বাড়ছে মামলা, বাড়েনি বিচারক

মুহাম্মদ ফজলুল হক
মুহাম্মদ ফজলুল হক মুহাম্মদ ফজলুল হক , জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫৭ এএম, ১৯ আগস্ট ২০২০

অডিও শুনুন

>> দেশে বিচারাধীন ৩৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৮ মামলা
>> আপিল বিভাগে বিচারকপ্রতি মামলা ৩৯৩৬টি
>> বিচারকপ্রতি ৫০৪১টি মামলা হাইকোর্ট বিভাগে
>> অধস্তন আদালতে বিচারকপ্রতি ১৭৫০টি মামলা

গত এক দশকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট থেকে অধস্তন সব আদালতে মামলার সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি বিচারকের সংখ্যা। এই সময়ে সর্বোচ্চ আদালতে বিচারকের সংখ্যা যা ছিল, তুলনামূলকভাবে তা আরও কমেছে। ২০১০ সালে আপিল বিভাগে ১১ জন বিচারপতি ছিলেন, এখন আছেন মাত্র ছয়জন। হাইকোর্ট বিভাগে বিচারক ছিলেন ১০২ জন, বর্তমানে আছেন ৯৭ জন।

তবে অধস্তন আদালতে (জেলা ও দায়রা জজ আদালত, মহানগর দায়রা জজ আদালত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত) বিচারকের সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে আছেন এক হাজার ৮১২ জন। আগে ছিলেন এক হাজার ৬০০ জন বিচারক।

সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে বিচারাধীন মোট মামলার সংখ্যা ৩৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৮টি। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন আছে ২৩ হাজার ৬১৭টি। হাইকোর্ট বিভাগে রয়েছে চার লাখ ৮৯ হাজার ৬৮টি মামলা। অধস্তন আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৩১ লাখ ৭২ হাজার ৪৩টি।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, আপিল বিভাগে বিচারকপ্রতি রয়েছে তিন হাজার ৯৩৬টি মামলা এবং হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকপ্রতি রয়েছে পাঁচ হাজার ৪১টি মামলা। অধস্তন আদালতে বিচারকপ্রতি এক হাজার ৭৫০টি মামলা আছে। ২০১৪ সালে আইন কমিশন অধস্তন আদালতের জন্য তিন হাজার বিচারক নিয়োগের সুপারিশ করলেও তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা মহামারির মধ্যেও বিভিন্ন ধরনে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। ফলে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াও চলমান। করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় গত ২৫ মার্চ থেকে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে বিচারাধীন ও পুরোনো মামলা নিষ্পত্তি না হলেও যোগ হয়েছে নতুন নতুন মামলা।

তারা বলছেন, বিপুল সংখ্যক মামলার জট কমাতে বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো, এজলাসের সঙ্কট দূর করা, মামলা দায়েরের পদ্ধতি পরিবর্তন, জমিজমার রেকর্ড ও সংরক্ষণ সঠিকভাবে করা, অপ্রয়োজনীয় মামলা বাতিল, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) বাস্তবায়ন, আদালতের ছুটি কমানো এবং কর্মঘণ্টা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

justice

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে বিচারকের সংখ্যা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম। ফলে মামলা বাড়ছে এবং ন্যায়বিচার বিলম্বিত হচ্ছে। তাই মামলার সংখ্যা হ্রাসে উচ্চ ও নিম্ন আদালতে বিচারক নিয়োগ এবং ছুটি কমিয়ে আদালতের কর্মঘণ্টা বাড়ানো যেতে পারে।

বিদ্যমান মামলার জট কমানোর আশাবাদ ব্যক্ত করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বছরের (২০২০ সাল) প্রথম দিন বলেছিলেন, এই বছরের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয় লাখ মামলা নিষ্পত্তি হবে। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআর আরও জোরদার করা হবে। বিষয়টি এখনও জনগণের কাছে তেমনভাবে পরিচিত নয়। সেই ক্ষেত্রে যেসব ফৌজদারি মামলা আপসযোগ্য, সেগুলো কোর্টের বাইরে মীমাংসা হতে পারে।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ এ প্রসঙ্গে জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা সবাই বলি, সরকারও বলেন যে, মামলার জট। কিন্তু কেন এই জট, সেটা রোধের উপায় খুঁজি না। এজন্য সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনাও আমাদের নাই।’

‘মামলা হয় দুই কারণে। একটা হলো- অপরাধের কারণে, আরেকটি হলো- প্রশাসনের কোনো অনিয়মের কারণে। অপরাধ বাড়ছে, সেজন্য মামলাও বাড়ছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য মানুষকে যে লেসন (শিক্ষা) দেয়া দরকার; মামলা, সাক্ষী ও বিচার প্রক্রিয়া— এসব বিষয়ে শিক্ষা পেলে অপরাধ এমনিতেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেখা যায়, অপরাধ সংঘটনের পর বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি হয় না। আবার বিচার কবে হবে, তারও কোনো নিশ্চয়তা নাই। বিচারের নিশ্চয়তা না থাকায় অপরাধ বাড়ছে। আর প্রশাসনিক কারণে যে মামলাগুলো হয়, সেখানেও অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসন সঠিক পদক্ষেপ নেয় না। ফলে মামলার সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ মামলা বাড়ার কারণ হলো এই দুটা। এক্ষেত্রে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নাই, তাই মামলা বাড়ছেই।’

