রিজেন্ট এমডি মিজানের দায় স্বীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:৩৮ পিএম, ০৫ আগস্ট ২০২০
ফাইল ছবি

মেট্রোরেল প্রকল্পে কর্মরত ৭৬ শ্রমিকের ভুয়া করোনা রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগের দায় স্বীকার করেছেন রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা শাখার ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) মিজানুর রহমান। বুধবার (৫ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লার আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এদিন ১০ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। তিনি স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২৫ জুলাই তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক ইয়াদুর রহমান। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলাম ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন ভোরে গোপালগঞ্জের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। মেট্রোরেল প্রকল্পে কর্মরত ৭৬ কর্মীকে ভুয়া করোনা রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে ২০ জুলাই রাতে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ করিমসহ হাসপাতালের কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মেট্রোরেলের একটি সাব-কন্ট্রাক্টর প্রতিষ্ঠানের পক্ষে রেজাউল করীম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মেট্রোরেলে কর্মরত ৭৬ কর্মীর করোনার পরীক্ষা করা হয় রিজেন্ট হাসপাতালে। এজন্য পরীক্ষাপ্রতি সাড়ে তিন হাজার করে টাকা নেয়া হয়। কিন্তু টেস্ট না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ায় কর্মীদের মধ্যে করোনার সংক্রমণ বেড়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা শাখায় অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানে র‌্যাব প্রমাণ পায়, রিজেন্টে করোনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়া হতো। এজন্য হাসপাতালটির মিরপুরের শাখাসহ উত্তরা শাখা সিলগালা করে দেয়া হয়।

প্রতারণার ওই ঘটনায় হাসপাতালটির চেয়ারম্যান সাহেদ করিমসহ ১৭ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। মামলার প্রধান আসামি সাহেদকে ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

জেএ/এমএআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।