ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

দেউলিয়া অঞ্চল এখন সম্পদের ভাণ্ডার

প্রকাশিত: ০৫:০০ এএম, ১৯ মে ২০১৬

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় দেউলবাড়ি দোবড়া ইউনিয়ন এক সময় দেউলিয়া অঞ্চল হিসেবে পরিচিত থাকলেও আজ তা সম্পদের স্বর্ণ ভাণ্ডারে পরিণত হয়েছে।

বিলাঞ্চল হিসেব খ্যাত দেউলবাড়ি ইউনিয়নে পদ্মডুবি, বিলডুমুরিয়া, দেউলবাড়ি দোবড়া, সোনাপুর, মুগারঝোড়, গাওখালী ও বৈঠাকাটা ৭টি বৃহৎ বিল রয়েছে। যার আয়তন ২৩০০ হেক্টর। আর এসব বিলাঞ্চল সারা বছর ১০ থেকে ১৫ ফুট পানির নিচে ডুবে থাকত। কোনো ফসল ছিল না। বার মাস কচুরিপানায় ভরপুর পানিতে ছিল মাছ আর শাপলা। তাই এসব অঞ্চলের মানুষের জীবন জীবিকা ছিল শাপলা ও মাছ নির্ভর।

pirojpur

কিন্তু আজ এ অঞ্চলের ৭টি মৌজায় ৪৭০০ একর জমিতে ১০ থেকে ১৫ ফুট পানির উপরে ভাসমান পদ্বাতিতে কান্দিবের ও ধাপের উপর শাক-সবজি আবাদসহ ৩০ প্রজাতির সবজি যেমন, গোল আলু, মিষ্টি কুমড়া, শসা, লাউ, মরিচ, কাকরোল, করোল্লা, চিচিঙ্গা, ঢেরশ ও বেগুনসহ ২৮ প্রজাতির সবজি চারা উৎপাদন করে উপজেলা জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে।

আর এই কান্দিবের, ধাপ ও বীজতলা তৈরিতে এখন সর্বাধিক মূল্যবান সম্পদ হচ্ছে পানির উপরে ভাসমান টেপাপোনা ও শেওলা। স্থানীয় কৃষকরা তাই দিন ভর টেপাপোনা সংগ্রহ ও ক্রয় বিক্রয়ের কাজে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

pirojpur

স্থানীয় চাষী কবির আহম্মেদ, সিরাজ সেখ, ফজর আলীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছোট ডিঙ্গি নৌকার এক ভরা টেপাপোনা ও শেওলা সংগ্রহ করতে ৩/৪ ঘণ্টা সময় লাগে। তা বিক্রি হয় ১০০০/১২০০ টাকায়।

এছাড়া সর্বপোরি রয়েছে মিষ্টি পানির মাছ। বিশেষ করে এ অঞ্চলের জিয়ল মাছের খ্যতি দেশ জুড়ে। পাশাপাশি বিলের চারিপাশে উন্নতমানের ধানের চাষ করা হচ্ছে। এসব কারণে বদলে গেছে এ অঞ্চলের মানুষের জীবন জীবিকা।

এফএ/পিআর

আরও পড়ুন