ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. বিনোদন

কোয়েল মল্লিকের নতুন অধ্যায়

বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৭:২১ পিএম, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

 ২৬ সালের ভারতীয় বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে যখন কোয়েল মল্লিকের নাম ঘোষণা করা হয়, তাতে পুরো টালিপাড়া চমকে উঠেছিল। অভিনেত্রী যে রাজনীতির আঙিনায় পা রাখতে পারেন, তা অনেকের কাছেই ছিল অপ্রত্যাশিত। কয়েকদিন আগেই বিধানসভায় মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর এবার দিল্লিতে রাজ্যসভায় সাংসদ হিসেবে কোয়েল শপথ গ্রহণ করলেন।

এইদিন তিনি নিজের আসল নাম রুক্মিণী মল্লিক হিসেবে শপথ নেন। লাল পাড়ের সাদা শাড়িতে সাজা কোয়েলকে রাজ্যসভায় উপস্থিত দেখার মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে। মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় দেখা গেছে-কেউ তার রাজনৈতিক যাত্রাকে সমর্থন করেছেন, আবার কেউ বলেছেন, “ভুল সময়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোয়েল।”

কয়েকদিন আগে কোয়েল মনোনয়ন পত্র জমা দিতে স্বামী নিসপাল সিং রানের হাত ধরে আসেন। পাশে ছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “জীবনের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। এটা একটি গুরুদায়িত্ব। আমি চাই, সকলের আশীর্বাদ ও ভালোবাসা আমার সঙ্গে থাকুক। যেন আমি অনেক মানুষের সেবা করতে পারি এবং দেশের সেবায় সক্ষম হতে পারি।”

কোয়েল রাজনীতিতে আসার বিষয়টি নিয়ে বলেন,
“অনেক ভেবেছিলাম, কিন্তু এটাকে আমি মহৎ দায়িত্ব মনে করি। দেশের সেবা, মানুষের সেবা-এত বড় মহৎ কাজ আর কিছু হতে পারে না। আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি যে আমার নাম নমিনেট করা হয়েছে এবং এত গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে পেরেছি।”

এর আগে কোয়েলকে কোনো রাজনৈতিক কাজে দেখা যায়নি। এমনকি কোনো ইঙ্গিতও ছিল না যে তিনি রাজনীতিতে আসবেন। এই প্রসঙ্গে অভিনেত্রী শতাব্দী রায় মন্তব্য করেন, “খুব ভালো লাগছে খবরটা পেয়ে। কোয়েল খুব মনোযোগী মেয়ে। যেকোনো কাজ মন দিয়ে করলে তার মূল্য অবশ্যই পাওয়া যায়। আমি বিশ্বাস করি, সে রাজনীতিতেও মন দিয়ে কাজ করবে।”

আরও পড়ুন:
এক হাতে বন্দুক তার আরেক হাতে প্রেমিকা 
রণবীর সিংয়ের কারণে ফিরিয়ে দেওয়া চরিত্রে শেষ পর্যন্ত অক্ষয় খান্না 

কিন্তু এই খবর প্রকাশের পর থেকেই কোয়েলের অনুরাগীরা দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে যেমন অনেকেই শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন, অন্যদিকে কিছু অনুরাগীর মন ভেঙেছে। কোয়েল সবসময়ই নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালে রাখার পছন্দ করেছেন। বিয়ে, দুই সন্তান-সবই জনসাধারণের চোখে আড়ালে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তিনি খুব প্রকাশ্যে থাকেন না। হঠাৎ রাজনীতির ময়দানে পা দেওয়ায় অনুরাগীরা যথেষ্ট অবাক। এবার দেখা যাক, ‘টলি কুইন’ রাজনীতিতে কতটা জনপ্রিয়তা পান।

এমএমএফ

আরও পড়ুন