বাণিজ্যিক কৃষিতে সর্জন পদ্ধতিতে মেটে আলু চাষে সম্ভাবনা
ছবি: সংগৃহীত
ড. শামীম আহমেদ, মো. বাহাউদ্দিন সেক, মো. নাজমুল হুদা
ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা দেশের অন্যতম বৃহৎ উপকূলীয় ও চরাঞ্চল অধ্যুষিত এলাকা। মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থলের নিকটবর্তী হওয়ায় এই অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি ভিন্নধর্মী। এখানে বিস্তীর্ণ চর, নদীবিধৌত পলি মাটি ও জোয়ার-ভাটার প্রভাব স্পষ্ট। একদিকে যেমন এই ভৌগোলিক অবস্থান কৃষিকে সম্ভাবনাময় করে তুলেছে। অন্যদিকে লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, নদীভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ কৃষকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব কারণে চরফ্যাশনের অনেক এলাকায় প্রচলিত ফসল চাষ করে টেকসই লাভ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই বাস্তবতায় চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর ইউনিয়নের আবুগঞ্জ ব্লকে মেটে আলুর চাষ একটি নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাচ্ছে।
চরফ্যাশন উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে ২০২০ সাল থেকে পরিকল্পিতভাবে এখানে মেটে আলুর চাষ শুরু হয়। শুরুতে অল্প কয়েকজন কৃষক পরীক্ষামূলকভাবে এই ফসল চাষে আগ্রহ দেখালেও বর্তমানে এর ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। এখন আবুগঞ্জ ব্লকে প্রায় ২৭৫ হেক্টর জমিতে মেটে আলুর চাষাবাদ হচ্ছে, যা চরাঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
চরাঞ্চলের পলি মাটি, উঁচু জমি ও পানি নিষ্কাশনের সুবিধার কারণে মেটে আলু এই এলাকায় ভালো ফলন দিচ্ছে। তুলনামূলক কম ঝুঁকি, স্বল্প সময়ে ফলন এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়ার কারণে এই ফসল দিন দিন কৃষকদের আস্থার জায়গা করে নিচ্ছে। বিশেষ করে যেসব কৃষক আগে ধান বা অন্যান্য ফসল চাষ করে লোকসানের মুখে পড়তেন, তারা এখন মেটে আলুর দিকে ঝুঁকছেন। এ ছাড়া স্থানীয় বাজারে চাহিদা, নিরাপদ পুষ্টি সমৃদ্ধ সবজি ও আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় এই অঞ্চলে মেটে আলু আবাদের প্রচুর বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে।
মেটে আলু (Dioscorea alata) একটি দেশীয় কন্দাল জাতীয় সবজি। যার ইতিহাস আবহমান গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। অতীতে এটি মূলত বসতবাড়ির আঙিনায় বেড়া বা গাছে অবহিলিতভাবে বা পতিত জমিতে পারিবারিক চাহিদা পূরণের জন্য চাষ হতো। তখন এর উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ ছিল সীমিত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এসেছে এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর হওয়ায় কন্দাল জাতীয় খাবারের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। ফলে মেটে আলুর চাহিদা ও বাজারমূল্য উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এটি শুধু গ্রামীণ নয়, শহরের বাজারেও একটি পরিচিত ও চাহিদাসম্পন্ন উচ্চমূল্যের সবজি। আফ্রিকার কোনো কোনো অঞ্চলে এই মেটে আলু খাদ্য হিসেবে দেখা যায়। অঞ্চলভেদে মেটে আলু বিভিন্ন নামে পরিচিত, যেমন- মাইট্যা আলু, গাছ আলু, মাচা আলু, চুপরি আলু, মোম আলু, প্যাচড়া আলু ইত্যাদি।