মনজিল মোরসেদের মতে, ‘দেশের আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়াগুলো বিচার দীর্ঘসূত্রতার প্রধান কারণ। এসব বিষয়ে এর আগে সাবেক প্রধান বিচারপতির (এস কে সিনহা) সঙ্গে প্রশাসন অর্থাৎ আইন মন্ত্রণালয়ের জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেটার পেছনে অবশ্য যৌক্তিক কারণও ছিল, এই যে অধস্তন আদালতে সকালে একজন বিচারক বসেন, আবার বিকেলে বসেন আরেকজন। তার মানে, আদালতে জায়গার সংকুলান নাই। যেখানে বসে বিচারক বিচার করবেন সেই জায়গাও পর্যাপ্ত নাই। অর্থাৎ আমাদের জায়গা বাড়ানো দরকার। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্টও প্রয়োজন।’

“বিচারক আদেশ দেবেন, টাইপ করতে হবে, পেশকার-পেয়াদা লাগবে। আদেশ কমিউনিকেট করতে হবে। এগুলোর জন্য যে লোকবল লাগবে তাও পরিপূর্ণভাবে নাই। বিচারকের সংখ্যা অবশ্যই বাড়াতে হবে। কারণ, দেশের জনসংখ্যা বাড়ছে, মামলাও বাড়ছে। মামলা যখন বাড়ছে তখন বিচারকের সংখ্যাও বাড়াতে হবে। কিন্তু সেটা বাড়ছে না। যদিও কোর্টের কর্মচারী ও বিচারকের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য বলা হয়েছে কিন্তু সেই ফাইল তো নড়ছে না।”

justice

মানবিক এই আইনজীবী আরও বলেন, “অধস্তন আদালতে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর সেই মামলা হাইকোর্টে আসে, অতঃপর আপিল বিভাগে। ফলে উচ্চ আদালতে মামলার সংখ্যাও বাড়ছে। কিন্তু উচ্চ আদালতে সেই তুলনায় বিচারকের সংখ্যা বাড়েনি। সুপ্রিম কোর্টে বিচারকের সংখ্যা ২০১০ সালে যা ছিল এখন কিন্তু সেই তুলনায় আরও কমেছে। যেখানে বিচারকের সংখ্যা কয়েকগুণ বাড়ানো দরকার, সেখানে কমছে। তা হলে আমরা যে মুখে মুখে স্লোগান দেই ‘মামলাজট’, ‘মামলা জট’— এটা আসলে কার ওপরে বর্তায়?”

‘এ দায় কিন্তু বিচারাঙ্গনের ওপর আসে না। বিচারাঙ্গনকে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তিতে যে শক্তি অর্থাৎ বিচারাঙ্গনকে আরও কার্যকর করতে যে উপকরণটি দেয়া প্রয়োজন সরকার সেটি দিচ্ছে না, ফলে মামলার জট বাড়ছে। অতএব এর সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব সরকারের। মূলত সরকারই মামলার জট কমাতে সচেষ্ট নয়।’

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এম. সানাউল হক জাগো নিউজকে বলেন, “দেশের জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়গুলো যদি সরকার দ্রুত ডিজিটালাইজড করে এবং মিডিয়েশন-টা (মধ্যস্থতা) যদি সহজ করে দেয়, তা হলে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মারামারি, খুনাখুনি ও মামলা কমে যাবে। অনেকগুলো মোমেন্ট (মুহূর্ত) আছে, হঠাৎ কোনো মারামারির ঘটনা ঘটলো, দুপক্ষই মামলা করলো; এখানে বিদ্যমান যে সিস্টেমটা আছে ‘উইথ দ্য কনসার্ন অব দ্য কোর্ট’ (ঘটনার বিষয়ে আদালতের সংশ্লিষ্টতা), সেটাকে আরও ইজি-আপ (সহজ) করে দিলে অনেক মামলা কমে যাবে।”

তিনি বলেন, ‘আসামির জামিনের বিষয়ে আদালত যদি আরও লিবারেল (উদার) হয়, যে আসামি পালিয়ে যেতে পারে বা সাক্ষীকে ভয়ভীতি দেখাতে পারে, সাক্ষ্যপ্রমাণ ধ্বংস করার সম্ভাবনা আছে, তারা ব্যতীত; সুপ্রিম কোর্টের নীতিমালা ও বিধি অনুযায়ী আসামির জামিন দেয়া যেতে পারে।’

“জামিনের যে প্রক্রিয়া, সেটা কিন্তু পুলিশ থেকে শুরু করে উচ্চ আদালত পর্যন্ত একই। সেখানে জামিনের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা আছে। সেই নীতিমালা ফলো (অনুসরণ) করে জামিন দিলেও মামলার চাপ কমে যায়। সবচেয়ে বড় কথা হলো, উভয়পক্ষের আইনজীবীরা চাইলে মামলার সংখ্যা কমাতে পারেন। সময় চেয়ে চেয়ে তারিখ নেয়া বাদ দিতে হবে। এছাড়া চার্জশিট রিপোর্টে (অভিযোগপত্র প্রতিবেদন) যে সিভি লেখা হয় সেটারও প্রয়োজন নাই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মামলা শেষ করা হয়।”

