাদের কী করার আছে বলে মনে করেন?
ড. সমীর সাহা: আসলে এখন অনেক কিছুই গবেষণার বিষয় নয়। সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। ডব্লিউএইচও বলছে, আমি ও বলছি যে, এ ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে হলে নিজেদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। দেখুন অনেক জটিল তো। দেশটি ছোট, জনসংখ্যা অনেক বেশি। তারপর আমাদের সামাজিক যে অভ্যাস, সেটি অন্য দেশের চেয়ে আলাদা। আইসোলেশন বলি বা কোয়ারেন্টাইন বলি, আপনি যদি বিদেশে চিন্তা করেন নরমালি এরকম থাকে, একটা ফ্ল্যাটের মানুষ আরেকটা ফ্ল্যাটের মানুষকে চেনেনই না। তারা প্রয়োজনেই শুধু কথা বলেন। আমরা কিন্তু একসাথে থাকতে চাই। যদিও আমরা টিভিতে বলি, সরকার বলছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বাইরে থেকে যারা আসছেন, তারা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছেন। আপনি চিন্তা করে দেখুন, আমাদের এগুলো ম্যানেজ করতে আর্মি দিতে হয়েছে। তারপরও সরকার চাইলে কিছু করার চেষ্টা করবো।

samir-in

সাধারণ মানুষের জন্য আপনার কী পরামর্শ—
ড. সমীর সাহা: আসলে সাধারণ মানুষের জন্য অনেকবারই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আমি সেটি আবারও বলবো, বিনা প্রয়োজনে কোনো মিটিং করার দরকার নেই। জনসমাগম এড়িয়ে যাওয়া উচিত। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের না হওয়াই উত্তম। কিন্তু কিছু লোক তো বের হতে হবেই। যাদের জরুরি কাজ আছে, শুধু তারাই বাসা থেকে বের হওয়া উচিত। আজ দেখলাম টিভিতে ক্রিকেটাররাও সচেতনতা নিয়ে কথা বলছেন। আমি তেমন একটা টকশো’তে আসতাম না। কিন্তু আমিও এখন টকশো’তে গিয়ে কথা বলছি। আসলে আমাদের রুট লেভেল থেকে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। হাত চোখ, নাক এবং মুখে দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যেখানে-সেথানে কফ, থুতু ফেলা যাবে না। এটি একটি ছোঁয়াচে রোগ। সুতরাং এটি খুব দ্রুত সংক্রামিত করতে পারে। আতঙ্কিত না হয়ে একটু সচেতন হলেই এ রোগ থেকে মুক্তি লাভ করা যাবে।

samir-in-(3)
আপনার গবেষণা কেন্দ্র কিট দিয়ে একদিনে ২০০ জন সন্দেহভাজন রোগীকে শনাক্ত করতে সক্ষম?

ড. সমীর সাহা: হ্যাঁ, আমরা সেটা করতে পারবো। এটি নরমাল কিট নয়। রিয়েল টাইম ডিটেকটেড করা। যদি আমাদের দরকার হয়, তবে আমরা অবশ্যই করবো। আপনি যদি ডেঙ্গুর কথা চিন্তা করেন, তবে আমরা কিন্তু দিনে একশ টেস্ট করে খুব দ্রুত রিপোর্ট দিতে পেরেছি। শিশু হাসপাতালের এ ল্যাব থেকে একদম রিয়েল টাইমে রিপোর্ট দিয়েছি। আমাদের একসময় কিট ছিল না, আমি তখন একটি প্রজেক্ট নিয়ে ভারত গিয়েছিলাম। সেখান থেকে আমি কিট নিয়ে এসেছি।

দেশের মানুষকে নিয়ে কিছু বলার আছে—
ড. সমীর সাহা: আশার অনেক কথা আছে। সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে নিজেদের মধ্যে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। সাবান কিংবা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধৌত করতে হবে। সাবধানে থাকবেন সবাই। অন্য সবাইকে কথাগুলো বলবেন। বেশি বেশি সচেতন হলেই করোনাভাইরাসকে আমরা মোকাবেলা করতে পারবো।

