লন্ডনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশন যথাযথ মর্যাদায় ৪৫তম স্বাধীনতা এবং জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে। এ উপলক্ষে ২৬ মার্চ সকালে বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রাঙ্গণে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন হাইকমিশনার মো. আব্দুল হান্নান।
পরে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। লন্ডন হাইকমিশন থেকে শনিবার প্রাপ্ত এক বার্তায় এ কথা বলা হয়।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে হাইকমিশন ২৬ মার্চ সন্ধ্যায় লন্ডনের কেনসিংটন টাউন হলে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। হাইকমিশনার আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানান। প্রায় আটশ’ আমন্ত্রিত অতিথির উপস্থিতিতে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
হাইকমিশনার তার বক্তব্যের শুরুতে হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানকে স্মরণ করেন। তিনি স্মরণ করেন, দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত প্রত্যেক পুরুষ ও নারীকে যারা বাংলাদেশের জন্যে ১৯৭১ সালে চরম আত্মত্যাগ করেছিলেন।
তিনি মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশি ও বিদেশি বন্ধুদের অনন্য ভূমিকার কথা বিশেষভাবে স্মরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক, ধর্ম নিরপেক্ষ, সুখী ও সমৃদ্ধিশালী ডিজিটাল সোনার বাংলা বাস্তবায়নে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে ভূমিকা পালন করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও অন্যান্য সংগঠনের নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধি, স্থানীয় ব্রিটিশ-বাংলাদেশি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংবাদিকসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিগণ এই সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়।
এর আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ অপরাহ্নে ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে এক বিশেষ প্রার্থণাসভার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের জনগণ ও নেতৃবৃন্দের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করে সেখানে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। হাইকমিশনার, দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিগণ প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করেন।
বিএ/এমএস