করোনাভাইরাস কি ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠছে?

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬:৪৮ পিএম, ৩০ এপ্রিল ২০২০

ড. মুশতাক ইবনে আয়ূব

পরিবর্তন কি সব সময় ভীতিকর? স্বভাবগতভাবে আমরা যেকোন পরিবর্তনের কথা শুনলে প্রথমেই ভড়কে যাই। কিন্তু পরিবর্তন প্রায়শই ভালো কিছুরও জন্ম দেয়। আমরা যখন কোন শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করি, তখন তার কিছু পরিবর্তন আমাদের জন্য কল্যাণকর হতে পারে। কল্পনা করুন, একজন সন্ত্রাসী অনেক মানুষকে হতাহত করছে তার হাতের বন্দুকের গুলিতে। যদি তাকে আমরা প্রতিঘাত করতে পারি এবং সেই আঘাতটি যদি তার মাথায়, হাতে বা পায়ে লাগে তাহলে তার ক্ষতি করার ক্ষমতা নিঃসন্দেহে কমবে।

আমাদের শরীরে যখন কোন জীবাণু প্রবেশ করে তখন রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার সাথে জড়িত উপাদানগুলো সেই জীবাণুটিকে প্রতিহত করার চেষ্টা করে। জীবাণুর বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই আমরা জিতে যাই। আপনি কল্পনা করুন বছরে কতদিন আপনি সুস্থ থাকেন, আর কতদিন অসুস্থ থাকেন? শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা যদি জিততে না পারতো, তাহলে আমরা একবছরের মধ্যে বহুবার মারা যেতাম। কিন্তু সেটা ঘটছে না। কারণ, জীবাণুর বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা জিতে যাচ্ছে। কখনো কখনো এই ব্যবস্থাকে সাহায্য করার জন্য আমরা ওষুধ-পথ্য খাই। যা আমাদের জয়কে তরান্বিত করে।

বর্তমানে নতুন করোনাভাইরাসের ভেতর শত শত পরিবর্তন হয়েছে বলে সর্বত্র আলোচনা এবং বেশিরভাগ সময়ই এমনভাবে বিষয়টা তুলে ধরা হচ্ছে যে, এই পরিবর্তন বুঝি ভাইরাসটিকে ‘সুপারবাগ’ বানিয়ে ফেলছে। আরো ধ্বংসাত্মক করে তুলছে।

আমাদের মনে রাখা দরকার, নতুন করোনাভাইরাসের বেশিরভাগ পরিবতর্নকেই বিজ্ঞানের ভাষায় বলা যেতে পারে নিউট্রাল ড্রিফট (neutral drift)। এর অর্থ এই পরিবর্তনগুলোর ফলে ভাইরাসের কার্যক্ষমতায় কোন পরিবর্তন পরিলক্ষিত হবে না।

দ্বিতীয়ত যেসব পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব থাকবে, তাদের সবগুলোই ভাইরাসের জন্য উপকারী হবে, তাকে মহাশক্তিশালী করে তুলবে এমনটা ভাবার কারণ নেই। পরিবর্তনটি কোথায় হচ্ছে সেটা দেখা দরকার। ইতোমধ্যেই গবেষণাগারে একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, ভাইরাসে একটি বিশেষ অবস্থানে পরিবর্তন এর সংক্রমণ ক্ষমতা ২৭০ গুণ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

corona-in

করোনাভাইরাসের জিনোম তথ্যে তিন শতাধিক পরিবর্তন পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এদের মধ্যে ধারাবাহিক তিনটি অবস্থানে পরিবর্তন হয়েছে এমন ভাইরাস পৃথিবীর যেসব অঞ্চলে কম মানুষ আক্রান্ত হয়েছে সেখানে বেশি পাওয়া যাচ্ছে। একটি গবেষণাপত্রে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

ভাইরাস যখন আমাদের শরীরে প্রবেশ করে, তাকে কিন্তু নানাভাবে প্রতিরোধের চেষ্টা করা হয়। সেই প্রতিরোধের কিছু আঘাত তাকে দুর্বল করবে। এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। সুতরাং নতুন করোনাভাইরাস কারো না কারো শরীরে গিয়ে আঘাত পাবেই এবং দুর্বল হবেই। যদিও তার ফলাফল দেখতে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। সেই অপেক্ষার কালটা কতটুকু হবে বিজ্ঞানীরা তা নিয়ে গবেষণা করছেন।