এসইউ/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৫,৮৯,২৫৬
আক্রান্ত

৯৪,৯৪৯
মৃত

৩,৫৩,১৩৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩৩০ ২১ ৩৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪,৫৯,৯৮১ ১৬,৩৭২ ২৪,৯৬১
স্পেন ১,৫২,৪৪৬ ১৫,২৩৮ ৫২,১৬৫
ইতালি ১,৪৩,৬২৬ ১৮,২৭৯ ২৮,৪৭০
ফ্রান্স ১,১৭,৭৪৯ ১২,২১০ ২৩,২০৬
জার্মানি ১,১৫,৫২৩ ২,৪৫১ ৫০,৫৫৭
১০ চীন ৮১,৮৬৫ ৩,৩৩৫ ৭৭,৩৭০
১১ ইরান ৬৬,২২০ ৪,১১০ ৩২,৩০৯
১২ যুক্তরাজ্য ৬৫,০৭৭ ৭,৯৭৮ ১৩৫
১৩ তুরস্ক ৪২,২৮২ ৯০৮ ২,১৪২
১৫ বেলজিয়াম ২৪,৯৮৩ ২,৫২৩ ৫,১৬৪
১৬ সুইজারল্যান্ড ২৪,০৪৬ ৯৪৮ ১০,৬০০
১৭ নেদারল্যান্ডস ২১,৭৬২ ২,৩৯৬ ২৫০
১৮ কানাডা ২০,৭০৩ ৫০৪ ৫,২১৮
১৯ ব্রাজিল ১৭,৮৫৭ ৯৪১ ১৭৩
২০ পর্তুগাল ১৩,৯৫৬ ৪০৯ ২০৫
২১ অস্ট্রিয়া ১৩,২৪৪ ২৯৫ ৫,২৪০
২৩ দক্ষিণ কোরিয়া ১০,৪২৩ ২০৪ ৬,৯৭৩
২৪ রাশিয়া ১০,১৩১ ৭৬ ৬৯৮
২৫ ইসরায়েল ৯,৯৬৮ ৮৬ ১,০১১
২৬ সুইডেন ৯,১৪১ ৭৯৩ ২০৫
২৮ ভারত ৬,৭২৫ ২২৬ ৬২০
২৯ আয়ারল্যান্ড ৬,৫৭৪ ২৬৩ ২৫
৩০ নরওয়ে ৬,১৬২ ১০৮ ৩২
৩১ অস্ট্রেলিয়া ৬,১০৪ ৫১ ২,৯৮৭
৩২ চিলি ৫,৯৭২ ৫৭ ১,২৭৪
৩৩ ডেনমার্ক ৫,৬৩৫ ২৩৭ ১,৭৩৬
৩৪ পোল্যান্ড ৫,৫৭৫ ১৭৪ ২৮৪
৩৫ চেক প্রজাতন্ত্র ৫,৪৬৭ ১১২ ৩০১
৩৬ পেরু ৫,২৫৬ ১৩৮ ১,৪৩৮
৩৭ রোমানিয়া ৫,২০২ ২৪৮ ৬৪৭
৩৮ ইকুয়েডর ৪,৯৬৫ ২৭২ ৩৩৯
৩৯ জাপান ৪,৬৬৭ ৯৪ ৬৩২
৪০ পাকিস্তান ৪,৪৮৯ ৬৫ ৫৭২
৪১ মালয়েশিয়া ৪,২২৮ ৬৭ ১,৬০৮
৪২ ফিলিপাইন ৪,০৭৬ ২০৩ ১২৪
৪৩ ইন্দোনেশিয়া ৩,২৯৩ ২৮০ ২৫২
৪৪ সৌদি আরব ৩,২৮৭ ৪৪ ৬৬৬
৪৫ মেক্সিকো ৩,১৮১ ১৭৪ ৬৩৩
৪৬ লুক্সেমবার্গ ৩,১১৫ ৫২ ৫০০
৪৭ সার্বিয়া ২,৮৬৭ ৬৬ ১১৮
৪৮ সংযুক্ত আরব আমিরাত ২,৬৫৯ ১২ ২৩৯
৪৯ ফিনল্যাণ্ড ২,৬০৫ ৪২ ৩০০
৫০ পানামা ২,৫২৮ ৬৩ ১৬
৫১ থাইল্যান্ড ২,৪২৩ ৩২ ৯৪০
৫২ কাতার ২,৩৭৬ ২০৬
৫৩ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ২,৩৪৯ ১১৮ ৮০
৫৪ কলম্বিয়া ২,০৫৪ ৫৫ ১২৩
৫৫ গ্রীস ১,৯৫৫ ৮৭ ২৬৯
৫৬ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৯৩৪ ১৮ ৯৫
৫৭ সিঙ্গাপুর ১,৯১০ ৪৬০
৫৮ ইউক্রেন ১,৮৯২ ৫৭ ৪৫
৫৯ আর্জেন্টিনা ১,৭৯৫ ৭১ ৩৬৫
৬০ মিসর ১,৬৯৯ ১১৮ ৩৪৮
৬১ আলজেরিয়া ১,৬৬৬ ২৩৫ ৩৪৭
৬২ আইসল্যান্ড ১,৬৪৮ ৬৮৮
৬৩ বেলারুশ ১,৪৮৬ ১৬ ১৩৯
