সুদানের হাসপাতালে আরএসএফের বোমা হামলায় নিহত ২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৩০ এএম, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছবি: আনাদোলু এজেন্সি

সুদানের দক্ষিণ কুরদোফান রাজ্যের একটি সামরিক হাসপাতালে র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর বোমা হামলায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন চিকিৎসাকর্মী রয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বিবৃতিতে সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে আল-কুওয়েইক সামরিক হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর এবং আরও তিনজন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন।

হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসাকর্মীদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো একটি যুদ্ধাপরাধ। এটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও বেসামরিক নাগরিক ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষা নিশ্চিতকারী আন্তর্জাতিক সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দক্ষিণ কুরদোফানজুড়ে ধারাবাহিক হামলার অংশ হিসেবে এ আঘাত হানা হয়েছে, যার ফলে একাধিক হাসপাতাল কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এতে করে মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য অবশিষ্ট স্বাস্থ্যসেবাও মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

এ হামলার জন্য আরএসএফ এর বিরুদ্ধে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আরএসএফের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সুদানের মোট ১৮টি রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের দারফুর অঞ্চলের পাঁচটি রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ আরএসএফের হাতে রয়েছে। তবে উত্তর দারফুরের কিছু অংশ এখনও সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। দেশের দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের বাকি ১৩টি রাজ্যের অধিকাংশ এলাকা-রাজধানী খার্তুমসহ-সুদান সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে সুদান সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যা দেশটিকে ভয়াবহ মানবিক সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কে এম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।