জাপানের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘একটি ফরমে মামলার বিবরণ, সাক্ষী, আসামি, ধারা এবং অপরাধের বিবরণ— সবই শেষ করা হয় জাপানে। আমাদের দেশে তিনবার তিনজনের কাছ থেকে সাক্ষ্য নেয়ার (আইও, তদারককারী অফিসার আবার কোর্টে) কারণেও মামলার দীর্ঘসূত্রতা পরিলক্ষিত হয়। সাক্ষীও আসতে চায় না। সেজন্য একবার সাক্ষ্যগ্রহণের ব্যবস্থা করলে মামলার জট কমবে।’

সুপ্রিম কোর্ট থেকে অধস্তন, সকল আদালতে বিচারকের সংখ্যা কম উল্লেখ করে এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘বিচারক কে, কয়টা মামলা নিষ্পত্তি করলো, এর একটা হিসাবও থাকা দরকার। এছাড়া রাজনৈতিক বিবেচনায় পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ না দেয়ার পক্ষপাতি আমি। এখানে একটা পাবলিক প্রসিকিউটর সার্ভিস হওয়া উচিত, যেখানে পদোন্নতি, জবাবদিহিতা থাকবে এবং সবার কাজের মূল্যায়ন হবে। যেটা জুডিশিয়ারির পার্ট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে।’

justice

এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক জাগো নিউজকে বলেন, ‘দ্রুত আরও বেশি বিচারক নিয়োগ দেয়াটা জরুরি। কারণ একজন বিচারকের কাছে কয়েক হাজার মামলা বিচারাধীন। এছাড়া দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করতে না পারায় মামলার সংখ্যাও বাড়ছে।’

‘মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ দ্রুত হওয়া, বিশেষ করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার (আইও) হুটহাট বদলি রোধ করা প্রয়োজন। আবার নিম্ন আদালতে চলছে এমন মামলার বিচারিক কার্যক্রমের ওপর হাইকোর্ট থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসা, পরবর্তীতে সেটি আপিল বিভাগ হয়ে আবার নিম্ন আদালতে ফিরে আসা অর্থাৎ বিচার প্রক্রিয়ার এই যে দীর্ঘসূত্রতা, তা বন্ধ করতে হবে। এছাড়া মামলার জট কমানোর জন্য ই-জুডিশিয়ারি সিস্টেম চালু করে বিচারকদের সঙ্গে সঙ্গে আইনজীবীদেরও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে দিনের মামলা দিনে শেষ করা যায়। এমন হলে মামলার জট কমবে। একইসঙ্গে মামলা নিষ্পত্তিতে মনিটরিং সিস্টেমও কার্যকর করা দরকার।’

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ শিশির মনির জাগো নিউজকে বলেন, “মামলার জট কমাতে প্রথমত, বিচার বিভাগকে শাসন বিভাগ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, মামলার ফাইলিং সিস্টেম এবং মামলা পরিচালনার সিস্টেম অর্থাৎ একটা মামলা থেকে পাঁচটা মামলার উদ্ভব— এমন সিস্টেমের পরিবর্তন আনা দরকার। তৃতীয়ত, জমিজমা সংক্রান্ত (সিভিল মামলা) যত মামলা দায়ের হয়, এগুলোর মূল কারণ হলো- জমিজমার রেকর্ডপত্র, ফাইলপত্র এবং তা সংরক্ষণের কোনো সুব্যবস্থা না থাকা। একই জমির মালিকানা দাবি করেন পাঁচজন, ফলে একটা জমি থেকে চার/পাঁচটা মামলা হয়। এ মামলাগুলো কিন্তু শেষ হয় না, চলতে থাকে বছরের পর বছর।”

তিনি বলেন, ‘আমাদের ল্যান্ড রেকর্ড সিস্টেমটা এতো পুরোনো আমলের যে, জমির খতিয়ান, দাগ নম্বর খুঁজে পাওয়াটাই কঠিন। এ সংক্রান্ত প্রায় ছয় লাখের বেশি মামলা ঝুলে আছে। তাই সিস্টেমের পরিবর্তন আনা জরুরি।’

‘আরও একটি বিষয় আছে। অধস্তন আদালতের বিচার কার্যক্রম শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টায়। শেষ হয় বিকাল ৪টায়। মাঝখানে এক ঘণ্টার বিরতি (দুপুর ১টা থেকে ২টা)। এই সময়টাও কার্যকরভাবে পালন করা হয় না। ফলে বিচার সম্পন্ন হতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়, বেড়ে যায় মামলার জট। সর্বশেষ হাইকোর্টের কথা যদি বলতে হয়, এখানে দক্ষতা দেখে বিচারক নিয়োগ দেয়া প্রয়োজন। রাজনৈতিক পরিচয় দেখে নয়। তা হলে-ই এই পাহাড়সম মামলার জট কমিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব।’

মামলার জট কমিয়ে আনা প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘দক্ষ বিচারক নিয়োগ না দেয়া, স্থান সংকুলান না হওয়াসহ বিভিন্ন কারণে মামলার জট বাড়ছে। এই জট কমাতে এবং বিচার কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তিতে একটি মামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এর গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট ও জেলা জজ আদালতে কেস ম্যানেজমেন্ট (মামলার ব্যবস্থাপনা) পদ্ধতি চালু করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে বাড়াতে হবে বিচারকের সংখ্যা, তা হলেই কমতে পারে এই জট।’

এফএইচ/এমএআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬২,৩৫,৯৬,১২৮
আক্রান্ত

৬৫,৫১,১০৮
মৃত

৬০,৩৬,২১,৯৮০
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ২০,২৬,৯০৮ ২৯,৩৭১ ১৯,৬৬,৬৪৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৯,৮২,৫৪,৬৫৯ ১০,৮৪,৮৯৩ ৯,৫১,৮৮,৩৮৮
ভারত ৪,৪৫,৯৭,৪৯৮ ৫,২৮,৭০১ ৪,৪০,৩২,৬৭১
ফ্রান্স ৩,৫৪,৭৫,২৬০ ১,৫৫,১১২ ৩,৪৫,৬৭,৫৯৯
ব্রাজিল ৩,৪৭,২১,২২৮ ৬,৮৬,৩৬৬ ৩,৩৮,৫৩,৬৯৩
জার্মানি ৩,৩৩,৮৬,২২৯ ১,৫০,০৬৪ ৩,২৩,৮২,৯০০
দক্ষিণ কোরিয়া ২,৪৮,৩১,৭৬১ ২৮,৫০৯ ২,৪২,৩৫,৯৮১
যুক্তরাজ্য ২,৩৬,৭২,৮৫৫ ১,৯০,৩১৭ ২,৩৩,৬০,৭২৩
ইতালি ২,২৫,৪২,৫৬৮ ১,৭৭,১৯৭ ২,১৮,৯৮,৪২২
১০ জাপান ২,১৩,৪৫,৯৩৯ ৪৫,০১৮ ২,০৪,০০,৯১১
১১ রাশিয়া ২,১০,৭৩,১৮৫ ৩,৮৭,৫৫৯ ২,০১,৭৫,৯০২
১২ স্পেন ১,৮৩,৪৮,০২৯ ১,৫৯,৬০৫ ১,৩২,২৫,৯৬৪
১৩ তুরস্ক ১,৬৮,৭৩,৭৯৩ ১,০১,১৩৯ ১,৬৭,৬৩,৪৭৭
১৪ ভিয়েতনাম ১,১৪,৮১,৩১৪ ৪৩,১৪৯ ১,০৫,৯৩,১৮১
১৫ অস্ট্রেলিয়া ১,০২,৪১,৭৩৯ ১৫,২২১ ১,০১,৭২,৬৬২
১৬ আর্জেন্টিনা ৯৭,১১,৩৫৫ ১,২৯,৯৩৭ ৯৫,৬৬,৭৩২
১৭ নেদারল্যান্ডস ৮৪,৩০,৮৬১ ২২,৬৫০ ৮৩,৬৬,০৩৮
১৮ ইরান ৭৫,৫০,০২১ ১,৪৪,৪৪৮ ৭৩,২৬,৫০৮
১৯ মেক্সিকো ৭০,৯০,৩৩০ ৩,৩০,১৩১ ৬৩,৫৯,১৪২
২০ তাইওয়ান ৬৫,৮১,১১৭ ১১,২০১ ৫৭,৪৩,৪৭২
২১ ইন্দোনেশিয়া ৬৪,৩৫,৭১৯ ১,৫৮,১৪৩ ৬২,৬১,২৮২
২২ কলম্বিয়া ৬৩,০৭,৩৭২ ১,৪১,৭৯৪ ৬১,৩৪,৬৯০
২৩ পোল্যান্ড ৬২,৯৭,৬৫৬ ১,১৭,৫৯৮ ৫৩,৩৫,৯৭৩
২৪ পর্তুগাল ৫৪,৯৮,১২৬ ২৫,০৫৮ ৫৪,০২,০৩৭
২৫ ইউক্রেন ৫১,৭৭,২১৭ ১,০৯,২০৬ ৪৯,৮৩,৭৮১
২৬ অস্ট্রিয়া ৫১,৬২,৯৩৪ ২০,৭৫৮ ৫০,৩০,৬৫৮
২৭ গ্রীস ৪৯,২০,১৯২ ৩৩,৮২৯ ৪৮,৫৪,৯৫৪
২৮ মালয়েশিয়া ৪৮,৪৩,৮৬৫ ৩৬,৩৭৫ ৪৭,৮৩,৩৯৩
২৯ থাইল্যান্ড ৪৬,৮২,১৩২ ৩২,৭৭১ ৪৬,৪২,৮৯৪
৩০ ইসরায়েল ৪৬,৬৩,৫১৫ ১১,৬৯৮ ৪৬,৪৪,০৮১
৩১ চিলি ৪৬,৩৩,১২৮ ৬১,২১৯ ৪৫,৫৭,২৯২
৩২ বেলজিয়াম ৪৫,৪৪,৫০৫ ৩২,৬৭৩ ৪৪,৫৬,৫৬০
৩৩ কানাডা ৪২,৩৩,৪৬৮ ৪৪,৯৯২ ৪১,৩৯,৫৯১
৩৪ পেরু ৪১,৪৫,৩০১ ২,১৬,৫৯৬ ৩৯,১৮,৫৬৩
৩৫ চেক প্রজাতন্ত্র ৪১,০৯,০৭২ ৪১,১১৮ ৪০,৪৭,৮৮৩
৩৬ সুইজারল্যান্ড ৪০,৮৪,৩০৭ ১৪,১৮৩ ৪০,২০,১৯৭
৩৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ৪০,১৯,০৭৭ ১,০২,১৮৫ ৩৯,০৯,২৬৫
৩৮ ফিলিপাইন ৩৯,৫৫,৭৫৮ ৬৩,০৪২ ৩৮,৬৪,৬০৫
