বিশ্বের সবচেয়ে বড় দাঁত যার!

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৩১ পিএম, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১

বয়স মাত্র ১০ বছর লিউক বলটনের। এই বয়সেই নাম উঠালেন গিনেস বুক অব রেকর্ডসে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুধ দাঁতের রেকর্ড তার।

অনেকেই আছেন দুধ দাঁত স্মৃতি হিসেবে বাড়িতে রেখে দেন। আর বাঙালিদের মধ্যে ইঁদুরের গর্তে দাঁত দেওয়ার রীতি আছে। আমার দাঁত তুমি নাও, তোমার দাঁত আমায় দাও এই বলে গর্তে ফেলা হয়, যাতে ইঁদুরের মতো সূক্ষ্ম, তীক্ষ্ম ও ছোট ছোট দাঁত পাওয়া যায়।

এর বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি না থাকলেও গ্রাম বাংলায় আজও অনেকে এমন রীতি মেনে থাকেন। তবে কানাডার পিটারবুর্গের লিউক ইঁদুরের গর্তে দাঁত দেওয়া বা দাঁত রেখে দেওয়া নয়, দাঁতের সাহায্যে স্থান করে নিয়েছে গিনেস রেকর্ড।

গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে, নিজের নাম তুলতে সাহায্য করার জন্য নিজের দুধের দাঁতকেই ধন্যবাদ জানাচ্ছে লিউক। আর পাঁচটা শিশুর মতোই দুধের দাঁত পড়েছিল তার। তবে যখন ডাক্তার লিউকের দাঁতের আকার দেখেন, তখনই হতবাক হয়ে যান। অন্যান্যদের দাঁতের থেকে অনেক বড় লিউকের দাঁতটি।

যার মাপ ২.৬। আর সে কারণে তার নাম উঠেছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। তার এই দাঁতটি তোলেন চিকিৎসক ক্রিস ম্যাক আর্থার। লিউকের ৮ বছর বয়সে দাঁতটি তোলা হয়।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লিউক প্রথমে দাঁতটি রেখেছিল সবাইকে দেখানোর জন্য। তার বাবা ক্রেগ বলটন জানান, প্রথমে দেখে বিশ্বাস হয় না যে, এই দাঁতটা কারও মুখের ভেতর থাকতে পারে। আসলে ওর ওই দাঁতটা পরে ওঠা একটা দাঁতের পেছনে থেকে গিয়েছিল। তাই তুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দাঁত তোলার সময়ে লিউকের বোনের দাঁতটি দেখে মনে হয়েছিল এটি ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি করতে পারে। তারপরই তারা এটি রেখে দেন নিজেদের কাছে। গিনেসে আবেদন করার পর অবশেষে স্বীকৃতি আসে।

পুরো কাজ শেষ হতে ১২ সপ্তাহের বেশি সময় লেগেছে। ভিডিওতে প্রমাণ দিতে হয়েছে। ছোট একটা বায়োগ্রাফি দিতে হয়েছে। পরে সেখান থেকে রেকর্ডের বিষয়টি জানানো হয়।

রেকর্ড করার পর থেকে লিউক খুবই জনপ্রিয় নিজের স্কুলে। স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে বিষয়টি সকলের সামনে ঘোষণা করা হয়। সে জানিয়েছে, নতুন কোনো রেকর্ডের জন্য এবার চেষ্টা করবে।

এর আগে সবচেয়ে বড় দাঁতের রেকর্ড ছিল কলম্বাসের কার্টিস ব্যাডির। ২০১৯ সালে ২.৪ সেন্টিমিটার লম্বা দুধের দাঁত নিয়ে রেকর্ড করেছিল কার্টিস ব্যাডি।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড রেকর্ড একাডেমি

কেএসকে/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]