আমাদের আশাবাদী হওয়া দরকার। এই ভাইরাস অনন্তকালের জন্য আসেনি। অনন্তকাল থাকবেও না। সঠিক পরিকল্পনা নিতে পারলে আরও অনেক সফলভাবে এর মোকাবেলা করা যেত। এখনো যেতে পারে। পৃথিবীর অনেক দেশ সেটা করে দেখিয়েছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এই সফল ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করছে। অতীতের যেকোন সময়ের তুলনায় বিজ্ঞানের অগ্রগতি হয়েছে। এই যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের তথ্য-উপাত্ত জেনে আমরা সতর্ক হতে পারছি, ব্যবস্থা নিতে পারছি এটাও কিন্তু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিরই অবদান। সংক্রমণ শুরু হওয়ার পরপরই আমরা ব্যক্তিগত পর্যায়ে কী কী ব্যবস্থা নিতে পারি, সেটা সাবান ব্যবহার হোক কিংবা মাস্ক ব্যবহার- সবকিছুর ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা যথসম্ভব দ্রুততার সাথে তথ্য দিয়েছেন। ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তি পর্যায়ে এসব তথ্য আমরা অতীতের যেকোন সময়ের তুলনায় তাড়াতাড়ি হাতে পেয়েছি।

শুধু একটি বিষয় আমাদের মাথায় রাখতে হবে- প্রযুক্তি ভালো তথ্য যেমন সবার কাছে পৌঁছে দেয়, তেমনি ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যও ছড়িয়ে পড়তে পারে। একটি ভুল তথ্য আমাদের আতঙ্কিত করে তুলতে পারে। তাই যেকোন তথ্য বিশ্বাস করার আগে, শেয়ার করার আগে একটু দেখে নিতে হবে, একাধিক উৎস থেকে একটু যাচাই করলেই আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সুবিধাটুকু ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারবো।

নতুন করোনভাইরাস নিয়ে গবেষণা চলছে, আমরা আশাবাদী একটা সমাধান আমরা পাবো। অতীতের তুলনায় দ্রুততর সময়েই পাবো। তার আগ পর্যন্ত আমাদেরকে দেশের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে- এ ব্যাপারে সর্বোচ্চরকম চেষ্টা করতে হবে।

শেষ কথা হচ্ছে, পরিবর্তন শুনে আমরা যেন ভয় না পেয়ে যাই। পরিবর্তন হোক- ভাইরাসেরও হোক। কিছু পরিবর্তন তাকে দুর্বল করবে। আমরা অপেক্ষায় থাকি। আশাবাদী হই। আঁধার কাটবেই। কারণ, কোন দুযোর্গই চিরস্থায়ী নয়।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এসইউ/পিআর

