ল্যাংট্যাং গ্রামটি এখন ভৌতিক


প্রকাশিত: ০৬:২৪ এএম, ০৫ মে ২০১৫

হিমালয়ের পাদদেশে যে গ্রামগুলো রয়েছে সেগুলোর মধ্যে সুন্দরতমগুলোর একটি বলে মনে করা হতো ল্যাংট্যাংকে। কিন্তু, গ্রামটি এখন বর্ণনাতীত এক ভৌতিক চেহারার রূপ পেয়েছে। বিবিসির সংবাদদাতা জাস্টিন রোল্যাট গ্রামটিতে পৌঁছান একটি হেলিকপ্টারে চড়ে। তিনিই গ্রামটিতে পৌঁছানো প্রথম কোনো সাংবাদিক।

গ্রামটিতে মোট ৪৩৫ জন মানুষের বসতি ছিল। কিন্তু এখন সেখানে কার্যত কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। বিশ্বাস করা কঠিন, গ্রামের ৫৫টির মতো হোটেল ও অতিথিশালাসহ সব ঘরবাড়ি পাহাড় থেকে নেমে আসা বরফ আর পাথরের নিচে একেবারেই চাপা পড়ে গেছে। শুধু একটি মাত্র ঘর টিকে আছে।

ভূমিকম্পের আগে ল্যাংট্যাং ছিল নেপালের সুন্দরতম গ্রামগুলোর একটি। সংবাদদাতা দেখতে পান, উদ্ধার-কর্মীরা মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে এসে এক জায়গায় জড়ো করছেন। তারা মৃতদেহগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করছেন, একপাশে রাখছেন গ্রামবাসীদের মৃতদেহ, আরেক পাশে বিদেশিদের।

তখন পর্যন্ত গ্রামবাসীদের ৫২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে চারজন বিদেশি। সংবাদদাতার সামনেই উদ্ধারকর্মীরা আরেকটি মৃতদেহ উদ্ধার করেন ধ্বংসস্তূপ থেকে।

একজন তরুণী পর্যটকের মৃতদেহ। ধারণা করা হচ্ছে গ্রামটিতে তিনশ’র বেশি মানুষ মারা গেছেন। এদের অর্ধেকই বিদেশি পর্যটক। উদ্ধারকারী দলটি বলছিলেন, সবগুলো মৃতদেহ উদ্ধার করে আনতে কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে।

বিএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।