পুষ্টিগুণের দিক থেকেও মেটে আলু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা থাকায় এটি শরীরের শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। খাদ্য আঁশ বা ফাইবার থাকায় হজম প্রক্রিয়া সহজ হয়। ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি ত্বকের স্বাস্থ্য ও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে এবং ভিটামিন ই, আয়রন, জিংক থাকায় চুল পড়া কমায়। এ ছাড়া এতে পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়ামের মতো খনিজ উপাদান আছে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও হাড়ের গঠন মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চর্বির পরিমাণ কম হওয়ায় এটি সব বয়সী মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত খাবার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সোডিয়ামের মাত্রা কম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান থাকায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এসব কারণে মেটে আলু খাওয়ার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।

সুনিষ্কাশিত উঁচু, মাঝারি উঁচু ও মাঝারি নিচু জমি মেটে আলু চাষের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট। মেটে আলু গর্ত বা মাদা তৈরি করে বপন করতে হয়। গর্ত বা মাদা উপর্যুপরি চাষ দিয়ে মাটিকে ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। এ ছাড়া গর্তের মধ্যে নিচে কিছু ছাই দিলে ভালো। তারপর গর্তের মাটির সাথে সমপরিমাণ জৈবসার বা ভার্মি কম্পোস্ট দিয়ে গর্ত ভরাট করে দিতে হবে। মুখী উপরদিকে রেখে মাটির উপরের স্তর থেকে ৪ আঙুল নিচে বীজ বা কন্দ লাগাতে হবে। হেক্টরপ্রতি প্রায় ১.০-১.৫ টন বুলবিল লাগে এবং বীজ হিসেবে প্রতিটি বুলবিলের ওজন ২০০-২৫০ গ্রাম হওয়া ভলো। ১ শতাংশ জমিতে ২৫-৩০টি বুলবিল প্রয়োজন হয়। সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে মেটে আলুর বুলবিল রোপণ করা উত্তম। জমি তৈরির পর নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে মেটে আলুর বীজ (বুলবিল) রোপণ করা হয়। বপনের দূরত্ব লাইন থেকে লাইন ৪-৫ ফুট এবং মাদা থেকে মাদার দূরত্ব ৩-৪ ফুট। বুলবিল রোপণের সাধারণত ৮-৯ মাসের মধ্যে মাটির নিচের মেটে আলু আহরণ করা যায়, যা প্রায় ৪-১০ কেজি পর্যন্ত হয়।
জৈব সারের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে আলুর আকার বড় হয় ও ফলন বেশি পাওয়া যায়। মেটে আলু চাষে হেক্টর প্রতি জৈব সার বা ভার্মি কম্পোস্ট ২.৫ টন, ১৯৫ কেজি ইউরিয়া, ১৫০ কেজি ডিএপি বা টিএসপি, ২৫০ কেজি এমওপি, জিপসাম ৫০ কেজি এবং দস্তা ৫ কেজি সার দিতে হবে। মেটে আলুর জন্য শেষ চাষের সময় সম্পন্ন জৈব সার, টিএসপি, জিপসাম ও দস্তা সার মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। প্রথমবার আগাছা পরিষ্কার করে অর্ধেক ইউরিয়া, অর্ধেক এমওপি সার দিতে হবে। বাকি সার একমাস পরে দ্বিতীয়বার পরিষ্কার করার সময় দিতে হবে অথবা চারা লাগানোর এক মাস পর পর ২-৩ বার প্রতিটি গাছের গোড়ার চারপাশের মাটিতে ২-৩ আঙুল গভীরে ইউরিয়া ৫০ গ্রাম এবং পটাশ ৫০ গ্রাম হারে প্রয়োগ করতে পারেন।
