বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের পক্ষে লড়লেন ড. কামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২৭ পিএম, ১৯ আগস্ট ২০১৮
ফাইল ছবি

পুলিশের কর্তব্যে বাধা ও ভাঙচুরের মামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ ছাত্রের পক্ষে জামিন শুনানি করেন গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন।

রোববার (১৯ আগস্ট) ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বাড্ডা ও ভাটারা থানার দুই মামলায় ১৬ ছাত্রের জামিন শুনানি করেন তিনি। শুনানি শেষে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
শুনানিতে ডা. কামাল বলেন, গ্রেফতার ছাত্রের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। মামলার এজাহারেও তাদের নাম নেই। সন্দেহজনকভাবে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

ডা.কামালকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, জায়েদুর রহমান প্রমুখ আইনজীবী।

ডা. কামালের শুনানিতে জামিন পাওয়া বাড্ডার মামলায় ১০ ছাত্র হলেন- রেদোয়ান আহমেদ, রাশেদুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, ইফতেখার আহম্মেদ, রেজা রিফাত আখলাক, এএইচএম খালিদ রেজা, তারিকুল ইসলাম, নূর মোহাম্মাদ, জাহিদুল হক ও হাসান।

ভাটারা থানার মামলায় ছাত্ররা হলেন- আজিজুল করিম, মাসাদ মরতুজা বিন আহাদ, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান, মেহেদী হাসান, শিহাব শাহরিয়ার ও সাখাওয়াত হোসেন।

৪০ ছাত্রের জামিন
রাজধানীতে বাস চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়কে দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পুলিশের কর্তব্যে বাধা ও ভাঙচুরের মামলায় ৪০ ছাত্রের জামিন দিয়েছেন আদালত। রোববার পৃথক আট থানার মামলায় তাদের জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত। এ ছাড়া উত্তরা পশ্চিম থানায় দুই কিশোরের জামিন মঞ্জুর করেন ঢাকার শিশু আদালত।

রোববার সকালে এসব মামলায় তাদের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। তাদের মধ্যে ১২ জনকে বাড্ডা, ৯ জন ধানমন্ডি ও ছয় জন ভাটারা থানার মামলায় জামিন পেয়েছেন। এ ছাড়া রমনা, নিউ মার্কেট, উত্তরা পশ্চিম ও কোতয়ালী থানায় তিন জন করে ১২ জনের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। অপরদিকে রাজধানীর পল্টন থানায় করা মামলায় আরেক জনের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

গত ২৯ জুলাই রাজধানীতে বাস চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এরপর নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে কার্যত অচল হয়ে পড়ে ঢাকা। ওই আন্দোলনের এক পর্যায়ে এতে জড়িয়ে পড়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শহীদ রমিজ উদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের ঘটনায় গড়ে ওঠা ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনে সহিংস ঘটনা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানির প্রেক্ষিতে বিভিন্ন থানায় মোট ৫১টি মামলা হয়। এসব মামলায় ৯৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।এদের মধ্যে ৫২ জন শিক্ষর্থী।

জেএ/এএইচ/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :