ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মায়ের পরকীয়া প্রেমিককে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি | কক্সবাজার | প্রকাশিত: ০৯:০৪ পিএম, ১০ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজার সদরের ঝিলংজায় এনজিওর কিস্তির টাকা নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা জেরে মায়ের পরকীয়া প্রেমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে রবিউল হোসাইন রবি (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ মুহুরী পাড়া পাতাবুনিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঠের বাটামটিও জব্দ করেছে পুলিশ।

গ্রেফতার রবিউল হোসাইন রবি (২৬) সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ মুহুরী পাড়া পাতাবুনিয়া এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে। অপরদিকে নিহত মোহাম্মদ আজিম কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনা এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদি হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ জানায়, রবিউল হোসাইনের মা রেহেনা বেগম প্রথম স্বামীকে ত্যাগ করে প্রায় একদশক আগে বাপের বাড়ি মুহুরীপাড়া চলে আসেন। বাপের বাড়িতে থাকা অবস্থায় তিনি মোহাম্মদ আজিমের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়ান। কিন্তু সামাজিকভাবে বিয়ে না হলেও তারা পরস্পর স্বামী-স্ত্রীর মত বসবাস করে আসছিলেন।

রেহেনার প্রথম স্বামীর সন্তান রবিউল হোসাইনও বিষয়টি মেনে নিয়েছিলেন। মায়ের পরকীয়া প্রেমিককে রবিউল বাবার মতো মত শ্রদ্ধা করতেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুর মোহাম্মদ জানান, গত ২ এপ্রিল দুপুরে আজিমের বসতঘরের সামনে এনজিও সংস্থা থেকে নেওয়া কিস্তির টাকা নিয়ে রবিউলের সঙ্গে বাকবিতন্ডতা হয়। এক পর্যায়ে রবিউল পাশে থাকা কাঠের একটি বাটাম (শক্ত তক্তার অংশ) আজিমের মাথায় আঘাত করে। এতে জখম হন তিনি। পরে স্থানীয়রা আজিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে আজিম মারা যান বলে জানান।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুরে ঘটনায় অভিযুক্ত রবিউল সদরের ঝিলংজার দক্ষিণ মুহুরি পাড়ায় অবস্থানের খবর পায় পুলিশ। এসময় পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঠের বাটামটিসহ রবিকে গ্রেফতার করে।

কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমিউদ্দিন বলেন, অভিযুক্ত রবিউলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সায়ীদ আলমগীর/কেএইচকে/এএসএম