ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বরিশালে জাপা ও বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক | বরিশাল | প্রকাশিত: ০৫:১২ পিএম, ০১ জুলাই ২০১৮

ঋণ খেলাপি থাকায় বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির (এরশাদ) মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপসের এবং সমর্থক ভোটারদের একজনের অস্তিত্ব না পাওয়ায় জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) মেয়র প্রার্থী বশির আহম্মেদ ঝুনুর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া বাকি ৬ মেয়র প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাদিক আবদুল্লাহ, বিএনপির অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার, কমিউনিস্ট পার্টির অ্যাডভোকেট এ কে আজাদ, বাসদের ডা. মনিষা চক্রবর্তী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব এবং খেলাফত মজলিসের এ কে এম মাহবুব আলমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

রোববার দুপুরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনে বরিশালের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান ৮ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপসের জানান, তিনি গত ৩০ জুন খেলাপি ঋণ পরিশোধ করেছেন। তারপরও তার প্রতি অন্যায় করেছে নির্বাচন কমিশন। তিনি এই আদেশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল করবেন।

এ দিকে মনোনয়ন পত্র বাতিলের বিরুদ্ধে জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) মেয়র প্রার্থী বশির আহম্মেদ ঝুনুও আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান বলেন, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির খেলাপি ঋণ থাকলে মনোনয়ন দাখিলের পূর্বেই তা পরিশোধ করতে হবে। খেলাপি ঋণ থাকায় জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপসের এবং একজন সমর্থক ভোটারের অস্তিত্ব না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী (জাপা বিদ্রোহী) বশির আহম্মেদ ঝুনুর মনোনয়নপত্র বাতিল করার কথা জানান তিনি।

তিরি আরও জানান, রোববার প্রথম দিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১ থেকে ১৫ নং সাধারণ ওয়ার্ড ও ১ থেকে ৫নং সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সলর এবং মেয়র প্রার্থীদের মনোনয়ণপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময়সূচি নির্ধারিত আছে। আগামীকাল সোমবার দ্বিতীয় দিন ১৬ থেকে ৩০নং ওয়ার্ডের সাধারণ এবং ৬ থেকে ১০নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে। বাছাই শেষে আগামীকাল সোমবার বিকেলে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করা হবে।

মনোনয়ন বাছাইতে বৈধ ও অবৈধ প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কিংবা পক্ষে আগামী ৪ জুলাই পর্যন্ত বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল করা যাবে। পরবর্তীতে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল নিস্পত্তি করবেন বিভাগীয় কমিশনার। ৯ জুলাই বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থীরা স্ব-শরীরে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির হয়ে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে পারবেন। ওইদিন বিকেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রার্থীদের তালিকা করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরদিন ১০ জুলাই প্রতিদ্বন্দ্বি মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এরপরই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারনা। আগামী ৩০ জুলাই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রসঙ্গত, বরিশাল সিটি নির্বাচনে মোট প্রার্থী ১৫৯ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিসহ মেয়র পদে মোট ৮ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১১৩ এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ৩৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সাইফ আমীন/আরএ/পিআর

আরও পড়ুন