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬২,৬২,৪২২
আক্রান্ত

৩,৭৩,৮৪৮
মৃত

২৮,৪৬,৪৭৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪৭,১৫৩ ৬৫০ ৯,৭৮১
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮,৩৭,১৭০ ১,০৬,১৯৫ ৫,৯৯,৮৬৭
ব্রাজিল ৫,১৪,৮৪৯ ২৯,৩১৪ ২,০৬,৫৫৫
রাশিয়া ৪,০৫,৮৪৩ ৪,৬৯৩ ১,৭১,৮৮৩
স্পেন ২,৮৬,৫০৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৭৪,৭৬২ ৩৮,৪৮৯ ৩৪৪
ইতালি ২,৩৩,০১৯ ৩৩,৪১৫ ১,৫৭,৫০৭
ভারত ১,৯০,৬০৯ ৫,৪০৮ ৯১,৮৫২
ফ্রান্স ১,৮৮,৮৮২ ২৮,৮০২ ৬৮,৩৫৫
১০ জার্মানি ১,৮৩,৪৯৪ ৮,৬০৫ ১,৬৫,২০০
১১ পেরু ১,৬৪,৪৭৬ ৪,৫০৬ ৬৭,২০৮
১২ তুরস্ক ১,৬৩,৯৪২ ৪,৫৪০ ১,২৭,৯৭৩
১৩ ইরান ১,৫১,৪৬৬ ৭,৭৯৭ ১,১৮,৮৪৮
১৪ চিলি ৯৯,৬৮৮ ১,০৫৪ ৪২,৭২৭
১৫ কানাডা ৯০,৯৪৭ ৭,২৯৫ ৪৮,৮৭৯
১৬ মেক্সিকো ৯০,৬৬৪ ৯,৯৩০ ৬৪,৩২৬
১৭ সৌদি আরব ৮৫,২৬১ ৫০৩ ৬২,৪৪২
১৮ চীন ৮৩,০১৭ ৪,৬৩৪ ৭৮,৩০৭
১৯ পাকিস্তান ৬৯,৪৯৬ ১,৪৮৩ ২৫,২৭১
২০ বেলজিয়াম ৫৮,৩৮১ ৯,৪৬৭ ১৫,৮৮৭
২১ কাতার ৫৬,৯১০ ৩৮ ৩০,২৯০
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৬,৪৪২ ৫,৯৫৬ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৪২,৫৫৬ ২৩৫ ১৮,৫১৪
২৪ ইকুয়েডর ৩৯,০৯৮ ৩,৩৫৮ ১৯,৫৯২
২৫ সুইডেন ৩৭,৫৪২ ৪,৩৯৫ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩৪,৮৮৪ ২৩ ২১,৬৯৯
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩৪,৫৫৭ ২৬৪ ১৭,৯৩২
২৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২,৬৮৩ ৬৮৩ ১৬,৮০৯
২৯ পর্তুগাল ৩২,৫০০ ১,৪১০ ১৯,৪০৯
৩০ সুইজারল্যান্ড ৩০,৮৬২ ১,৯২০ ২৮,৫০০
৩১ কলম্বিয়া ২৯,৩৮৩ ৯৩৯ ৮,৫৪৩
৩২ কুয়েত ২৭,০৪৩ ২১২ ১১,৩৮৬
৩৩ ইন্দোনেশিয়া ২৬,৪৭৩ ১,৬১৩ ৭,৩০৮
৩৪ আয়ারল্যান্ড ২৪,৯৯০ ১,৬৫২ ২২,০৮৯
৩৫ মিসর ২৪,৯৮৫ ৯৫৯ ৬,৮১০
৩৬ পোল্যান্ড ২৩,৭৮৬ ১,০৬৪ ১১,২৭১
৩৭ ইউক্রেন ২৩,৬৭২ ৭০৮ ৯,৫৩৮
৩৮ রোমানিয়া ১৯,২৫৭ ১,২৬৬ ১৩,২৫৬
৩৯ ফিলিপাইন ১৮,০৮৬ ৯৫৭ ৩,৯০৯
৪০ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৭,২৮৫ ৫০২ ১০,৫৫৯
৪১ ইসরায়েল ১৭,০৭১ ২৮৫ ১৪,৮১২
৪২ জাপান ১৬,৮৫১ ৮৯১ ১৪,৪৫৯
৪৩ আর্জেন্টিনা ১৬,৮৫১ ৫৩৯ ৫,৩৩৬
৪৪ অস্ট্রিয়া ১৬,৭৩১ ৬৬৮ ১৫,৫৯৩
৪৫ আফগানিস্তান ১৫,২০৫ ২৫৭ ১,৩২৮
৪৬ পানামা ১৩,৪৬৩ ৩৩৬ ৯,৫১৪
৪৭ ডেনমার্ক ১১,৬৬৯ ৫৭৪ ১০,৩৬২
৪৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,৪৬৮ ২৭০ ১০,৪০৫
৪৯ ওমান ১১,৪৩৭ ৪৯ ২,৬৮২
৫০ সার্বিয়া ১১,৪১২ ২৪৩ ৬,৬৯৮
৫১ বাহরাইন ১১,৩৯৮ ১৯ ৬,৬৭৩
৫২ কাজাখস্তান ১০,৮৫৮ ৪৮৯ ৫,৪০৪
৫৩ নাইজেরিয়া ১০,১৬২ ২৮৭ ৩,০০৭
৫৪ বলিভিয়া ৯,৫৯২ ৩১০ ৮৮৯
৫৫ আলজেরিয়া ৯,৩৯৪ ৬৫৩ ৫,৭৪৮
৫৬ আর্মেনিয়া ৯,২৮২ ১৩১ ৩,৩৮৬
৫৭ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,২৬৮ ৩২০ ৬,৫৫৮
৫৮ নরওয়ে ৮,৪৪০ ২৩৬ ৭,৭২৭
৫৯ মলদোভা ৮,২৫১ ২৯৫ ৪,৫৮১
৬০ ঘানা ৭,৮৮১ ৩৬ ২,৮৪১
৬১ মালয়েশিয়া ৭,৮১৯ ১১৫ ৬,৩৫৩