৩৯ রোমানিয়া ৩২,৭০,৫৯১ ৬৭,০৩৪ ৩১,৮৬,০৫১
৪০ ডেনমার্ক ৩১,১৩,৯৩৮ ৭,০৮৭ ৩০,৯৫,৩৪৬
৪১ সুইডেন ২৫,৮৮,৪৪১ ২০,১৯৪ ২৫,৫০,৩৯৫
৪২ ইরাক ২৪,৫৯,৯৮২ ২৫,৩৫৫ ২৪,৩৩,৭০৪
৪৩ সার্বিয়া ২৩,৬৭,০১৫ ১৭,০৩১ ২৩,১০,৫৮৩
৪৪ হাঙ্গেরি ২০,৯৪,১৪২ ৪৭,৫০৩ ২০,১৪,১৭৫
৪৫ সিঙ্গাপুর ১৯,১৪,২৮০ ১,৬২০ ১৮,৩২,০৪৪
৪৬ স্লোভাকিয়া ১৮,৪৪,৪৫৩ ২০,৪৬২ ১৮,১৮,৭৫২
৪৭ নিউজিল্যান্ড ১৭,৮৯,৪২৫ ২,৯৯২ ১৭,৭৭,৪৩৬
৪৮ জর্জিয়া ১৭,৮০,৬৯১ ১৬,৯০০ ১৬,৩৭,২৯৩
৪৯ হংকং ১৭,৭৬,৪০৯ ১০,১৭৬ ১৫,০৩,৭৯৯
৫০ জর্ডান ১৭,৪৬,৯৯৭ ১৪,১২২ ১৭,৩১,০০৭
৫১ আয়ারল্যান্ড ১৬,৬৩,৬৫৩ ৭,৯০৫ ১৬,৪৯,৮৪৮
৫২ পাকিস্তান ১৫,৭২,৭৬২ ৩০,৬১৯ ১৫,৩৭,৮১৩
৫৩ নরওয়ে ১৪,৬২,৪৫৬ ৪,০৯৮ ১৪,৫৭,৩৬৩
৫৪ কাজাখস্তান ১৩,৯৩,৬৯১ ১৩,৬৯০ ১৩,৭৮,৬৫৭
৫৫ ফিনল্যাণ্ড ১২,৯২,৯৪০ ৫,৯৮১ ১২,৬৭,৬৩১
৫৬ মরক্কো ১২,৬৪,৯৭৮ ১৬,২৭৮ ১২,৪৮,৬০১
৫৭ বুলগেরিয়া ১২,৫৯,৯৪৮ ৩৭,৭১৮ ১২,১২,০০৩
৫৮ লিথুনিয়া ১২,৫১,৪১০ ৯,৩২৭ ১২,১৯,৭৫৩
৫৯ ক্রোয়েশিয়া ১২,৩৩,৭৮৭ ১৬,৯২২ ১২,১২,৪০৪
৬০ লেবানন ১২,১৬,০২৫ ১০,৬৭৮ ১০,৮৭,৫৮৭
৬১ স্লোভেনিয়া ১১,৮৭,৫৯২ ৬,৮২৬ ১১,৫১,০০৭
৬২ তিউনিশিয়া ১১,৪৫,৬৮৬ ২৯,২৪৯ ৯,৮৩,৬৩০
৬৩ গুয়াতেমালা ১১,২৫,২০৫ ১৯,৮০৪ ১১,০৪,৯৭০
৬৪ কিউবা ১১,১১,২০৬ ৮,৫৩০ ১১,০২,৫৯২
৬৫ বলিভিয়া ১১,০৮,৩৪৭ ২২,২৩৭ ১০,৫৩,৩৪২
৬৬ কোস্টারিকা ১০,৭২,৮০৭ ৮,৯১৩ ৮,৬০,৭১১
৬৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১০,২৮,৭১৭ ২,৩৪৫ ১০,০৭,৮৫৫
৬৮ ইকুয়েডর ১০,০৫,৫২১ ৩৫,৮৯৯ ৯,৬৫,৬১০
৬৯ নেপাল ৯,৯৯,৭৮৯ ১২,০১৮ ৯,৮৬,৮৮২
৭০ বেলারুশ ৯,৯৪,০৩৭ ৭,১১৮ ৯,৮৫,৫৯২
৭১ পানামা ৯,৮৬,৮৬৬ ৮,৪৯৭ ৯,৭৬,৮৭৩
৭২ উরুগুয়ে ৯,৮৫,৪২২ ৭,৪৮৫ ৯,৭৬,৭৬০
৭৩ মঙ্গোলিয়া ৯,৮২,৮৬৪ ২,১৭৯ ৯,৭৯,৭৮৪
৭৪ লাটভিয়া ৯,৩২,৪৮৫ ৬,০০৮ ৮,৯১,২৩৭
৭৫ আজারবাইজান ৮,২১,৬৬১ ৯,৯১৯ ৮,১০,৯২৯
৭৬ সৌদি আরব ৮,১৬,৮২০ ৯,৩৫৭ ৮,০৩,৯০৯
৭৭ প্যারাগুয়ে ৭,১৬,৫৪৩ ১৯,৫৯১ ৬,৯৬,৮১১
৭৮ বাহরাইন ৬,৮১,২১০ ১,৫২০ ৬,৭৬,৭৮৬
৭৯ শ্রীলংকা ৬,৭০,৮০৫ ১৬,৭৬৩ ৬,৫৩,৯৮৫
৮০ কুয়েত ৬,৫৮,৫২০ ২,৫৬৩ ৬,৫৫,৩১৬
৮১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৬,৪৫,৯৫২ ৪,৩৮৪ ৬,৪১,১৫৭
৮২ মায়ানমার ৬,২২,৮০২ ১৯,৪৫৮ ৫,৯৭,৮৯৮
৮৩ ফিলিস্তিন ৬,২০,৫৪৮ ৫,৪০৩ ৬,০৮,৭৪৯
৮৪ এস্তোনিয়া ৬,০১,৮৬৯ ২,৬৮১ ৫,২৪,৯৯০
