আসলাম চৌধুরী-সারোয়ার আলমগীর প্রার্থিতার বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৫ মে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৩৬ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
আসলাম চৌধুরী-সারোয়ার আলমগীর/ফাইল ছবি

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে করা পৃথক আপিল শুনানির জন্য আগামী ৫ মে দিন ঠিক করা হয়েছে। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নিয়মিত ও পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে করা আবেদন শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার জজ আদালত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এই আদেশ দেন।

আদালতে এদিন আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মো. ফারুক।

সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী নো. আহসানুল করিম। আপিলকারীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী রোকেয়া আক্তার।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মো. ফারুক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-২ আসনে সারোয়ার আলমগীর অংশ নেন। তবে নির্বাচনে তাদের ফলাফল প্রকাশ আদালতের সিদ্ধান্তে স্থগিত রয়েছে।

নির্বাচনের আগে হাইকোর্টের আদেশে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকে। হাইকোর্টে রিট করে প্রার্থিতা ফিরে পান চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর।

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী। সারোয়ার আলমগীর প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে তারা এ আবেদন করেন।

জামায়াতের ওই দুই প্রার্থীর করা পৃথক লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। পৃথক আদেশে বলা হয়, যদি তারা (আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীর) নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সফল হয়ে থাকেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ (যতটুকু প্রার্থী হিসেবে তাদের জন্য প্রযোজ্য) এ–সংক্রান্ত আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

লিভ টু আপিল মঞ্জুর হওয়ার পর জামায়াতের ওই দুই প্রার্থী গত ৩১ মার্চ পৃথক আপিল করেন। আপিল দুটি মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতের শুনানির জন্য ওঠে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। সংসদ সদস্যদের শপথ গত ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। তবে আদালতের আদেশে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়নি। তবে এই দুই আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের চেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

এফএইচ/জেএইচ

 

 

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।