৬২ মরক্কো ৭,৮০৭ ২০৫ ৫,৪৫৯
৬৩ অস্ট্রেলিয়া ৭,১৯৫ ১০৩ ৬,৬১৪
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৮৫৯ ৩২০ ৫,৫০০
৬৫ ইরাক ৬,৪৩৯ ২০৫ ৩,১৫৬
৬৬ ক্যামেরুন ৫,৯০৪ ১৯১ ৩,৫৬৮
৬৭ আজারবাইজান ৫,৪৯৪ ৬৩ ৩,৪২৮
৬৮ হন্ডুরাস ৫,০৯৪ ২০১ ৫৩৬
৬৯ সুদান ৫,০২৬ ২৮৬ ১,৪২৩
৭০ গুয়াতেমালা ৪,৭৩৯ ১০২ ৭০৬
৭১ লুক্সেমবার্গ ৪,০১৮ ১১০ ৩,৮৩৩
৭২ তাজিকিস্তান ৩,৯৩০ ৪৭ ২,০০৪
৭৩ হাঙ্গেরি ৩,৮৭৬ ৫২৬ ২,১৪৭
৭৪ গিনি ৩,৭০৬ ২৩ ২,০৩০
৭৫ সেনেগাল ৩,৬৪৫ ৪২ ১,৮০১
৭৬ উজবেকিস্তান ৩,৬২৩ ১৫ ২,৮৩৭
৭৭ জিবুতি ৩,৩৫৪ ২৪ ১,৫০৪
৭৮ থাইল্যান্ড ৩,০৮১ ৫৭ ২,৯৬৩
৭৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৩,০৭০ ৭২ ৪৪৮
৮০ গ্রীস ২,৯১৭ ১৭৫ ১,৩৭৪
৮১ আইভরি কোস্ট ২,৮৩৩ ৩৩ ১,৪৩৫
৮২ গ্যাবন ২,৬৫৫ ১৭ ৭২২
৮৩ এল সালভাদর ২,৫১৭ ৪৬ ১,০৪০
৮৪ বুলগেরিয়া ২,৫১৩ ১৪০ ১,০৭৪
৮৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৫১০ ১৫৩ ১,৮৬২
৮৬ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৬ ১০৩ ২,০৭২
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,২২৬ ১৩৩ ১,৫৫২
৮৮ কিউবা ২,০৪৫ ৮৩ ১,৮০৯
৮৯ সোমালিয়া ১,৯৭৬ ৭৮ ৩৪৮
৯০ কেনিয়া ১,৯৬২ ৬৪ ৪৭৮
৯১ এস্তোনিয়া ১,৮৬৯ ৬৮ ১,৬২৪
৯২ হাইতি ১,৮৬৫ ৪১ ২৯
৯৩ আইসল্যান্ড ১,৮০৬ ১০ ১,৭৯৪
৯৪ মালদ্বীপ ১,৭৭৩ ৪৫৩
৯৫ কিরগিজস্তান ১,৭৪৮ ১৬ ১,১৭০
৯৬ মায়োত্তে ১,৬৯৯ ২১ ১,৩৮৫
৯৭ লিথুনিয়া ১,৬৭৫ ৭০ ১,২৩৬
৯৮ শ্রীলংকা ১,৬৩৩ ১০ ৮০১
৯৯ নেপাল ১,৫৭২ ২২০
১০০ স্লোভাকিয়া ১,৫২১ ২৮ ১,৩৬৬
১০১ ভেনেজুয়েলা ১,৫১০ ১৬ ৩০২
১০২ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২২ ১,৪৮১
১০৩ স্লোভেনিয়া ১,৪৭৩ ১০৮ ১,৩৫৮
১০৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,৩০৬ ১২ ২০০
১০৫ মালি ১,২৬৫ ৭৭ ৭১৬
১০৬ গিনি বিসাউ ১,২৫৬ ৪২
১০৭ লেবানন ১,২২০ ২৭ ৭১২
১০৮ ইথিওপিয়া ১,১৭২ ১১ ২০৯
১০৯ আলবেনিয়া ১,১৩৭ ৩৩ ৮৭২
১১০ হংকং ১,০৮৫ ১,০৩৭
১১১ তিউনিশিয়া ১,০৭৭ ৪৮ ৯৬০
১১২ লাটভিয়া ১,০৬৬ ২৪ ৭৪৫
১১৩ জাম্বিয়া ১,০৫৭ ৭৭৯
১১৪ কোস্টারিকা ১,০৫৬ ১০ ৬৬৯
১১৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১,০১১ ২৩
১১৬ দক্ষিণ সুদান ৯৯৪ ১০
১১৭ প্যারাগুয়ে ৯৮৬ ১১ ৪৭৭
১১৮ নাইজার ৯৫৮ ৬৪ ৮৩৯
১১৯ সাইপ্রাস ৯৪৪ ১৭ ৭৯০
১২০ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬৮৫
১২১ সিয়েরা লিওন ৮৬১ ৪৬ ৪৫৪
১২২ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৪৭ ৫৩ ৭২০
১২৩ জর্জিয়া ৭৮৩ ১২ ৬০৫
১২৪ চাদ ৭৭৮ ৬৫ ৪৯১
১২৫ মাদাগাস্কার ৭৭১ ১৬৮
১২৬ এনডোরা ৭৬৪ ৫১ ৬৯৪
১২৭ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২৮ জর্ডান ৭৩৯ ৫৮৬
১২৯ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১৩০ সান ম্যারিনো ৬৭১ ৪২ ৩৫৭
১৩১ মালটা ৬১৮ ৫৩৪
১৩২ কঙ্গো ৬১১ ২০ ১৭৯
১৩৩ জ্যামাইকা ৫৮৬ ৩১১
১৩৪ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৭২
