আবদুল বাসেত ও নূরজাহান বেগমের প্রয়াণ

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:১৭ এএম, ২৩ মে ২০২২

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই মানুষ এগোয় ভবিষ্যৎ পানে। ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে।

২৩ মে ২০২২, সোমবার। ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ।

ঘটনা
১২৯৩- জাপানের কামাকুরাতে ভূমিকম্পে ত্রিশ হাজার লোকের মৃত্যু হয়।
১৬০৯- শেক্সপিয়ারের সনেট প্রথম প্রকাশিত হয় লন্ডনে।
১৮১৮- প্রথম বাংলা সংবাদপত্র সমাচার দর্পণ আজকের দিনে প্রথম প্রকাশিত হয়। সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান।
১৯৮৩- এইচআইভি ভাইরাস সম্পর্কে প্রথম প্রকাশিত হয় সায়েন্স ম্যাগাজিনে।
১৯৮৬- পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।

জন্ম
১৭০৭- প্রখ্যাত সুয়েডীয় উদ্ভিদবিজ্ঞানী, চিকিৎসক ও প্রাণিবিজ্ঞানী কার্ল লিনিয়াস।
১৮৮৩- মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার ডগলাস ফেয়ারব্যাঙ্কস।
১৮৯৪- ভারতে ফলিত গণিতের জনক বাঙালি বিজ্ঞানী নিখিলরঞ্জন সেন।
১৯২২- প্রখ্যাত বাঙালি ইতিহাসবিদ রণজিত গুহ।

মৃত্যু
১৯৩০- প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালী প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
১৯৭১- ভারতীয় বাঙালি সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও অভিনেতা গঙ্গাপদ বসু।
১৯৯১- স্বদেশী ও খিলাফত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রভাস রায়।

২০০২- বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী এবং চারুকলা বিষয়ের শিক্ষক কাজী আবদুল বাসেত। ১৯৩৫ সালের ৪ ডিসেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। কর্মজীবন শুরু করেছিলেন ঢাকার নবাবপুর সরকারি হাইস্কুলে ড্রয়িং-শিক্ষক হিসেবে। এরপর ঢাকা সরকারি আর্ট ইনস্টিটিউটে লেকচারার পদে যোগদান করেন। তিনি মূর্ত ও বিমূর্ত দু-ধারায়ই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তিনি তার নিরীক্ষামূলক ‘ফিশ ওম্যান’ শীর্ষক চিত্রকর্মের জন্য প্রসিদ্ধ। চারুকলায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৯১ সালে একুশে পদকে ভূষিত করে।

২০১৬- বাংলাদেশের নারী সাংবাদিকতার অগ্রদূত ও সাহিত্যিক নূরজাহান বেগম। ১৯২৫ সালের ৪ জুন চাঁদপুর জেলার চালিতাতলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তিনি ভারত উপমহাদেশের প্রথম নারী সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘বেগম’ পত্রিকার সূচনালগ্ন থেকে এর সম্পাদনার কাজে জড়িত ছিলেন এবং ছয় দশক ধরে বেগম পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার ডাক নাম ছিল নূরী। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার থেকে রোকেয়া পদক পান তিনি। ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

কেএসকে/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]