৮৫ মলদোভা ৫,৮৯,৩৮৮ ১১,৮৪৪ ৫,০৪,১৪২
৮৬ সাইপ্রাস ৫,৮৭,৯৯৪ ১,১৮২ ৫,৭৯,৪২৭
৮৭ ভেনেজুয়েলা ৫,৪৪,৮৭৪ ৫,৮১৬ ৫,৩৮,২৫৬
৮৮ মিসর ৫,১৫,৬৪৫ ২৪,৬১৩ ৪,৪২,১৮২
৮৯ লিবিয়া ৫,০৭,০০৫ ৬,৪৩৭ ৫,০০,৫১৭
৯০ ইথিওপিয়া ৪,৯৩,৫৮৮ ৭,৫৭২ ৪,৭১,৯৩৯
৯১ রিইউনিয়ন ৪,৭২,৩৩৬ ৮৯৩ ৪,১৮,৫৭২
৯২ হন্ডুরাস ৪,৫৬,৩৯১ ১০,৯৯৩ ১,৩২,৪৯৮
৯৩ কাতার ৪,৫৩,৪৯৬ ৬৮২ ৪,৪৬,৭৫৪
৯৪ আর্মেনিয়া ৪,৪২,৮৭৫ ৮,৬৮৩ ৪,৩০,১৯২
৯৫ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৩,৯৮,৭৫০ ১৬,১৩৭ ১৫,৮১,১৬৪
৯৬ ওমান ৩,৯৭,৯৯৩ ৪,২৬০ ৩,৮৪,৬৬৯
৯৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৩,৪৩,০৬৯ ৯,৫৩৭ ৩,৩৩,০৬৭
৯৮ কেনিয়া ৩,৩৮,৪৪৯ ৫,৬৭৮ ৩,৩২,৭০৪
৯৯ জাম্বিয়া ৩,৩৩,৫৫৫ ৪,০১৭ ৩,২৯,৪৬১
১০০ আলবেনিয়া ৩,৩২,২৮৫ ৩,৫৮৮ ৩,২৬,৮৮৩
১০১ বতসোয়ানা ৩,২৬,৩০৮ ২,৭৮৯ ৩,২২,৯৫৫
১০২ লুক্সেমবার্গ ২,৮৮,৬৫৮ ১,১২৩ ২,৮৩,৬৬৮
১০৩ মন্টিনিগ্রো ২,৮০,৫৫৭ ২,৭৮২ ২,৭৬,৫১৭
১০৪ আলজেরিয়া ২,৭০,৬৭৯ ৬,৮৭৯ ১,৮২,৩১৬
১০৫ নাইজেরিয়া ২,৬৫,৪৩১ ৩,১৫৫ ২,৫৮,৩৯৪
১০৬ জিম্বাবুয়ে ২,৫৭,৫১৭ ৫,৬০২ ২,৫১,৫০৬
১০৭ চীন ২,৫১,০৪০ ৫,২২৬ ২,৪২,৮৮৫
১০৮ উজবেকিস্তান ২,৪৪,২১৮ ১,৬৩৭ ২,৪১,৪৮৬
১০৯ মোজাম্বিক ২,৩০,৩১২ ২,২২২ ২,২৭,৯৬৪
১১০ ব্রুনাই ২,২৭,৭৫৬ ২২৫ ২,২২,১৪০
১১১ মার্টিনিক ২,২১,৬১৮ ১,০৪৪ ১০৪
১১২ লাওস ২,১৫,৮৮০ ৭৫৮ ৭,৬৬০
১১৩ কিরগিজস্তান ২,০৬,০৮৩ ২,৯৯১ ১,৯৬,৪০৬
১১৪ আইসল্যান্ড ২,০৫,৬৩৭ ২১৩ ৭৫,৬৮৫
১১৫ এল সালভাদর ২,০১,৭৮৫ ৪,২২৯ ১,৭৯,৪১০
১১৬ আফগানিস্তান ১,৯৯,৫৪৫ ৭,৮০৩ ১,৭৮,১৯৩
১১৭ গুয়াদেলৌপ ১,৯২,৮০১ ৯৮৯ ২,২৫০
১১৮ মালদ্বীপ ১,৮৫,০৪২ ৩০৮ ১,৬৩,৬৮৭
১১৯ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১,৮৩,১৮১ ৪,২০৭ ১,৭৫,২৮৮
১২০ উগান্ডা ১,৬৯,৩৯৬ ৩,৬২৮ ১,০০,৪৩১
১২১ ঘানা ১,৬৯,৩৮৫ ১,৪৫৯ ১,৬৭,৪৬৮
১২২ নামিবিয়া ১,৬৯,২৫৩ ৪,০৬৫ ১,৬৪,৮১৩
১২৩ জ্যামাইকা ১,৫১,৯৩১ ৩,৩২০ ৯৯,৩৯২
১২৪ কম্বোডিয়া ১,৩৭,৮৯৩ ৩,০৫৬ ১,৩৪,৭৫৯
১২৫ রুয়ান্ডা ১,৩২,৫০৩ ১,৪৬৬ ১,৩১,০২৭
১২৬ ক্যামেরুন ১,২১,৬৫২ ১,৯৩৫ ১,১৮,৬১৬
১২৭ মালটা ১,১৪,৭৩০ ৮০৬ ১,১৩,২৬২
১২৮ অ্যাঙ্গোলা ১,০৩,১৩১ ১,৯১৭ ১,০১,১৫৫
১২৯ বার্বাডোস ১,০২,৫৮০ ৫৬০ ১,০১,৮১২