মেটে আলুর চারা গজানোর পর মাটিতে রসের অভাব হলে চারা মারা যেতে পারে। এমনকি গাছের প্রাথমিক বৃদ্ধি পর্যায়েও মাটিতে রসের অভাব হলে লতার আগা শুকিয়ে যায়। তাই গোড়ার মাটি শুকিয়ে আসার আগেই সেচ দিতে হবে। বর্ষার সময় সেচ দেওয়ার দরকার নেই। এ ছাড়া চারা গজানোর পর থেকেই জমি বা গাছের মাদা আগাছামুক্ত রাখতে হবে। তখন চারা গজানোর পর চারার গোড়ায় লম্বা বাঁশ পুঁতে দিতে হবে। বাঁশের মাথায় ঝাটি বা কঞ্চি বেঁধে দিতে হবে, যাতে লতা নেতিয়ে ঝাটির ওপর অবস্থান নিতে পারে।
মেটে আলুতে রোগ এবং পোকার আক্রমণ নেই বললেই চলে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে শোষক পোকার আক্রমণ দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে কীটনাশক হিসেবে সাইপারমেথরিন বা সেভিন প্রয়োগ করা যায়। গাছের গোড়ায় জলাবদ্ধতা এবং গোড়া পচা রোগে ফলনের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। মেটে আলু গাছে লেদা পোকা খেয়ে বড় বড় ফাঁকা করে ফেলে। এক ধরনের বিটল পোকা ছিদ্র করে খায়, একপর্যায়ে পাতার শিরা রেখে প্রায় সব সবুজ অংশ খেয়ে ফেলে। এ ক্ষেত্রে অনুমোদিত কীটনাশক মাত্রানুযায়ী কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শামুকও ক্ষতি করে থাকে। হাত দিয়ে শামুক মেরে এর হাত থেকে সহজেই রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
চরফ্যাশন উপজেলায় সর্জন পদ্ধতিতে বাণিজ্যিকভাবে মাচায় মেটে আলু চাষ কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে। উপজেলার আবুগঞ্জ ব্লকে মেটে আলুর চাষ মূলত সর্জন পদ্ধতিতে করা হয়, যা চরাঞ্চলের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি চাষপ্রযুক্তি। এই পদ্ধতিতে প্রথমে জমি ভালোভাবে চাষ দিয়ে উঁচু করে লম্বা বেড তৈরি করা হয়। বেডের মাঝখানে ও দুই পাশে নালা রাখা হয়, যাতে অতিরিক্ত পানি সহজে নেমে যায় এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়। চরাঞ্চলে বর্ষাকালে পানি জমে থাকার প্রবণতা বেশি থাকায় এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর। সর্জন পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, একবার মাচা করেই একই জমিতে মেটে আলুর পাশাপাশি আন্তঃফসল হিসেবে শসা, মরিচ ও শিমের চাষ করা যায়। এতে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং কৃষকের আয়ের উৎস বহুমুখী হয়। একটি ফসল থেকে লাভ কম হলেও অন্য ফসল সেই ঘাটতি পুষিয়ে দেয়, ফলে কৃষকের ঝুঁকি কমে যায়।
মেটে আলু সংগ্রহ
যখন দেখা যাবে মেটে আলু গাছের পাতা হলুদ হয়ে গেছে; তখনই আলু তোলার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। মেটে আলু সংগ্রহ করতে ৮ থেকে ১০ মাস সময় লাগে। উন্নত ব্যবস্থাপনায় হেক্টরপ্রতি ২৫-৩০ টন বা তার বেশি ফলন পাওয়া সম্ভব। বর্তমানে ভোলার বিশেষ করে চরফ্যাশন উপজেলায় ২৭৫ হেক্টর জমিতে ৩৫৫ জন কৃষক মেটে আলু আবাদ করছেন।

এক নজরে হেক্টরপ্রতি মেটে আলু চাষের আয়-ব্যয়ের হিসাব:
হেক্টরপ্রতি খরচের খাত
>> জমি তৈরি ও সর্জন বেড প্রস্তুত- ৮০,০০০ টাকা
>> বীজ ১.৫ টন- ৬০,০০০ টাকা
>> জৈব সার- ৩০,০০০ টাকা
>> রাসায়নিক সার- ২০,০০০ টাকা
>> বালাইনাশক- ১০,০০০ টাকা
>> সেচ খরচ- ২০,০০০ টাকা
>> শ্রমিক ও পরিচর্যা- ৪০,০০০ টাকা
>> জমির লিজ ভ্যালু ও অন্যান্য- ১০০,০০০ টাকা