৬৪ ক্রোয়েশিয়া ১,৪০৭ ২০ ২১৯
৬৫ মরক্কো ১,৩৭৪ ৯৭ ১০৯
৬৬ মলদোভা ১,২৮৯ ২৯ ৫০
৬৭ নিউজিল্যান্ড ১,২৩৯ ৩১৭
৬৮ ইরাক ১,২৩২ ৬৯ ৪৯৬
৬৯ এস্তোনিয়া ১,২০৭ ২৪ ৮৩
৭০ স্লোভেনিয়া ১,১২৪ ৪৩ ১২৮
৭১ হাঙ্গেরি ৯৮০ ৬৬ ৯৬
৭২ হংকং ৯৭৪ ২৯৩
৭৩ লিথুনিয়া ৯৫৫ ১৬
৭৪ আজারবাইজান ৯২৬ ১০১
৭৫ আর্মেনিয়া ৯২১ ১০ ১৩৮
৭৬ কুয়েত ৯১০ ১১১
৭৭ বাহরাইন ৮৮৭ ৫১৯
৭৮ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৮৫৮ ৩৫ ১০১
৭৯ কাজাখস্তান ৭৬৪ ৬০
৮০ ক্যামেরুন ৭৩০ ১০ ৬০
৮২ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১১ ৬১৯
৮৩ স্লোভাকিয়া ৭০১ ২৩
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬৬৩ ৩০ ৩৭
৮৫ তিউনিশিয়া ৬৪৩ ২৫ ২৫
৮৬ বুলগেরিয়া ৬১৮ ২৪ ৪৮
৮৭ লাটভিয়া ৫৮৯ ১৬
৮৮ এনডোরা ৫৮৩ ২৫ ৫৮
৮৯ লেবানন ৫৮২ ১৯ ৬৭
৯০ উজবেকিস্তান ৫৮২ ৩৮
৯১ সাইপ্রাস ৫৬৪ ১০ ৫৩
৯২ কোস্টারিকা ৫৩৯ ৩০
৯৩ কিউবা ৫১৫ ১৫ ২৮
৯৪ আফগানিস্তান ৪৮৪ ১৫ ৩২
৯৫ ওমান ৪৫৭ ১০৯
৯৬ উরুগুয়ে ৪৫৬ ১৯২
৯৭ আইভরি কোস্ট ৪৪৪ ৫২
৯৮ বুর্কিনা ফাঁসো ৪৪৩ ২৪ ১৪৬
৯৯ আলবেনিয়া ৪০৯ ২৩ ১৬৫
১০০ তাইওয়ান ৩৮০ ৮০
১০১ জর্ডান ৩৭২ ১৬১
১০২ রিইউনিয়ন ৩৬২ ৪০
১০৩ চ্যানেল আইল্যান্ড ৩৬১ ৪০
১০৪ হন্ডুরাস ৩৪৩ ২৩
১০৫ নাইজার ৩৪২ ১১ ২৮
১০৬ মালটা ৩৩৭ ১৬
১০৭ সান ম্যারিনো ৩৩৩ ৩৪ ৪৯
১০৮ মরিশাস ৩১৪ ২৩
১০৯ ঘানা ৩১৩ ৩৪
১১০ কিরগিজস্তান ২৮০ ৩৫
১১১ নাইজেরিয়া ২৭৬ ৪৪
১১২ বলিভিয়া ২৬৪ ১৮
১১৩ ফিলিস্তিন ২৬৩ ৪৪
১১৪ ভিয়েতনাম ২৫৫ ১২৮
১১৫ মন্টিনিগ্রো ২৫২
১১৬ সেনেগাল ২৫০ ১২৩
১১৭ জর্জিয়া ২১৮ ৫১
১১৮ গিনি ১৯৪ ১১
১১৯ শ্রীলংকা ১৯০ ৪৯
১২০ আইল অফ ম্যান ১৯০ ৯২
১২১ ফারে আইল্যান্ড ১৮৪ ১৩৬
১২২ মায়োত্তে ১৮৪ ২২
১২৩ কেনিয়া ১৮৪ ১২
১২৪ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১৮০ ১৮
১২৫ ভেনেজুয়েলা ১৭১ ৮৪
১২৬ মার্টিনিক ১৫৪ ৫০
১২৭ গুয়াদেলৌপ ১৪১ ৪৩
১২৮ ব্রুনাই ১৩৫ ৯২
১২৯ জিবুতি ১৩৫ ২৫
১৩০ প্যারাগুয়ে ১২৪ ১৮
১৩১ জিব্রাল্টার ১২৩ ৬০
১৩২ কম্বোডিয়া ১১৯ ৬৩
১৩৩ রুয়ান্ডা ১১০
১৩৪ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১০৯
১৩৫ এল সালভাদর ১০৩ ১০
১৩৬ গুয়াতেমালা ৯৫ ১৭
১৩৭ মাদাগাস্কার ৯৩ ১১
১৩৮ মোনাকো ৮৪