১৩৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৬০ ৪৫ ৫২৮
১৩৬ মৌরিতানিয়া ৫৩০ ২৩ ২৭
১৩৭ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৪৯৯ ২০০
১৩৯ রিইউনিয়ন ৪৭১ ৪১১
১৪০ তাইওয়ান ৪৪২ ৪২৩
১৪১ টোগো ৪৪২ ১৩ ২১১
১৪২ কেপ ভার্দে ৪৩৫ ১৯৩
১৪৩ উগান্ডা ৪১৭ ৭২
১৪৪ রুয়ান্ডা ৩৭০ ২৫৬
১৪৫ বেনিন ৩৩৯ ১৪৩
১৪৬ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৯
১৪৭ মরিশাস ৩৩৫ ১০ ৩২২
১৪৮ ভিয়েতনাম ৩২৮ ২৭৯
১৪৯ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৫০ ইয়েমেন ৩২৩ ৮০ ১৪
১৫১ লাইবেরিয়া ২৮৮ ২৭ ১৫৭
১৫২ ইসওয়াতিনি ২৮৫ ১৮৯
১৫৩ মালাউই ২৮৪ ৪২
১৫৪ মোজাম্বিক ২৫৪ ৯১
১৫৫ মায়ানমার ২২৪ ১৩৮
১৫৬ মার্টিনিক ২০০ ১৪ ৯৮
১৫৭ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৮ মঙ্গোলিয়া ১৭৯ ৪৪
১৫৯ জিম্বাবুয়ে ১৭৮ ২৯
১৬০ জিব্রাল্টার ১৭০ ১৪৯
১৬১ গুয়াদেলৌপ ১৬২ ১৪ ১৩৮
১৬২ লিবিয়া ১৫৬ ৫২
১৬৩ গায়ানা ১৫৩ ১২ ৭০
১৬৪ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৮
১৬৫ কেম্যান আইল্যান্ড ১৪১ ৬৮
১৬৬ বারমুডা ১৪০ ৯২
১৬৭ কম্বোডিয়া ১২৫ ১২৩
১৬৮ সিরিয়া ১২২ ৪৬
১৬৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৭ ১০৮
১৭০ কমোরস ১০৬ ২৬
১৭১ বাহামা ১০২ ১১ ৪৮
১৭২ আরুবা ১০১ ৯৮
১৭৩ মোনাকো ৯৯ ৯০
১৭৪ বার্বাডোস ৯২ ৭৬
১৭৫ অ্যাঙ্গোলা ৮৬ ১৮
১৭৬ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৭ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৬০
১৭৮ বুরুন্ডি ৬৩ ৩৩
১৭৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৮০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮১ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮২ ভুটান ৪৩
১৮৩ সেন্ট মার্টিন ৪১ ৩৩
১৮৪ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৫ বতসোয়ানা ৩৫ ২০
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৬ ১৯
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২৬ ১৫
১৮৮ গাম্বিয়া ২৫ ২০
১৮৯ নামিবিয়া ২৪ ১৪
১৯০ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৯১ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯২ সুরিনাম ২৩
১৯৩ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৯ ১৮
১৯৪ কিউরাসাও ১৯ ১৪
১৯৫ লাওস ১৯ ১৬
১৯৬ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৭ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৮ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৯ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০১ গ্রীনল্যাণ্ড ১৩ ১১
২০২ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০৩ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৪ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১১
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।