ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. লাইফস্টাইল

ফিটনেস ট্রেন্ড নয়, ঘরোয়া অভ্যাসেই সুস্থ মালাইকা

লাইফস্টাইল ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১:১৪ এএম, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

৫২ বছর বয়সেও ফিট, টোনড আর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি দিয়ে নজর কাড়েন মালাইকা অরোরা। অনেকেই ভাবেন, তার এই সুস্থতার পেছনে হয়তো রয়েছে কঠিন ডায়েট চার্ট বা নতুন কোনো ফিটনেস ট্রেন্ড। কিন্তু বাস্তবতা ঠিক উল্টো। মালাইকার সুস্থ থাকার দর্শন দাঁড়িয়ে আছে ঘরোয়া, সহজ আর ধারাবাহিক কিছু অভ্যাসের ওপর। নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি অন্তরের যত্ন, পরিমিত খাবার আর রান্নাঘরের পরিচিত উপকরণেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন দীর্ঘদিন ভালো থাকার আসল চাবিকাঠি।

মালাইকার বিশ্বাস নিয়মিত শরীরচর্চা ও পরিমিত খাবারের পাশাপাশি শরীর ভালো রাখতে হলে আগে অন্ত্রের যত্ন নেওয়া জরুরি। কারণ গাট হেলথ ঠিক থাকলে শরীরের অন্যান্য কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে।

ফিটনেস ট্রেন্ড নয়, ঘরোয়া অভ্যাসেই সুস্থ মালাইকা

একটি পডকাস্টে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে মালাইকা জানান, অন্ত্রই মূলত শরীরের নানা সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত। হজম প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিংবা মানসিক ভারসাম্য সবকিছুর সঙ্গেই গাট হেলথের সম্পর্ক গভীর। তাই সুস্থ থাকার জন্য তার কাছে সমাধান খুব সাধারণ রান্নাঘরের পরিচিত উপকরণ।

আরও পড়ুন: 

প্রতিদিন ভোরে খালি পেটে মালাইকা যে পানীয়টি খান, তার প্রস্তুতি শুরু হয় আগের রাতেই। পদ্ধতিটি সহজ, কিন্তু নিয়মিত। হালকা করে ভেজে নেওয়া হয় জিরা, আজওয়াইন (জোয়ান) ও মৌরি। এরপর প্রতিটি উপকরণ এক চা-চামচ করে পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয় সারা রাত। সকালে সেই পানিটুকু অল্প সময় জ্বাল দিয়ে ঠান্ডা করা হয়। খাওয়ার আগে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যায় তার দিনের প্রথম হেলথ ড্রিংক।

ফিটনেস ট্রেন্ড নয়, ঘরোয়া অভ্যাসেই সুস্থ মালাইকা

মালাইকার মতে, এই পানীয় অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে হজম শক্তিশালী হয়, পেট পরিষ্কার থাকে এবং শরীরের ভেতরের সামগ্রিক ভারসাম্য বজায় থাকে।

তিনি বিশ্বাস করেন, ফিটনেস মানে শুধু বাহ্যিক গড়ন নয়, আসল সুস্থতা আসে শরীরের ভেতর থেকে।

ফিটনেস ট্রেন্ড নয়, ঘরোয়া অভ্যাসেই সুস্থ মালাইকা

মালাইকা অরোরার রুটিন আমাদের একটাই বার্তা দেয় ভালো থাকতে হলে বিলাসী পরিকল্পনার দরকার নেই। বরং ছোট, সহজ অভ্যাস নিয়মিত মেনে চলা আর নিজের শরীরের প্রয়োজন বোঝাই দীর্ঘদিন সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

জেএস/

আরও পড়ুন