১৩৯ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৮৩ ৪৩
১৪০ আরুবা ৮২ ২০
১৪১ লিচেনস্টেইন ৭৮ ৫৫
১৪২ মালি ৭৪ ২২
১৪৩ টোগো ৭৩ ২৪
১৪৪ জ্যামাইকা ৬৩ ১২
১৪৫ বার্বাডোস ৬৩
১৪৬ কঙ্গো ৬০
১৪৭ ইথিওপিয়া ৫৬
১৪৮ উগান্ডা ৫৩
১৪৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৫১
১৫০ ম্যাকাও ৪৫ ১০
১৫১ কেম্যান আইল্যান্ড ৪৫
১৫২ গ্যাবন ৪৪
১৫৩ সিন্ট মার্টেন ৪৩
১৫৪ বাহামা ৪০
১৫৫ জাম্বিয়া ৩৯ ২৪
১৫৬ বারমুডা ৩৯ ২৩
১৫৭ গায়ানা ৩৭
১৫৮ গিনি বিসাউ ৩৬
১৫৯ ইরিত্রিয়া ৩৩
১৬০ সেন্ট মার্টিন ৩২
১৬১ লাইবেরিয়া ৩১
১৬২ হাইতি ৩০
১৬৩ বেনিন ২৬
১৬৪ তানজানিয়া ২৫
১৬৫ লিবিয়া ২৪
১৬৬ মায়ানমার ২৩
১৬৭ মালদ্বীপ ১৯ ১৩
১৬৮ সিরিয়া ১৯
১৬৯ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৯
১৭০ অ্যাঙ্গোলা ১৯
১৭১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮
১৭২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৮
১৭৩ মোজাম্বিক ১৭
১৭৪ মঙ্গোলিয়া ১৬
১৭৫ নামিবিয়া ১৬
১৭৬ লাওস ১৬
১৭৭ ডোমিনিকা ১৫
১৭৮ সুদান ১৫
১৭৯ ফিজি ১৫
১৮০ সেন্ট লুসিয়া ১৪
১৮১ কিউরাসাও ১৪
১৮২ বতসোয়ানা ১৩
১৮৩ গ্রেনাডা ১২
১৮৪ ইসওয়াতিনি ১২
১৮৫ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১২
১৮৬ সোমালিয়া ১২
১৮৭ গ্রীনল্যাণ্ড ১১ ১১
১৮৮ সিসিলি ১১
১৮৯ জিম্বাবুয়ে ১১
১৯০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১১
১৯১ চাদ ১১
১৯২ সুরিনাম ১০
১৯৩ জান্ডাম (জাহাজ)
১৯৪ নেপাল
১৯৫ মন্টসেরাট
১৯৬ বেলিজ
১৯৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক
১৯৮ ভ্যাটিকান সিটি
১৯৯ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড
২০০ মালাউই
২০১ কেপ ভার্দে
২০২ মৌরিতানিয়া
২০৩ নিকারাগুয়া
২০৪ সিয়েরা লিওন
২০৫ সেন্ট বারথেলিমি
২০৬ ভুটান
২০৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড
২০৮ গাম্বিয়া
২০৯ পশ্চিম সাহারা
২১১ এ্যাঙ্গুইলা
২১২ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ
২১৩ বুরুন্ডি
২১৪ দক্ষিণ সুদান
২১৫ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১৬ পাপুয়া নিউ গিনি
২১৭ পূর্ব তিমুর
২১৮ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।