১৩০ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৯৩,৯৭৪ ৪১০ ১১,২৫৪
১৩১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৯২,৮৯৩ ১,৪৪৩ ৮৩,৫২০
১৩২ চ্যানেল আইল্যান্ড ৯১,৫৬১ ২০২ ৯০,৬৩৯
১৩৩ সেনেগাল ৮৮,৪০৮ ১,৯৬৮ ৮৬,৩৩২
১৩৪ মালাউই ৮৮,০২৯ ২,৬৮২ ৮৪,৯২৮
১৩৫ আইভরি কোস্ট ৮৭,২৮২ ৮২৬ ৮৬,৩৯৫
১৩৬ সুরিনাম ৮১,১০৬ ১,৩৮৫ ৪৯,৬২৬
১৩৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৭৬,৫৯৯ ৬৪৯ ৩৩,৫০০
১৩৮ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৭৪,১৫২ ৩১৪ ৭৩,৮২৩
১৩৯ ইসওয়াতিনি ৭৩,৩৯০ ১,৪২২ ৭১,৯৫৫
১৪০ গায়ানা ৭১,৩৪৯ ১,২৮১ ৭০,০০১
১৪১ বেলিজ ৬৮,৮৫৪ ৬৮৬ ৬৮,১০৩
১৪২ ফিজি ৬৮,২৪২ ৮৭৮ ৬৬,৩০২
১৪৩ মাদাগাস্কার ৬৬,৬৮৪ ১,৪১০ ৬৫,২৫১
১৪৪ সুদান ৬৩,২৮৫ ৪,৯৬১ ৫৭,৩৬০
১৪৫ মৌরিতানিয়া ৬২,৮২৬ ৯৯৫ ৬১,৭৯৪
১৪৬ কেপ ভার্দে ৬২,৩৭৬ ৪১০ ৬১,৮৯৫
১৪৭ ভুটান ৬১,৯৬৯ ২১ ৬১,৫৬৪
১৪৮ সিরিয়া ৫৭,৩০৯ ৩,১৬৩ ৫৪,১০৩
১৪৯ বুরুন্ডি ৫০,১২৯ ৩৮ ৪৯,৫৫৯
১৫০ গ্যাবন ৪৮,৭১৩ ৩০৬ ৪৮,৩০৭
১৫১ সিসিলি ৪৭,১৪১ ১৬৯ ৪৬,৪৪৬
১৫২ এনডোরা ৪৬,২২৭ ১৫৫ ৪৬,০১১
১৫৩ কিউরাসাও ৪৫,১২৭ ২৮২ ৪৪,৭২০
১৫৪ পাপুয়া নিউ গিনি ৪৪,৯৯৭ ৬৬৮ ৪৩,৯৮২
১৫৫ আরুবা ৪২,৯১৪ ২২৭ ৪২,৪৩৮
১৫৬ মরিশাস ৪০,৪৭৮ ১,০২৫ ৩৮,৮৪৩
১৫৭ মায়োত্তে ৪০,২৬১ ১৮৭ ২,৯৬৪
১৫৮ তানজানিয়া ৩৯,৪৪০ ৮৪৫ ১৮৩
১৫৯ টোগো ৩৯,০৮৬ ২৮৫ ৩৮,৬১৯
১৬০ আইল অফ ম্যান ৩৮,০০৮ ১১৬ ২৬,৭৯৪
১৬১ গিনি ৩৭,৬৫২ ৪৪৯ ৩৬,৮৮০
১৬২ বাহামা ৩৭,৩০৯ ৮৩৩ ৩৬,১২০
১৬৩ ফারে আইল্যান্ড ৩৪,৬৫৮ ২৮ ৭,৬৯৩
১৬৪ লেসোথো ৩৪,৪৯০ ৭০৬ ২৫,৯৮০
১৬৫ হাইতি ৩৩,৭৫৬ ৮৫৭ ৩১,৪১০
১৬৬ মালি ৩২,৬৮৩ ৭৪২ ৩১,৬৬১
১৬৭ কেম্যান আইল্যান্ড ৩০,৬৬১ ৩২ ৮,৫৫৩
১৬৮ সেন্ট লুসিয়া ২৯,৪০৮ ৩৯১ ২৮,৪৭৫
১৬৯ বেনিন ২৭,৬৩৮ ১৬৩ ২৭,৩২২
১৭০ সোমালিয়া ২৭,২১৪ ১,৩৫২ ১৩,১৮২
১৭১ কঙ্গো ২৪,৮৩৭ ৩৮৬ ২৪,০০৬
১৭২ পূর্ব তিমুর ২৩,২৫৩ ১৩৮ ২৩,১০২
১৭৩ বুর্কিনা ফাঁসো ২১,৬৩১ ৩৮৭ ২১,১৪৩
১৭৪ সলোমান আইল্যান্ড ২১,৫৪৪ ১৫৩ ১৬,৩৫৭
১৭৫ সান ম্যারিনো ২০,৭৯৩ ১১৮ ২০,৫৩১
১৭৬ জিব্রাল্টার ২০,০৯৫ ১০৮ ১৬,৫৮৩
১৭৭ লিচেনস্টেইন ১৯,৮৫৯ ৮৬ ১৯,৪৬১
১৭৮ গ্রেনাডা ১৯,৫৩৬ ২৩৭ ১৯,২৪৮
১৭৯ নিকারাগুয়া ১৮,৪৯১ ২২৫ ৪,২২৫
১৮০ বারমুডা ১৮,১৫৪ ১৪৮ ১৭,৯৬৯
১৮১ দক্ষিণ সুদান ১৭,৮২৩ ১৩৮ ১৭,৩৩৫
১৮২ তাজিকিস্তান ১৭,৭৮৬ ১২৫ ১৭,২৬৪
