ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. অর্থনীতি

শ্রম বিলের বিভ্রান্তিকর ধারাগুলো সংশোধনের দাবি নিটওয়্যার ব্যবসায়ীদের

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশিত: ০৪:২৩ পিএম, ১১ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘শ্রম (সংশোধন) বিল, ২০২৬’-কে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)। সেই সঙ্গে আইনটিতে থেকে যাওয়া বিভ্রান্তিকর ধারাগুলো সংশোধনের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার (১১ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এ দাবি জানান। তিনি বলেন, সময় স্বল্পতার কারণে যেসব ধারাতে অনাকাঙ্ক্ষিত বিভ্রান্তি রয়ে গেছে তা পরবর্তীতে সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সংশোধন করা প্রয়োজন।

মোহাম্মদ হাতেম দাবি করেন, কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থার নির্দেশনায় গত অন্তর্বর্তী সরকার ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ কমিটির সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে আইনের কিছু ধারায় কৌশলে অস্পষ্টতা ও বিভ্রান্তি তৈরি করার অপচেষ্টা করেছিল, যাতে শিল্প খাতে শ্রম অসন্তোষের বীজ বপন করা হয়েছিল বলে বিকেএমইএ মনে করে। এতে শিল্প কলকারখানা ও শ্রমিক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। বিদেশি ক্রেতা গোষ্ঠীর কাছেও নেতিবাচক বার্তা তৈরি হয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত বর্তমান সরকার সংশোধিত শ্রম আইনের কিছু ধারা সংশোধন করে পাস করলেও কিছু জায়গায় এখনো বিভ্রান্তি রয়ে গেছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। এটি শ্রম অসন্তোষ তৈরি করতে পারে বলে আমরা মনে করি। এর ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হওয়ার পাশাপাশি ব‍্যবসা সহজীকরণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

‘শিল্প কলকারখানায় শান্তিপূর্ণ উৎপাদন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরবর্তী শ্রমবিধি সংশোধন এবং পরবর্তী আইন সংশোধনের সময় এসব অস্পষ্টতা ও বিভ্রান্তি দূর করার জন‍্য সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে,’ যোগ করেন মোহাম্মদ হাতেম।

এই ব্যবসায়ী নেতা আরও বলেন, ‘শ্রমিকদের অন্যায়ভাবে কালো তালিকাভুক্ত করাকে অসৎ শ্রম আচরণ হিসেবে গণ্য করে শাস্তির বিধানকে আমরা স্বাগত জানাই। আবার একই সঙ্গে কোনো শ্রমিক নামধারী কেউ যদি অন্যায়ভাবে ও আইনবহির্ভূত দাবি নিয়ে শিল্প কলকারখানায় দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও উশৃঙ্খলতা সৃষ্টি, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জিম্মি করে মারধর, অবৈধ ধর্মঘট ও অন্য শ্রমিকদের কাজে বাধাদান ইত্যাদি কর্ম করে শিল্প কলকারখানা ও প্রকৃত শ্রমিকদের ক্ষতি সাধন করে তাহলে সেটাকে অসৎ শ্রম আচরণ হিসেবে গণ্য করে আরও কঠিন শাস্তির বিধান রাখা উচিৎ বলে আমরা মনে করছি।’

মোহাম্মদ হাতেম দাবি জানান, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দূতাবাস, যারা বাংলাদেশের শ্রম আইন সংস্কার ও সংশোধনীতে নির্দেশনামূলক ভূমিকা রেখেছেন, তারা যেন বাংলাদেশি সরবরাহকারীদের আন্তর্জাতিক ক্রেতা গোষ্ঠী ন্যায্য ও নৈতিক মূল‍্য দিচ্ছেন কি না, সেটাও তদারকি ও নজরদারিতে রাখেন। অন‍্যথায় দিনশেষে শিল্প কলকারখানা ও শ্রমিক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

আইএইচও/একিউএফ