>> মোট খরচ- ৩৬০,০০০ টাকা
>> বিক্রয়মূল্য ২৫ টন- ৭৫০,০০০ টাকা
>> নীট লাভ- ৩৯০,০০০ টাকা
>> এক মাচার খরচে চাষিরা বছরে ৩টি সবজি আহরণ করেন।
আবুগঞ্জ ব্লকের কৃষক আব্দুল হাসেম মেটে আলুর বাণিজ্যিক চাষে সফলতার একটি বাস্তব উদাহরণ। তিনি বলেন, ‘আগে ধান চাষ করে খুব একটা লাভ হতো না। এখন মেটে আলু চাষ করে বুঝেছি এই ফসল আমাদের এলাকার জন্য অনেক ভালো। খরচ কম, ফলন ভালো আর বাজারে দামও ভালো পাই। একই জমিতে অন্য ফসল থাকায় বাড়তি আয় হচ্ছে।’ তিনি প্রথমে ২০ শতাংশ জমিতে মেটে আলুর আবাদ শুরু করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় বর্তমানে তিনি বাণিজ্যিকভাবে ২৮০ শতাংশ জমিতে সর্জন পদ্ধতিতে মেটে আলু চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে সফল হয়েছেন।
একই এলাকার অন্য কৃষক মো. হেলাল বলেন, ‘চরাঞ্চলে মাটি অনেক উর্বর। মেটে আলু তুলনামূলক নিরাপদ ও পানি জমলেও ক্ষতি কম হয়। আমি প্রথমে ১৫ শতাংশ জমিতে শুরু করেছি, এখন ভালো ফল পেয়ে ৮০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছি।’
এই দুই কৃষকের অভিজ্ঞতাই প্রমাণ করে, মেটে আলু চরফ্যাশনের মতো উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য একটি কার্যকর ও লাভজনক ফসল। সঠিক চাষপদ্ধতি, পরিশ্রম এবং বাজার চাহিদার সমন্বয়ে মেটে আলু ধীরে ধীরে এই এলাকার অর্থনৈতিক পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠছে। ভবিষ্যতে এই চাষ আরও বিস্তৃত হলে চরফ্যাশনের কৃষকদের জীবনমান ও আর্থিক স্বচ্ছলতা আরও বাড়বে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট কৃষকেরা। চরাঞ্চলের কৃষকেরা ধীরে ধীরে এই ফসলের প্রতি আস্থা তৈরি করছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে এলাকার অর্থনীতি এবং গ্রামীণ জীবিকা উভয়কে উন্নত করতে সক্ষম।
ভবিষ্যতে মেটে আলুর চাষ সম্প্রসারণে কৃষি বিভাগ থেকে কৃষক প্রশিক্ষণ, মাঠ পর্যায়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণ, উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ ব্যবহার, আধুনিক চাষপ্রযুক্তি, পরিচর্যা ও সঠিক বাজার সংযোগের মাধ্যমে চরফ্যাশনের কৃষকদের জন্য নিরলসভাবে কাজ করছেন। এ ছাড়া আন্তঃফসল চাষের মাধ্যমে ঝুঁকি কমানো, মাটির উর্বরতা বজায় রাখা এবং ফসলের রপ্তানির সুযোগ বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।
মোটের ওপর, মেটে আলু চাষ চরফ্যাশনে ভবিষ্যৎ কৃষি সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। এটি কেবল একটি অর্থকরী ফসল নয় বরং চরাঞ্চলের কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন, আয় বৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ধরা যেতে পারে। সঠিক পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ, কৃষকের আগ্রহ এবং বাজারজাতকরণে চরফ্যাশন উপজেলা আগামীতে মেটে আলুর উৎপাদন ও বাণিজ্যিক চর্চায় দেশের অন্যতম মডেল অঞ্চল হয়ে উঠবে।
লেখক: ড. শামীম আহমেদ, জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার; মো. বাহাউদ্দিন সেক, অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি); মো. নাজমুল হুদা, উপজেলা কৃষি অফিসার, চরফ্যাশন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ভোলা।
এসইউ