১৮৩ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৭,০১২ ১৮৩ ১৬,৬৯০
১৮৪ টাঙ্গা ১৬,১৮২ ১২ ১৫,৬৩৮
১৮৫ সামোয়া ১৫,৯৪১ ২৯ ১,৬০৫
১৮৬ ডোমিনিকা ১৫,৭৪৭ ৭৪ ১৫,৬৫১
১৮৭ জিবুতি ১৫,৬৯০ ১৮৯ ১৫,৪২৭
১৮৮ মার্শাল আইল্যান্ড ১৫,২৭৫ ১৭ ১৫,১৬৬
১৮৯ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১৪,৯১৩ ১১৩ ১৪,৫২০
১৯০ মোনাকো ১৪,৬২২ ৬৩ ১৪,৪৮৪
১৯১ গাম্বিয়া ১২,৫০৮ ৩৭২ ১২,০২৮
১৯২ সেন্ট মার্টিন ১১,৯৭৮ ৬৩ ১,৩৯৯
১৯৩ গ্রীনল্যাণ্ড ১১,৯৭১ ২১ ২,৭৬১
১৯৪ ইয়েমেন ১১,৯৩৫ ২,১৫৭ ৯,১২৪
১৯৫ ভানুয়াতু ১১,৯৩৩ ১৪ ১১,৮৯৪
১৯৬ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১১,২৩৫ ৩৬ ১০,৪৭৬
১৯৭ সিন্ট মার্টেন ১০,৮৬৩ ৮৭ ১০,৭৭৩
১৯৮ ইরিত্রিয়া ১০,১৭০ ১০৩ ১০,০৬৫
১৯৯ নাইজার ৯,৯৩১ ৩১২ ৮,৮৯০
২০০ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ৯,০৯৮ ১৪৬ ৮,৯২৩
২০১ গিনি বিসাউ ৮,৭৯৬ ১৭৫ ৮,৩০১
২০২ কমোরস ৮,৪৭১ ১৬১ ৮,৩০৫
২০৩ লাইবেরিয়া ৭,৯৬১ ২৯৪ ৭,৬৩৬
২০৪ সিয়েরা লিওন ৭,৭৫১ ১২৬ ৪,৩৯৩
২০৫ চাদ ৭,৫৮৩ ১৯৩ ৪,৮৭৪
২০৬ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭,৩০৫ ৬৪ ২,৬৪৯
২০৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৭,১১২ ১১৫ ৬,৬৪১
২০৮ নাউরু ৬,৯৬০ ৪,৬০৫
২০৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৬,৫৪১ ৪৬ ৬,৪৮২
২১০ কুক আইল্যান্ড ৬,৩৮৯ ৬,৩৮৪
২১১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৬,৩৮০ ৩৬ ৬,৩২১
২১২ পালাও ৫,৪৬০ ৫,৪৪৪
২১৩ সেন্ট বারথেলিমি ৫,২৮৫ ৪৬২
২১৪ এ্যাঙ্গুইলা ৩,৮৬৫ ১২ ৩,৮৪৮
২১৫ কিরিবাতি ৩,৪৩০ ১৩ ২,৭০৩
২১৬ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ৩,১৮৮ ২,৪৪৯
২১৭ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১,৮৮৬ ১,৮৮৬
২১৮ সেন্ট হেলেনা ১,৬৫৬
২১৯ মন্টসেরাট ১,৪০৩ ১,৩৭৬
২২০ ম্যাকাও ৭৯৩ ৭৮৭
২২১ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৭৬১ ৪৩৮
২২২ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
২২৩ নিউয়ে ৮০ ৮০
২২৪ ভ্যাটিকান সিটি ২৯ ২৯
২২৫ টুভালু ২০
২২৬ পশ্চিম সাহারা ১০
২২৭ জান্ডাম (জাহাজ)
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।